কেশপুরে অ্যাম্বুলেন্সে দুর্ঘটনায় বিস্ফোরক তথ্য উঠে এল চালকের বিরুদ্ধে

পুলিশি তদন্তে কেশপুরের অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনা নিয়ে যেমন একের পর এক বিযফোরক তথ্য উঠে আসছে তেমনি উঠছে বেশ কিছু প্রশ্নও।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: শুক্রবার রাতে পশ্চিম মেদিনীপুর(Paschim Midnapur) জেলার কেশপুরে(Keshpur) সিমেন্ট বোঝাই লরি ও অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের(Lorry and Ambulance Clash Accident) ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭। একই সঙ্গে পুলিশি তদন্তে(Police Enquiry) অ্যাম্বুলেন্স চালকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তথ্য সামনে উঠে এসেছে। জেলার ঘাটাল মহকুমার ক্ষীরপাই পুরসভার এলাকার বাসিন্দা শ্যামাপদ বাগ(২২)’র সঙ্গে মাস ২ আগে বিয়ে হয়েছিল ১৯ বছরের অপর্ণা বাগের। সেই অপর্ণা পেটে ব্যাথা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে। কিন্তু সেখান থেকে শুক্রবার রাতে তাঁকে রেফার করা হয় মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে(Midnapur Medical College and Hospital)। অপর্ণাকে নিয়ে সেই রাতেই অ্যাম্বুলেন্স করে ঘাটাল থেকে মেদিনীপুরের পথে রওয়ানা দেন অপর্ণার স্বামী, অপর্ণার মা অনিমা মল্লিক(৪২), অপর্ণার মামি চন্দনা ভুঁইয়া(৩২) ও অপর্ণার মামা শ্যামল ভুঁইয়া(৩৬)। এছাড়াও অ্যাম্বুলেন্সে ছিলেন চালক অভিষেক মল্লিক, অভিষেকের দুই বন্ধু জিৎ দলুই(২৭) ও সুরজিৎ মাঝি(২৮)। একটা অ্যাম্বুলেন্সে কীভাবে চালক সহ মোট ৮জন সাওয়ার হলেন তা নিয়ে এখন বড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।

কেশপুরের পঞ্চমী গ্রামের বড়পোলে শুক্রবার রাতের সেই দুর্ঘটনায় মারা যান অপর্ণার স্বামী, অপর্ণার মা, অপর্ণার মামা, অপর্ণার মামী এবং অভিষেকের দুই বন্ধু। গুরুতর আহত অবস্থায় অপর্ণাকে নিয়ে আসা হয় কলকাতায়। ভর্তি করানো হয় এসএসকেএম হাসপাতালের ট্রমা কেয়ের ইউনিটে। সেখানেই শনিবার রাত ২টো নাগাদ মারা যায় অপর্ণা। অবশ্য তাঁর আগেই মৃত ৬জনের দেহ কলকাতা থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়  ক্ষীরপাই, ঘাটাল এবং কেশপুর এলাকায়। কিন্তু এরই মাঝে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠে এসেছে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি থাকা অ্যাম্বুলেন্সের চালক অভিষেক মল্লিকের বিরুদ্ধে। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, এক সপ্তাহ আগে ডান হাত ভেঙে গিয়েছিল অভিষেকের। সেই হাতে এখনও প্লাস্টার করা রয়েছে। তাই শুধুমাত্র বাঁ হাত দিয়ে শুক্রবার রাতে দুরন্ত গতিতে অ্যাম্বুলেন্স চালাচ্ছিল অভিষেক। এই ঘটনা সামনে আসার পরে এখন সব থেকে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠে আসছে, ভাঙা হাত নিয়ে অভিষেক অ্যাম্বুলেন্স চালানোর সাহস দেখাল কী করে? কেনই বা অপর্ণার পরিবারের আর কেউ তা নিয়ে কোনও আপত্তি তুললো না? 

মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেল সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা অভিষেককে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করছেন কেশপুর থানার পুলিশ আধিকারিকেরা। কিন্তু কোনও ঠিকঠাক উত্তর তাঁরা পাচ্ছেন না। তাঁরা এটা এখনও জানতে পারেননি যে কেন অ্যাম্বুলেন্সে জিৎ দলুই আর সুরজিৎ মাঝি সাওয়ার হয়েছিলেন। কেননা তাঁরা কেউই অপর্ণাদের পরিবারের পরিচিত নয়। অপর্ণার বাপের বাড়ি ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুরের ভগবানচকে। অপর্ণার শ্বশুরবাড়ি ক্ষীরপাইয়ে। অপর্ণার মামার বাড়ি ঘাটালে। সেখানে জিৎ দলুই আর সুরজিৎ মাঝি’র বাড়ি কেশপুরে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়ে অভিষেক কখনও বলছে, সে রাজ্য সড়কের বাঁ দিক ঘেঁষেই আসছিল কিন্তু লরিচালক এসে ধাক্কা মেরেছে। আবার কখনও বলছে, তার গাড়ির হেডলাইটের আলো কম ছিল তাই উল্টোদিক থেকে আসা লরির আলোয় তার চোখ ধাঁধিয়ে গিয়েছিল। যার ফলে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তবে শারীরিকভাবে ‘ফিট’ না হওয়া সত্ত্বেও কেন তাকে অ্যাম্বুলেন্স চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হল সেই প্রশ্ন উঠছে এখন। পাশাপয়াশি মৃতদের পরিবারের লোকজন অ্যাম্বুলেন্স মালিকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। পুলিশ ইতিমধ্যে তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

আমেরিকা নয়, চলুন ঘুরে আসি ভারতের ‘গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে’

নিউটাউনে তিরুপতি মন্দির বানাবেন শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি, ঘোষণা শুভেন্দুর

কালীপুজোর ক্ষণ ও তিথি, দেখে নিন একনজরে

প্রকাশিত হল CBSE-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ২০২৭ সালের পরীক্ষাসূচি

পাউরুটির বাদামি ধার ফেলে দিচ্ছেন? তা দিয়েই বানিয়ে ফেলুন এই ৩ সুস্বাদু পদ, রইল রেসিপি

যাত্রীদের সুবিধার্থে কালীপুজোয় অতিরিক্ত মেট্রো পরিষেবা, বাড়ছে ট্রেনের সংখ্যা

বাড়ি ও অফিসের বাইরে চরবৃত্তি করছে পুলিশ! ‘মারাত্মক’ অভিযোগ অভিষেকের

অজান্তেই ক্ষতি করছেন না তো? এই ৭টি অভ্যাসে বাড়ছে চোখের সমস্যা

‘মা-বোনেদের দিকে আঙুল তুললে ভেঙে দেবে সরকার,’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

অমৃতসর-নিউ জলপাইগুড়ি কর্মভূমি এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড, দাউদাউ করে জ্বলছে চারটি কামরা

লুঙ্গি ও বারমুডা পরে তারাপীঠ মন্দিরে ‘নো এন্ট্রি’, নির্দেশ কমিটির

রাজ্যের সব চিকিৎসকের ডিগ্রি খতিয়ে দেখবে স্বাস্থ্য দফতর, বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরাও সপ্তম পে কমিশনের আওতায়, ঘোষণা নবান্নের

‘Maatrubhumi’ নিয়ে কেন্দ্র চাপ দিয়েছিল? সত্যিটা জানালেন সলমন