চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘আপনাদের থেকে ভোট নিয়েছে, আর ঠকিয়েছে’, পুরুলিয়ার জনতাকে বার্তা অভিষেকের

Courtesy - Twitter

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী ২৫ মে দেশের অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের(Loksabha Election 2024) ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণ(6th Phase Polling) করা হবে। সেদিন দেশের ৫৮টি লোকসভা কেন্দ্রের ভোট নেওয়া হবে যার মধ্যে বাংলার(Bengal) ৮টি লোকসভা কেন্দ্রও রয়েছে। সেই ৮ কেন্দ্র হল – তমলুক, কাঁথি, ঘাটাল, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া। এদিন অর্থাৎ মঙ্গলবার সেই পুরুলিয়ার মাটিতেই সেখানকার(Purulia Constituency) তৃণমূল প্রার্থী(TMC Candidate) শান্তিরাম মাহাতোর(Shantiram Mahato) সমর্থনে একটি সভায় যোগ দেন বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee)। সেই সভা থেকেই তিনি পুরুলিয়ার জনতাকে বার্তা দেন যে, ‘৫ বছর আগে বিজেপি এখান থেকে আপনাদের ভোটেই জিতেছিল। কিন্তু কী করেছে আপনাদের জন্য? কী করেছে জেলার উন্নয়নের জন্য? কীই বিজেপি কী কিছু  করেছে?’ অভিষেকের সেই প্রশ্নের উত্তর এদিন দিতে পারেননি সভায় আগত জনতা। তার জেরেই অভিষেক পাল্টা বলেন, ‘এত বড় শূন্যতাই বলে দিচ্ছে সত্যিটা ঠিক কী। আপনাদের থেকে ভোট নিয়েছে, আর ঠকিয়েছে!’

এদিন পুরুলিয়া জেলার বাঘমুন্ডিতে তুলিন এলাকায় আয়োজিত এই সভায় অভিষেক বলেন, ‘আপনাদের এখানকার সাংসদ(BJP MP) জ্যোতির্ময় সিংহ মাহাতো(Jyotirmay Singh Mahato) ভোট চাইতে এলে তাঁকে লক্ষ্মীর ভান্ডার(Lakshmir Bhandar) এবং অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে প্রশ্ন করবেন। আমাকে পুরুলিয়ার মায়েরা, দিদিরা, ভাইয়েরা বলেছে, ১০০ দিনের টাকা পাচ্ছি না। জিজ্ঞাসা করেছিলাম তাঁদের, ২০১৯ সালে কাকে ভোট দিয়েছিলেন? ওঁরা বলেছিলেন বিজেপিকে। এটাও বলেন যে, ভুল হয়ে গিয়েছে। ওরা নানা জায়গায় বলে বেড়াচ্ছে, ভোটে জিতলে নাকি লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দেবে। আমি বলে যাচ্ছি, আপনাদের লক্ষ্মীর ভান্ডার আমরা বুক দিয়ে আগলে রাখব। প্রধানমন্ত্রী বন্ধ করতে চাইলেও পারবেন না। আপানারা সবাই লক্ষ্মীর ভান্ডার পাচ্ছেন। আগে ৫০০ টাকা ছিল, এখন ১০০০ টাকা করা হয়েছে। পুরুলিয়া থেকে ৬ লক্ষ ৬৩ হাজার ১৭৫ জন মহিলা লক্ষ্মীর ভান্ডার পাচ্ছেন। তিন হাজার কোটি টাকা খরচ করে লক্ষ্মীর ভান্ডার দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর জ্যোতির্ময় সিংহ মাহাতোকে জিজ্ঞাসা করুন, কত টাকা খরচ করেছে! ভোট চাইতে গেলে বিজেপির কাছে রিপোর্ট কার্ড চাইবেন।’

এর পাশাপাশি অভিষেক বলেন, ‘সন্দেশখালি নিয়ে চেঁচাত বিজেপি। কিন্তু বিজেপির মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়াল দাবি করেছেন, এটি সাজানো ঘটনা। বাংলার ১০ কোটি মানুষের সম্মান দেশের কাছে নষ্ট করেছে। ২০১৯ সালে বিজেপি জিতেছে, ১০০ দিনের টাকা বন্ধ, আবাসের টাকা বন্ধ, সর্বশিক্ষা মিশনের টাকা বন্ধ। পুরুলিয়া জেলায় বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হচ্ছে ২৯ লক্ষ ৬০ হাজার ৭৩৬ জনকে। প্রতি বছর ২ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা খরচ করে রেশন দিচ্ছে আমাদের সরকার। আগে চাষের জমিতে জল পৌঁছত না। এখন চাষের জমিতে জল পৌঁছেছে, গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে। সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল হয়েছে, কৃষক বাজার হয়েছে। তফসিলিবন্ধু চালু হয়েছে। ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা কেন্দ্রের দেওয়া দরকার, তা আমাদের সরকার দিয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী, লক্ষ্মীর ভান্ডার হয়েছে। আর বিজেপি কী করেছে? আপনাদের থেকে ভোট নিয়েছে, আর ঠকিয়েছে। তাই আপনাদের সবাইকে অনুরোধ করব খালি জোড়াফুলে ভোট দিলে হবে না। ওরা আপনাদের যে ভাবে ঠকিয়েছে, আপনারা সেই ভাবেই জবাব দেবেন যাতে আগামী ৫০ বছর যেন হাড়ে হাড়ে টের পায় বিজেপি।’ 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনে ৩০৯ জন প্রার্থী কোটিপতি, সেরা ধনী কে?‌

কোচবিহারের মদনমোহন মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী, নিজের হাতে থালা সাজিয়ে দিলেন পুজো

প্রথম দফায় শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রাম-সহ ৬৬ আসনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

‘পদ্ম পাঁকে ফোটে, বাংলার মাটিতে ফুটবে না’, পুরুলিয়া থেকে বিজেপিকে হুঙ্কার সায়নীর

‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’, দাগিদের প্রার্থী করায় তৃণমূলকে টেক্কা বিজেপির

বাংলায় প্রথম দফার ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা, কতজন ধর্ষণের আসামি?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ