আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘‌আমরা ভোটেও জিতি কোর্টেও জিতি, অনেক সিট হারাবেন’‌, শুভেন্দু–সহ বিজেপিকে তুলোধনা মুখ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ আজ, বৃহস্পতিবার বিধানসভায় সংক্ষেপেই বাজেট বক্তৃতা শেষ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। আর বক্তৃতা শেষ করে হাতে হাত ধরে কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। বাজেট ভাষণে রাজ্য সরকারের প্রশংসাও করেছেন রাজ্যপাল। এরপরই বিধানসভায় অনুপ্রবেশ ইস্যু তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাল্টা চোখা চোখা বাক্যবাণে জবাব দিয়ে বিরোধী দলনেতার মুখে ঝামা ঘষে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তাতেই বিধানসভায় কোণঠাসা হয়ে পড়ল বিজেপি। কারণ এবার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে অনেক আসন হারাতে হবে বলে তোপ দাগেন তিনি।

এদিকে স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানের মাঝেই বিধানসভায় বক্তৃতা শুরু করেন রাজ্যপাল। রাজ্যের বাজেট অধিবেশন দেখতে গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন মনোজ পন্থও। অধিবেশনে জাতীয় সঙ্গীত শেষ হতেই ‘ভারত মাতা কী জয়’ স্লোগান তোলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি পরিষদী দলও। পাল্টা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তোলেন তৃণমূলের বিধায়করা। আজ, বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌যত নিন্দা করুন, বিরোধিরা ভাল থাকুন। সুস্থ থাকুন। কিন্তু এটাও জেনে রাখুন অনেক আসন হারাবেন। শুনুন আমাদের নিন্দা করে কিছু হবে না। বাংলা হিরো ছিল হিরোই থাকবে। বাংলায় কিচ্ছু করতে পারবেন না। বাংলার মানুষ আপনাদের ধিক্কার জানায়। ডবল ইঞ্জিন সরকারের কথা বলেন তার হাল দেখুন। আর আমরা আর্থিক বঞ্চনার পরেও কি কাজ করছি সেটা দেখুন। এক টাকাও কোন প্রকল্পে দেন না আবার বড় বড় কথা বলেন।’‌

অন্যদিকে শুভেন্দুর তোলা প্রশ্নে তুলোধনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী দলকে তোপ দেগে চোখা চোখা বাক্যবাণে বিদ্ধ করেন তিনি। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী সুর সপ্তমে তুলে বলেন, ‘‌অনুপ্রবেশের কথা মাথায় ঢুকেছে। বাংলাকে টার্গেট করা হচ্ছে? আপনার প্রতিবাদ করা উচিত ছিল না, যখন পরিযায়ী শ্রমিকদের মারা হচ্ছে? আপনি যখন বলেছেন তখন আমরা চুপ ছিলাম। আপনিও চুপ করে শুনুন। আপনি কার মুখে শুনে কথা বলছেন। আমি অনেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেখেছি। আমাকে দেখাবেন না। সেল, রেল সব কেন্দ্রীয় সরকার অধীনস্ত সংস্থাকে জমি দিয়েছি। আগে যে জমি দিয়েছি তাতে কাজ শেষ করুন, আবার জমি দেব। আমরা কত জমি দিয়েছি, সেটা তো বলছেন না। আগে বাইরে থেকে কেউ এলে রেল, অ্যাভিয়েশন, বন্দর কর্তৃপক্ষ সেই তথ্য শেয়ার করত রাজ্যকে। কিন্তু গত কয়েক বছর কেন করা হয় না?‌ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বারবার বললেও কথা শোনা হচ্ছে না।’‌

এছাড়া বাজেট পেশের আগে এসআইআর নিয়ে সরগরম হয়ে ওঠে বিধানসভা। এখানে শুভেন্দু দাবি করেন, ‘‌কেন্দ্রীয় সরকার ২ লাখ দিয়েছে।’‌ তখন সুর চড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘‌কী ২ লাখ দেখাচ্ছেন? উত্তরবঙ্গে যখন মানুষ মারা গিয়েছিল, তখন টাকা দেননি। রাজ‍্যপাল যা বলে গিয়েছেন সব সত্যি। বাংলা দখলের কথা ভাববেন না। দিল্লি নিয়েই নাজেহাল অবস্থা। ডবল ইঞ্জিন সরকারের কী অবস্থা দেখা যাচ্ছে। তাই আপনারা জিরো ছিলেন, জিরো আছেন, জিরোই থাকবেন। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন। কিন্তু জেনে রাখুন, অনেক সিট হারাবেন। বাংলার উন্নয়ন নিয়ে আমরা গর্বিত। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে ১৫ বছর অপেক্ষা করেছি। আমরা দেড় হাজার কোটি টাকা দিয়ে কাজ করছি। ৩০০ কোটি টাকার কাজ হয়েছে। জাতীয় গ্রন্থাগারে পেগাসাস লাগিয়ে অনুপ্রবেশের কথা বলছেন? একটা রোহিঙ্গা খুঁজে পেয়েছেন? ২০২৪ সালে এই ভোটার লিস্টে ভোট হয়েছে। তা হলে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলুন।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নির্বাচন মিটতেই কালবৈশাখীর দাপট! দুর্যোগের দিনে ভোটকর্মীদের পাশে রেল

ভোট মিটলেও রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা সামলাতে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে

উদয়নারায়ণপুরে জওয়ানের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আড়াল কমিশনের

ভোট শেষের মুখে নোয়াপাড়ায় উত্তেজনা, বচসা ঘিরে তৃণমূল–বিজেপি সংঘর্ষ

দিনের শেষে মায়ের সঙ্গে কসবা কেন্দ্রে ভোট দিলেন মিমি চক্রবর্তী

ব্যারাকপুরে পুরসভার কর্মী রাজনৈতিক দলের এজেন্ট হয়ে বুথে বসার অপরাধে আটক

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ