আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

নেই পুরো ভরসা, বঙ্গ বিজেপিতে বিস্তারকরাই একমাত্র আশা

নিজস্ব প্রতিনিধি: ট্যুইটে গুণগান। আর ঠিক তারপরেই মরণবাণ। পঞ্চায়েত ভোটে(Panchayat Election) বাংলার(Bengal) মাটিতে বিজেপি(BJP) মুখ থুবড়ে পড়েছে। একটি জেলা পরিষদের বোর্ডও গেরুয়া শিবিরের দখলে আসেনি। গোটা ৭ ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতি হাতে এলেও সেখানে বোর্ড গড়া যাবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে, তার থেকেও বড় প্রশ্ন, সেই বোর্ড কতদিন ধরে রাখা যাবে। এদিকে দুয়ারে কড়া নাড়ছে ২৪’র ভোট(General Election 2024)। তাই আর পুরোপুরি ভরসা রাখা যাচ্ছে না বঙ্গ বিজেপির ওপর। অগ্যতা বাংলায় ফের ফিরছে বিস্তারক রাজ।

আরও পড়ুন দেশ বাঁচাতে চাই জনগণের সরকার, একুশে বার্তা দেবে তৃণমূল

বাংলার পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি হয়ে লড়াইয়ের যাবতীয় দায়িত্বে ছিলেন বাংলারই পদ্মনেতারা। যারা মূলত দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার(Sukanta Majumdar) ও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর(Suvendu Adhikari) নেতৃত্ব লড়াই করেছিলেন। কিন্তু ঘটনা হচ্ছে, তাঁরা দুইজনে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে সভা করে, রোড শো করে, মিছিল করেও দলকে সফলতার মুখ দেখাতে পারেননি। সফলতা বলতে পূর্ব এমদিনীপুরের জেলা পরিষদে ১৪জন সদস্যকে পাঠাতে পারার সক্ষমতা এবং ওই জেলাতেই ৪টি পঞ্চায়েত সমিতি দখল করা। আর তাই আগামী লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের নেতাদের ওপর আর বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ভরসা করতে পারছেন না। আর তাই তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, বাংলার সব জেলাতেই পাঠানো হবে বিস্তারক। দেশের নানা রাজ্য থেকে তাঁদের বাংলায় পাঠানো হবে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য আলাদা আলাদা বিস্তারক নামানো হবে। তাঁরা বুথে বুথে গিয়ে বৈঠক করবেন। কোথায় কী ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হবে সেটাও তাঁরা ঠিক করবেন। এলাকার সংগঠনের বাস্তব ছবি কী রয়েছে, তা নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রে রিপোর্ট পাঠাবেন। সেই মতো কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পদক্ষেপ নেবে।

আরও পড়ুন পঞ্চায়েতের Audit-এও মমতার বাংলার পিছনে একাধিক Double Engine States

বঙ্গ বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছু এলাকার সংগঠন কেন্দ্রীয় নেতাদের ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখানো হয়েছে। বহু বুথে কমিটি গঠন হয়নি। অথচ খাতায় কলমে কমিটি দেখানো হয়েছে। বিস্তারকরা বুথের প্রকৃত রিপোর্ট জে পি নাড্ডা(J P Nadda) বা অমিত শাহকে(Amit Shah) পাঠাবেন। দলে আসা নতুন নেতাদের প্রতি ক্ষোভে বহু পুরনো নেতা কর্মী নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছেন। তাঁদের কাছে বিস্তারকরা যাবেন। এই বিস্তারকদের বিভিন্ন জায়গায় যেতে গিয়ে যাতে কোনও অসুবিধা না হয় তার জন্য প্রতিটি জেলায় বিস্তারকদের জন্য বাইক ও ৪ চাকার গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে। একুশের ভোটের আগেও বাংলার মাটিতে ভিন রাজ্যের বিস্তারকরা এসে জেলায় জেলায় কাজ করে গিয়েছিলেন। ভাষাগত সমস্যার কারণে তাঁদের বিভিন্ন জায়গায় কাজ করতে সমস্যা হয়। তাই এবার দলের জেলার নেতারা দোভাষির কাজ করবেন এই বিস্তারকদের সঙ্গে থেকে। উত্তরাখণ্ড, ত্রিপুরা, রাজস্থান সহ বিভিন্ন রাজ্যের বিস্তারকরা আসবেন বাংলার মাটিতে।

আরও পড়ুন টাকা আটকেই হয়েছে সর্বনাশ, মানছেন পদ্মনেতারা

তবে পঞ্চায়েত ভোটে মুখ থুবড়ে পড়ার জন্য এখন বঙ্গ বিজেপির নেতারা মানছেন যে, তৃণমূল ব্যাপক সাফল্য দলের কর্মীদের মনোবলে ধাক্কা দিয়েছে। তাঁদের নতুন করে অক্সিজেন দেওয়া যথেষ্টই কষ্ট সাপেক্ষ। ভোকাল টনিক দিয়ে আদৌ তাঁদের চাঙ্গা করা যাবে কিনা তা নিয়েও থাকছে খটকা। একুশের ভোটের পরে দলের বহু কর্মী ঘরছাড়া হয়ে গিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁদের পাশে নেতারা দাঁড়াননি। তা নিয়ে অনেকের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। সেই কারণেও তাঁরা নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছেন। ওই কর্মীদের নতুন করে ময়দানে নামানো যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। বিস্তারকরা জেলায় এসে তাঁদের কতটা উজ্জীবিত করতে পারবেন, তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই তাই সংশয় থাকছে। দলের অধিকাংশ জেলার নেতাদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। নিজেদের মধ্যে কোন্দলও রয়েছে। বিস্তারকরা এই সমস্ত ক্ষত মেরামতে কতটা সক্ষম হবেন তা নিয়েও থাকছে প্রশ্ন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নির্বাচন মিটতেই কালবৈশাখীর দাপট! দুর্যোগের দিনে ভোটকর্মীদের পাশে রেল

ভোট মিটলেও রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা সামলাতে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে

উদয়নারায়ণপুরে জওয়ানের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আড়াল কমিশনের

ভোট শেষের মুখে নোয়াপাড়ায় উত্তেজনা, বচসা ঘিরে তৃণমূল–বিজেপি সংঘর্ষ

দিনের শেষে মায়ের সঙ্গে কসবা কেন্দ্রে ভোট দিলেন মিমি চক্রবর্তী

ব্যারাকপুরে পুরসভার কর্মী রাজনৈতিক দলের এজেন্ট হয়ে বুথে বসার অপরাধে আটক

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ