এই মুহূর্তে

বিজয়া দশমীতে দেবী কালীর নিরঞ্জন! বীরভূমের এই গ্রামে এমনই প্রথা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিজয়া দশমী’র দিন এখানে শ্মশান কালীর বিসর্জন হয়। এই প্রথা শতাব্দী প্রাচীন। শেকলে বেঁধে দেবীকে বিসর্জন দেওয়া হয়। এই অবাক করা রীতিটি, বীরভূমের দুবরাজপুর এলাকার দাস পাড়ার।

দেবী দুর্গার বিদায়ের দিন হয় কালী ঠাকুর নিরঞ্জন। একাদশীর দিনে শেকলে বেঁধে কালী বিগ্রহকে নামানো হয় ঠাকুর দালান থেকে। এখানেই শেষ নয়। মা কালীর বিসর্জনের প্রথাও চমকে দেওয়ার মত। ঝাঁটা সহ অকথ্য ভাষায় গালাগালি দিয়ে দেবীর বিসর্জন দেন দাস পাড়ার বাসিন্দারা। শ্মশান কালীর এমন বিসর্জন দেখতে অন্য গ্রামে থেকে মানুষ এসে জমায় ভিড়।  

দেবীর মূর্তি গড়া থেকে পুজোর যাবতীয় দায়িত্ব গ্রামের বৈষ্ণবদের। পুজোর কটা দিন উৎসবের আবহে মেতে ওঠেন তাঁরা। বৈষ্ণবদের হাতে পুজোর সব দায়িত্ব ছাড়লেও, কালী প্রতিমা নিরঞ্জন করে দাসেরাই। বিশালাকার দেবীর সেই মূর্তি মন্দিরের পেছনের পুকুরে বিসর্জন দেওয়া হয়।

শেকলে বেঁধে, ঝাঁটা দেখিয়ে মায়ের বিসর্জন- শতাব্দী প্রাচীন এই প্রথা সত্যি অবাক করার মত। তবে দিন  বদলেছে। এখন এই রীতি পুরোপুরি উঠে গিয়েছে। দাস পরিবাররের সদস্য গুরুপদ দাস বলেন, আগের রীতি মেনে কালী মায়ের এখন আর বিসর্জন হয় না। তবে পুজোর উন্মাদনা কোনও অংশে কমেনি ।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথম দফার ভোটের স্লিপ কারা দেবেন?‌ ‘ডেডলাইন’ বেঁধে নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

মহিলা ব্রিগেডে জোর, নবীনদের বাহিনী তৈরির প্রতিশ্রুতি, নববর্ষে ইস্তেহার প্রকাশ মীনাক্ষীর

‘‌জয় বাংলা’‌ স্লোগান শুনে মেজাজ হারালেন শুভেন্দু, তেড়ে যাওয়ার চেষ্টা, হাতাহাতি বালিতে

বৃহস্পতি থেকেই দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখীর তাণ্ডব, ৬ জেলায় সতর্কতা জারি

রাস্তায় ছড়িয়ে পোড়া বিজেপির দলীয় পতাকা, ভোটের মুখে চাঞ্চল্য শান্তিপুরে

বজবজে বিরাট রোড–শো অভিষেকের, প্রার্থীকে নিয়ে ভাসলেন মানুষের ঢলে

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ