বঙ্গ সিপিএমে মুষলপর্ব তুঙ্গে, সেলিমের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ রাজ্য কমিটির অধিকাংশ নেতা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ সিপিএমের অন্দরে এখন কোন্দল চরমে উঠেছে। নতুন প্রজন্মের নেতা–নেত্রীদের নামিয়ে যেখানে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিল সেখানে আড়াআড়িভাবে বিভক্ত হয়ে পড়ল সিপিএম। রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে সিপিএম কার্যত এখন একটা তোষামদকারী রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। এই অভিযোগ দলের অন্দর থেকেই উঠছে। তাই তো প্রতীক উর রহমান দল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এমনকী এই ভাবধারার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারছেন না বলেই দল ছাড়ছেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন। সেই চিঠি পৌঁছে গিয়েছে রাজ্য সম্পাদকের কাছে। আর তাই সিপিএমের প্রবীণ নেতা এবং রাজ্য কমিটির বহু সদস্য সেলিমের বিরুদ্ধে রে রে করে উঠেছেন বলে সূত্রের খবর।

এদিকে প্রতীক উর রহমানের সঙ্গে একঝাঁক নতুন মুখ বেরিয়ে আসতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। কারণ তাঁরাও এখন গালিগালাজের রাজনীতিতে বিশ্বাস করতে রাজি নন। বামপন্থীরা গালিগালাজ করবে না। বামপন্থীরা নীতি আদর্শ মেনে চলবে। এটাই তাঁরা মনে করেন। এমনকী দলের গঠনতন্ত্রেও তা বলা আছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, রোজ পালা করে সিপিএম নেতা–নেত্রীরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গালিগালাজ করছেন। আর তাতে জনসমর্থন তলানিতে পৌঁছেছে। বাংলার মানুষ সেটা গ্রহণ করেনি। এটা দলের অন্দরে বলে অনেকেই বিরাগভাজন হয়েছেন বলে সূত্রের খবর। তাই এবার সদলবদলে সিপিএম ছেড়ে বেরিয়ে আসতে চাইছেন একঝাঁক নেতা–নেত্রীরা। কারণ এই আচরণ আসলে বিজেপির দালালের সামিল বলে মনে করেন বাংলার মানুষজন।

অন্যদিকে দলের অন্দরে তোষামদ করে চলা নেতা–নেত্রীর সংখ্যা বেশি রয়েছে। আর তাঁদেরকেই বাড়তি সুযোগ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। আর তার জন্যই তাঁরা সংবাদমাধ্যমে গিয়ে রাজ্য সরকারের কাজের সমালোচনা না করে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে গালিগালাজ করে চলেছেন। এমন অভিযোগ খোদ প্রতীক উর রহমানের। বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমে একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রতীক উর সুর চড়িয়ে বলেন, ‘‌ব্যক্তি আক্রমণ কখনও বামপন্থীদের কাজ নয়। কাজের সমালোচনা করাই কাজ। সেখানে তা মানা হচ্ছে না। মহম্মদ সেলিম গিয়ে হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন আর প্রতীক উরের সঙ্গে কথা বলার সময় পান না। সরষের মধ্যেই ভূত নাকি ভূতের মধ্যেই সরষে সেটাই বোঝা যাচ্ছে না।’‌

এছাড়া দলে তোষামদকারীদের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। তাই শতরূপ ঘোষ এবং মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের মতো নেতা নেত্রীরা সংবাদমাধ্যমে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে গালিগালাজ করছেন। বাংলা বাঁচাও যাত্রা ডাহা ফেল করেছে। তাতে দলের অর্থ নষ্ট হয়েছে। অথচ এটা দলের অন্দরে বললে কোণঠাসা হতে হচ্ছে। এমন অভিযোগ বহু তরুণ নেতার। রাজ্য কমিটির বৈঠকে এই বিষয়গুলি উঠে আসে। তাতেই আড়াআড়িভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েছে সেলিম গোষ্ঠী বনাম তরুণ ব্রিগেড। আর তাই দল ছেড়ে বেরিয়ে আসার কথা ভাবছেন তাঁরা। প্রতীক উর রহমান কোন দলে যান সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন সৃজন, দীপ্সিতার মতো নেতা–নেত্রীরা। তারপরই তাঁরা সেদিকে লাইন লাগাবেন বলে সূত্রের খবর। বিনয় কোঙার, অনিল বসুদের গালিগালাজের লাইন মেনে নিতে চান না তাঁরা। কিন্তু এখন সেলিম–বিকাশ আঁতাতে সিপিএমে এখন কোন্দল চরমে উঠেছে।

ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা

বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট কার্যালয়ে নগরপালের সঙ্গে বৈঠকে ৬ বিজেপি বিধায়ক, কী আলোচনা হল?

‘মেটা’য় ছাঁটাইয়ের হাত থেকে রক্ষা, তবুও অব্যক্ত যন্ত্রণায় বিদ্ধ আধিকারিক

‘আমরা ১৫-২০ দিনের মধ্যেই একটি ছবির কাজ শেষ করে ফেলি’, বাংলা সিনেমা নিয়ে যিশু

বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে মাত্রাছাড়া মাতামাতিতে উদ্বিগ্ন কপিল দেব, কি বললেন…

দল ভেঙে ২০ সাংসদ নিয়ে এনডিএ শিবিরে যোগ দিচ্ছেন কাকলি-শতাব্দীরা

রামপুরহাটে কোটি কোটি টাকার জাল লটারি চক্রের হদিশ, আটক ১২

চুঁচুড়া পুরসভার ওয়ার্ড অফিসে মদের আসর, বিক্ষোভ বিজেপির

সুথার-সুন্দরের ভেল্কিতে আফগানদের দুরমুশ করে জিতল টিম ইন্ডিয়া

অবিলম্বে ইরান ছাড়ুন, ইজরায়েলের হামলার পরেই স্বদেশি নাগরিকদের নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

দুর্দিনে মমতার পাশে নেই, রাজ্যসভার সাংসদ পদে ইস্তফা দিচ্ছেন কোয়েল

সাঁইথিয়া পুরসভায় ভাঙন, চেয়ারম্যান সহ ১৪ তৃণমূল কাউন্সিলরের পদত্যাগ

হিঙ্গলগঞ্জে মুক ও বধির মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার প্রতিবেশী

ডিগবাজি খেলেন ফিরহাদ, মমতার হাত ছেড়ে ঋতব্রতদের শিবিরে দিলেন যোগ