আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, অভিযুক্ত বিধায়ক

নিজস্ব প্রতিনিধি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) বার বার বার্তা দিচ্ছেন দুর্নীতির প্রশ্নে তাঁর সরকার কার্যত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে চলবে। তাঁর সেই বার্তা যে নিছক মুখের কথা নয় তা তিনি যেমন বিভিন্ন জেলায় গিয়ে প্রশাসনিক বৈঠকের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিচ্ছেন তেমনি নানান সময়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ বা পুলিশি অভিযানের মাধ্যমেও সামনে আসছে। ঠিক এই রকম অবস্থায় খোদ তৃণমূলেরই এক বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা করার। যার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে তিনি হলেন মালদা(Malda) জেলা তৃণমূল(TMC) সভাপতি তথা জেলারই মালতিপুর(Malatipur) বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক আবদুর রহিম বক্সি(Abdur Rahim Bakshi)। আইসিডিএস প্রকল্পে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী হিসাবে চাকরি দেওয়ার নামে মোটা টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এই নিয়ে জেলারই গাজোল ব্লকের জনাকয়েক মহিলা মালদার জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগও জানিয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, আবদুর রহিম বক্সি যখন আরএসপি দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তখন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর চাকরি দেওয়ার কথা বলে তিনি মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছিলেন গাজলের উত্তর আলিনগরের বাসিন্দা ফারিদা খাতুন-সহ মোট পাঁচজন মহিলার কাছ থেকে। পরবর্তীকালে ওই ৫জন মহিলার কাছে যে নিয়োগপত্রগুলি পাঠানো হয়েছিল, সেগুলি ‘ভুয়ো’ হওয়ায় তাঁরা কাজে যোগ দিতে পারেননি। সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকরা তাঁদের নিয়োগপত্রগুলিকে ‘ভুয়ো’ বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন। এরপর ওই মহিলারা টাকা ফেরত চেয়ে রহিম বক্সির দ্বারস্থ হন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই টাকা তাঁরা ফেরত পাননি। ফারিদা খাতুনের দাবি, ‘বছর তিনেক আগে আমরা চাকরির জন্য আড়াই লক্ষ টাকা করে দিয়েছি। তারপর আরএসপি ছেড়ে রহিম বক্সি তৃণমূলে যোগ দেন। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আমাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। কিন্তু অফিসাররা জানিয়ে দেন, এগুলি নকল। এরপর আমাদেরকে টাকা ফেরত দিতে চেয়েছিল। এ-ও বলেছিল, এই সরকারের আমলে চাকরি করে দেব। এভাবে আজ-কাল করে যাচ্ছে। জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ দিয়ে এসেছি। আমরা টাকা ফেরত চাই।’

জানা গিয়েছে, ফারিদা খাতুন সহ যে ৫জন মহিলা জেলা শাসকের কাছে আবদুর রহিম বক্সি’র বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন সেই অভিযোগপত্রের ফোটোকপি তাঁরা ছড়িয়ে দিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। সেই ভিডিও এখন ভাইরাল হতেও বেশি সময় নেয়নি। আর তাই মালদা জেলার রাজনীতিতে রীতিমত শোরগোল পড়ে গিয়েছে। যদিও অভিযুক্ত বিধায়ক আবদুর রহিম বক্সির দাবি, ‘সব মিথ্যা অভিযোগ। ওই মহিলাদের আমি চিনি না। ষড়যন্ত্র করে আমাকে হেনস্তা করার চেষ্টা করছে।’ মালদার জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া বিষয়টি নিয়েও কিছু জানাতে চাননি।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

সুজিত বসুকে ফের তলব সিজিও-তে! কোন নথি চেয়ে পাঠিয়েছে ইডি?

ই–ফার্মেসির প্রতিবাদে ভারত বনধের ডাক, ১২ লক্ষাধিক ওষুধের দোকান বন্ধের সম্ভাবনা

মাটির দেওয়াল চাপা পড়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল কলেজ ছাত্রীর

ভুয়ো গেট পাশ দেখিয়ে হাসপাতালে ঢুকতে বাধা দেওয়ায় নিরাপত্তা রক্ষীদের বেধড়ক মারধর

‘গ্রেফতার করতে হবে’, বারাসতে স্ট্রংরুমের সিসিটিভি বন্ধের অভিযোগে দাবি তৃণমূল প্রার্থীর

দুপুর ১টা পর্যন্ত ১৫টি বুথের পুনর্নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, দ্বিতীয়বার ভোট দিতে লম্বা লাইন

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ