প্রধানমন্ত্রীর সভার আগেই দলের অন্দরে কোন্দল চরমে, মতভেদ শমীক–শুভেন্দুর

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। আর রাজ্যে বিজেপি নেতা–মন্ত্রীরা সভা করে ক্ষমতায় আসছে বলে প্রচার করে চলেছেন। কিন্তু সেটা কেমন করে তা নিয়ে কোনও অঙ্ক বা যুক্তি দিতে পারছেন না তাঁরা। এই আবহে বাংলায় সভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর তার আগেই বৈঠকে কোন্দল চরমে উঠল বলে সূত্রের খবর। নেতা–কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ, গোষ্ঠীকোন্দল এখন প্রকাশ্যে এসে পড়ছে। তার সঙ্গে আছে আদি–নব্যের দ্বন্দ্ব। এবার দলের রাজ্য কমিটির নতুন সদস্য এবং জেলা ইনচার্জদের নিয়ে প্রথম বৈঠকেই তা সামনে চলে এল। এমন পরিস্থিতিতে সামাল দিলেন দুই কেন্দ্রীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদব ও সুনীল বনশল।

এদিকে রাজ্যে এখন এসআইআর চলছে। যা নিয়ে বাংলার মানুষ চূড়ান্ত হয়রানির শিকার। যার ফসল চলে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। এমন পরিস্থিতিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য অবস্থা বেগতিক বুঝে এখন নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে রাস্তায় নামার নিদান দিয়েছেন। এমনকী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকেও পথে নামতে বলেছেন। সেখানে একেবারে বিরুদ্ধ মত পোষণ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মতে, নির্বাচন কমিশন যা করছে তা সঠিক। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং রোহিঙ্গারা বাদ পড়ছে। মানুষের হয়রানির অভিযোগ মিথ্যে বলে চিঠি পর্যন্ত লিখেছেন নির্বাচন কমিশনারকে। আর তাতেই বাংলার মানুষ বিজেপির বিরুদ্ধে চলে গিয়েছেন।

অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন যে খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছে তাতে কোনও অনুপ্রবেশকারী বা রোহিঙ্গা বাদ পড়েছে বলে দাবি করেনি। সুতরাং শমীক–শুভেন্দুর মতভেদে এখন বিজেপির নীচুস্তরের নেতা–কর্মীরা আড়াআড়িভাবে ভাগ হয়ে পড়েছেন। আদি নেতারা শমীককে সমর্থন করলেও শুভেন্দুকে মেনে নিতে পারছেন না। আর নব্য নেতা কর্মীরা শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তাঁকেই সমর্থন করছেন। ইতিমধ্যেই শুভেন্দু ঘনিষ্ঠরা বাদ পড়েছেন রাজ্য কমিটি এবং জেলা সাংগঠনিক কমিটি থেকে। দলের নতুন রাজ্য পদাধিকারী এবং ৪৩টি সাংগঠনিক জেলার ইনচার্জদের নিয়ে শুক্রবার সল্টলেকের একটি হোটেলে বৈঠক করেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই কেন্দ্রীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদব ও সুনীল বনশল। সেখানেই কোন্দল ধরা পড়ে বলে সূত্রের খবর।

এছাড়া নেতাদের মধ্যে এমন মনোমালিন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে বুঝে ওই বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতা সুনীল বনশল রাজ্য নেতাদের উদ্দেশে বলেন, মনোমালিন্য–কোন্দল–মতভেদ যেন না থাকে সেটা দেখতে হবে। যাঁরা ক্ষুব্ধ, দূরে সরে আছেন, তাঁদের বাড়ি যান। কথা বলে তাঁদের দলের কাজে নামান। পুরনোদের পুরোদমে কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন সুনীল বনশল এবং ভূপেন্দ্র যাদব। সবাই মাঠে না নামলে বিজেপির সাফল্য যে আসবে না তা নতুন নেতৃত্বকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন বনশল–যাদবরা। এখনও পর্যন্ত ৫০ শতাংশ পথসভাও শেষ করতে পারেনি বঙ্গ–বিজেপি। সেটা নিয়ে খুশি নন কেন্দ্রীয় নেতারা তা বুঝিয়ে দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর।

ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর থেকেই ইজরায়েল জুড়ে বাজছে সাইরেন

‘তৃণমূলের কোনও আদর্শ ছিল না,’ বিলম্বিত বোধোদয় ‘বিপ্লবী’ সুখেন্দু শেখরের

নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতা আব্দুল আলিম আলরাজিকে গ্রেফতার করল পুলিশ

‘কৃষ ৪’-এর জন্যে ৫০০ কোটি টাকা দাবি হৃতিকের, বিতর্কে কী বললেন রাকেশ রোশন?

চিকেন-মাটন ছাড়া রকমারি সব্জি দিয়ে বানান সুস্বাদু লাহোরি কিমা

রানওয়েতে নামতেই বিস্ফোরণ, দুর্ঘটনায় মৃত্যু ২ পাইলটের

কলকাতা হাইকোর্টে জোর ধাক্কা অরূপ বিশ্বাসের, গ্রেফতারি সময়ের অপেক্ষা

সোনা পাপ্পুর মামলায় ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন শ্রেয়া পাণ্ডে

দুর্দিনে মমতার পাশে নেই, রাজ্যসভার সাংসদ পদে ইস্তফা দিচ্ছেন কোয়েল

ফিফা বিশ্বকাপের আগে আতঙ্ক! ইংল্যান্ডের প্রশিক্ষণ শিবিরের কাছে চলল গুলি, আহত ৯

চুক্তি শেষ, মেট্রোপলিটনের ‘তৃণমূল ভবন’ খালি না হওয়ায় পুলিশের দ্বারস্থ বাড়ির মালিক

বাংলাদেশকে জোর ধাক্কা দিল শ্রীলঙ্কা সরকার, কী সিদ্ধান্ত নিল?

৩৮-এই সব শেষ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হরিয়ানভি গায়ক পেপসি শর্মা

নেপাল সীমান্ত থেকে ‘পুষ্পা’ জাহাঙ্গির খানকে গ্রেফতার করল এসটিএফ