কেন টেস্ট অধিনায়কত্ব ছেড়েছিলেন? খোসলা করলেন বিরাট

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভারতীয় ক্রিকেট দলে বিরাট কোহলি নিঃসন্দেহে বিরাট বড় নাম। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ভারতের টেস্ট অধিনায়ের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করতেই মন ভেঙেছিল ক্রিকেট প্রেমীদের। সাত বছরের মেয়াদে, ডানহাতি ব্যাটার ৬৮টি টেস্ট ম্যাচের মধ্যে ৪০টিতে ভারতকে জয় এনে দিয়েছেন এবং ক্রিকেটের দীর্ঘতম ফরম্যাটে নিজেকে অন্যতম সফল অধিনায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। টেস্ট অধিনায়কত্ব ছাড়ার কয়েক মাস আগেই কোহলি টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব থেকেও সরে দাঁড়িয়েছিলেন। তারপর ওয়ানডের অধিনায়কের পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু কেন তিনি সরে গিয়েছিলেন তা নিয়ে হয়েছে বহু আলোচনা-সমালোচনা। দীর্ঘ সময় পর অবশেষে সেই পরিস্থিতিগুলো নিয়ে মুখ খুলেছেন কিং কোহলি। জানিয়েছেন কি কারণে তিনি অধিনায়কত্ব ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন।

আরসিবি (RCB) ইনোভেশন ল্যাবের ‘ইন্ডিয়ান স্পোর্টস সামিট’-এর অনুষ্ঠানে কোহলি স্বীকার করেছেন তিনি নিজের অজান্তেই অধিনায়কত্বের ভারে মানসিকভাবে এতটাই আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলেন যে সেটি তাঁর নিজের সত্তাকে গ্রাস করে ফেলেছিল। বিরাট বলেছেন, ‘আমি এমন এক অবস্থানে পৌঁছে গিয়েছিলাম, যেখানে আমি আমাদের ব্যাটিং ইউনিট এবং নেতৃত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিলাম। আমি বুঝতে পারিনি যে, এই দুটি দায়িত্ব আমার দৈনন্দিন জীবনে কতটা মানসিক চাপ বা বোঝা তৈরি করবে কারণ ভারতীয় ক্রিকেটকে শীর্ষস্থানে ধরে রাখার ব্যাপারে আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও অনুপ্রাণিত ছিলাম। আর ঠিক এই কারণেই, যখন আমি অধিনায়কত্ব ছাড়লাম, তখন আমি পুরোপুরি নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিলাম। আমি পুরোপুরিভাবে এর জালে জড়িয়ে পড়েছিলাম। পরিস্থিতিটা ছিল অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক। প্রত্যাশার চাপ সামলানোটা ছিল ভীষণ কঠিন।’ বিরাট আরও বলেছেন, ‘আমার কেরিয়ারের স্বর্ণযুগে মূল লক্ষ্য ছিল দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ড্রেসিংরুমে যেন কোনো ধরনের নিরাপত্তাহীনতা বা অস্থিরতা প্রবেশ করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। এই কৃতিত্বের অনেকটাই আমি ম্যানেজমেন্টকে অর্থাৎ রবি শাস্ত্রী এবং তাঁর দলকে দিতে চাই। কিন্তু ফর্ম তো আর চিরকাল একরকম থাকে না তাই একটা সময় পর সেই দুটি দায়িত্বের ভার আপনার ওপর চেপে বসতে শুরু করে। তাই, সময়টা বেশ কঠিনই ছিল।’

কোহলি এটাও স্বীকার করেন যে, ভারতের অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর তিনি অত্যন্ত মানসিক যন্ত্রণাদায়ক সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন। তবে ক্রিকেটের প্রতি হারানো ভালোবাসা বা আনন্দ পুনরায় খুঁজে পেতে সাহায্য করার জন্য তিনি রাহুল দ্রাবিড় এবং বিক্রম রাঠোরকে বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। সেই কঠিন সময় পার করা নিয়ে বিরাট বলেছেন, ‘ অধিনায়কত্ব ছাড়ার পরেই কেবল আমি নিজের মনের দুয়ার খুলেছিলাম এবং রাহুল ভাই (রাহুল দ্রাবিড়) ও বিক্রম রাঠোরের মতো মানুষদের সঙ্গে অনেক বেশি মন খুলে কথা বলেছিলাম। ২০২৩ সালে টেস্ট ক্রিকেটে আমার পারফরম্যান্স ছিল দুর্দান্ত আর যখনই তাদের সঙ্গে দেখা হয়, আমি সবসময়ই আমার হৃদয়ের গভীর থেকে তাদের ধন্যবাদ জানাই।” কঠিন সময়ে দ্রাবিড় ও বিক্রম তাঁর অনেক যত্ন নিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন বিরাট। তাঁরা যত্নশীল ও স্নেহপরায়ণ ছিলেন বলেও উল্লেখ করেছেন।

ক্রোয়েশিয়াকে গোলের মালা পরিয়ে জয় দিয়ে যাত্রা শুরু ইংল্যান্ডের

টলিউডের হাল ফেরাতে দেব-প্রসেনজিতদের মাথায় রেখে উপদেষ্টা কমিটি গড়ল রাজ্য

কঙ্গোর বিরুদ্ধে মাঠে নেমে মেসিকে ছুঁয়ে ফেললেন রোনাল্ডো

৫২ বছর পরে বিশ্বকাপে ফিরে রোনাল্ডোর পর্তুগালকে রুখে দিল কঙ্গো

মমতার পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের তুলে নেওয়ার অভিযোগ, রাতেই নিয়োগ প্রাইভেট সিকিউরিটি

ডোমজুড়ে তৃণমূলের দলীয় অফিসে আগুন ধরাল জনতা

এক ম্যাচ বাকি থাকতেই আফগানদের বিরুদ্ধে সিরিজ জয় শুভমনদের

রেল হকারদের এখনই উচ্ছেদ করতে পারবে না, বিকল্প জায়গার বিষয় বিবেচনার নির্দেশ হাইকোর্টের

‘মোদির ভারতে হামলা হলে পাশে দাঁড়াবে আমেরিকা’, অভয়বাণী ট্রাম্পের

গ্রেফতার হচ্ছেন অভিষেক? রক্ষাকবচ তুলে নিল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট

‘পুলিশকর্মীদের আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে যেতে হবে না’, আশ্বাস শুভেন্দুর

লোকসভায় তৃণমূলের ভবিষ্যৎ কী? অভিষেককে জরুরি তলব স্পিকারের

রাজ্যে জয়েন্টের ফল প্রকাশ নিয়ে দিনক্ষণ ঘোষণা বোর্ডের

পুরুষ লক্ষ্মীর খোঁজ পাওয়া গেল উলুবেড়িয়ায়‌, ৩ বছর ধরে পাচ্ছিলেন টাকা