নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সভায় অনুপস্থিত শুভেন্দু, কারণ কী?‌

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বাংলায় নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। চলছে জোরদার প্রচার সব রাজনৈতিক দলের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতা–মন্ত্রীরা আসতে শুরু করেছেন। আজ, রবিবার কোচবিহারের রাসমেলা নির্বাচনী জনসভা হয় প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু বঙ্গ–বিজেপির অন্যতম ‘তরুণ–তুর্কি নেতা’ শুভেন্দু অধিকারী সেখানে অনুপস্থিত রইলেন। যদিও শুভেন্দুর জন্য আসনও নির্দিষ্ট ছিল। বরং আজ শুভেন্দু ছুটির দিন কাটালেন নিজে নির্বাচনী কেন্দ্র নন্দীগ্রামে। কেন শুভেন্দু এলেন না? এই প্রশ্ন এখন উঠতে শুরু করেছে।

এদিকে বিজেপি সূত্রে খবর, রাজ্য বিজেপির সংগঠন সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পৌঁছয়ে দেওয়া হয়নি শুভেন্দুর কাছে। বঙ্গ–বিজেপির ঘোষিত প্রথায়, শুভেন্দু অধিকারী বাংলার পদ্মপার্টির দুই প্রধান মুখের অন্যতম। যে সব রাজ্যে বিজেপির সরকার আছে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য সভাপতির ছবি, পোস্টার–ব্যানারে রাখা আবশ্যিক। আর যে সব রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় নেই, সেখানে রাজ্য সভাপতি এবং বিরোধী দলনেতার ছবি রাখা বাধ্যতামূলক। যেমন সর্বভারতীয় প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী এবং সর্বভারতীয় সভাপতির ছবি থাকাও বাধ্যতামূলক। তাই বাংলায় শমীক ভট্টাচার্য এবং শুভেন্দু অধিকারীই এখন দলের প্রধান দুই মুখ। শমীক কোচবিহারের সভায় হাজির ছিলেন। শুভেন্দু অনুপস্থিত রইলেন।

অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার নির্বাচনী কাজে উত্তরবঙ্গেই ছিলেন। শুভেন্দুকে রবিবার প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চে দেখা গেল না। যা নিয়ে দলের ভিতরে–বাইরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অমিতাভ চক্রবর্তীর ‘গা–ছাড়া ভাব’ থাকার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। এই ধরনের বড় কর্মসূচির ক্ষেত্রে সংগঠন সম্পাদকের পক্ষ থেকেই শীর্ষনেতাদের কাছে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ যায়। কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রীর সভায় হাজির থাকার জন্য শুভেন্দু অধিকারীর কাছেও তাঁর পক্ষ থেকেই আমন্ত্রণ যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই আমন্ত্রণ পৌঁছয়নি বলে সূত্রের খবর। আর তাই তিনি আসেননি। যা এখন সকলের সামনে চলে এসেছে।

এছাড়া এমন ঘটনা ঘটলেও এবং তা সকলের সামনে এলেও সেটা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী মুখ খোলেননি। বরং চুপ করে মজা দেখছেন বলেই অনেকে মনে করেন। বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম জনসভায় সেই শুভেন্দু অধিকারীর অনুপস্থিত থাকা চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। এটা কি ইচ্ছা করেই করা হয়েছে?‌ এমন প্রশ্নও উঠছে। উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসের শেষে দু’দিনের জন্য বঙ্গ সফরে এসেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। তখন দলের নানা স্তরের প্রতিনিধির সঙ্গে নীতিন দফায় দফায় বৈঠক করেন। কিন্তু সে বৈঠকগুলির জন্য সুকান্ত মজুমদার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাননি। এমনকী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরও আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাননি। তখনও অভিযোগ উঠেছিল অমিতাভ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধেই।

গ্রেফতার হবেন মমতা? দেশবিরোধী মন্তব্যের অভিযোগে ফের দায়ের এফআইআর

পাটক্ষেতে উদ্ধার নাবালিকার দেহ, গলায় লেগিংস জড়িয়ে খুনের অভিযোগ দিনহাটায়

ক্লাসরুমে ঢুকতে না পেরে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ প্রাথমিকের পড়ুয়াদের

টাকা দিতে না পারায় কিশোরীর পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে

‘আচমকা সিনেমা বাতিল, কখনও অভিনেতাদের ক্ষতির কথা ভেবেছেন?’ প্রযোজকদের প্রশ্ন রণবীরের

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মেসি কাণ্ডে হাজিরা এড়ালেন প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন বিরাট কোহলি

গ্রেফতার কলকাতার আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ মণ্ডল

সাতসকালে শওকতের বাড়িতে NIA হানা, আটক প্রাক্তন বিধায়কের ছেলে

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেইনির সঙ্গে বৈঠকে বসতে চান ডোনাল্ড ট্রাম্প

আওয়ামী লীগ পুনর্গঠনে ‘বোন’ রেহানার অনুসারীদের বাদ দিচ্ছেন শেখ হাসিনা

বিডিও পদ থেকেই অপসারিত জাহাঙ্গির খান ঘনিষ্ঠ শানু বক্সি

হুমায়ুন কবীরের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার, ক্ষুব্ধ নওদার বিধায়ক

আইপিএল জুড়ে দুহাতে আগলে রেখেছিলেন, চিনে নিন বৈভবের সেই ছায়াসঙ্গীকে