আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

হুগলি জুড়ে ‘বাড়ি–উৎসব’ আয়োজনের তোরজোড়, সিঙ্গুরে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে একদিনে শতাধিক সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাত পোহালেই সিঙ্গুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা। তার আগে নবান্ন থেকে শিল্প বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সুতরাং সিঙ্গুর থেকে বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে মনে করা হচ্ছে। তবে তাঁর সভার আগে এখানে হুগলি জেলাজুড়ে এক অভিনব আয়োজন করা হচ্ছে। ২৮ জানু্য়ারি জেলার প্রতিটি ব্লক সদর, প্রতিটি পঞ্চায়েতে হবে পৃথক পৃথক জমায়েত। সুতরাং একদিনে হুগলিতে বসতে চলেছে শতাধিক সভা। যার পোশাকি নাম, ‘বাড়ি উৎসব’। ওই পরিকল্পনাকে ঘিরে এখন জেলায় তুমুল তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী সিঙ্গুর থেকে রাজ্যজুড়ে লক্ষ লক্ষ উপভোক্তার হাতে রাজ্য সরকারের বাড়ি প্রকল্প ‘আমার বাড়ি’র অনুমোদন দেবেন বলে সূত্রের খবর।

এদিকে জেলাজুড়ে অসংখ্য ছোট ছোট সভা হবে তার প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। ‘আমার বাড়ি’ প্রকল্পের অনুমোদন তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী বলেই পঞ্চায়েত স্তরে ছোট ছোট উপভোক্তা সভার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই বিষয়ে সিঙ্গুরের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী বেচারাম মান্না বলেন, ‘‌আমার বাড়ি প্রকল্প বাংলার আত্মসম্মানের প্রতীক। কেন্দ্র টাকা দেয়নি। বরং রাজ্যকে চাপে ফেলতে চেয়েছে। সেই বাধা অতিক্রম করে মুখ্যমন্ত্রী মানুষের মাথার উপর ছাদ নিশ্চিত করেছেন। তাই চাইছি সবাই যেন একসঙ্গে বাড়ির অনুমোদন পান। আমাদের সরকার চায়, সবাই একইদিনে বাড়ির অনুমোদন পেয়ে যাক। তাই ছোট ছোট সভা হবে।’‌

অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর সভার দিনই মানুষ নিজের পঞ্চায়েত অফিস থেকেই নতুন বাড়ির ছাড়পত্র হাতে পাবেন। তবে আগে এমন উদ্যোগ দেখা যায়নি। রাজ্যের মন্ত্রী বেচারাম মান্নার বক্তব্য, ‘‌বাংলার সম্মানের, মাথা উঁচু করে ধরার প্রকল্পকে সবার কাজে পৌঁছে দিতেই বাড়তি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের সরকার চায়, সবাই একইদিনে বাড়ির অনুমোদন পেয়ে যাক। তাই ছোট ছোট সভা হবে। নাগরিকরা বসতির কাছেই পঞ্চায়েত অফিস থেকে নতুন বাড়ির অনুমোদন পেয়ে যাবেন।’‌ পঞ্চায়েত সূত্রে খবর, হুগলির প্রত্যেকটি পঞ্চায়েতে কমপক্ষে ৫০০ উপভোক্তাকে হাজির করা হবে। আগে থেকে আমার বাড়ির অনুমোদন, আর্থিক বরাদ্দের খতিয়ান তৈরি রাখা হবে।

এছাড়া হুগলি জেলা পরিষদের মেন্টর সুবীর মুখোপাধ্যায়ের গলাতেও একইরকম সুর শোনা গিয়েছে। তবে সঙ্গে ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি কটাক্ষ। কদিন আগেই এখানে সভা করে গিয়েছেন মোদি। তবে তাতে হতাশ বাংলার মানুষ। হুগলি জেলা পরিষদের মেন্টর সুবীর মুখোপাধ্যায়ের কথায়, ‘‌কদিন আগে মানুষকে ভাঁওতা দিতে দেশের প্রধানমন্ত্রী গোটা রাজ্যের লোক ডেকে এনে সভা করেছেন। সেখানে শিল্প করবেন বলে প্রচার করে কথাশিল্প শুনিয়েছেন বিশ্বগুরু। আমাদের নেত্রী মানুষের জন্য কাজ করতে চান, ভাঁওতা দিতে চান না। সব মানুষকে সিঙ্গুরে নিয়ে যেতেও আমরা চাই না। তাই ছোট ছোট পকেটে উপভোক্তা সভা করা হচ্ছে।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নির্বাচন মিটতেই কালবৈশাখীর দাপট! দুর্যোগের দিনে ভোটকর্মীদের পাশে রেল

ভোট মিটলেও রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা সামলাতে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে

উদয়নারায়ণপুরে জওয়ানের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আড়াল কমিশনের

ভোট শেষের মুখে নোয়াপাড়ায় উত্তেজনা, বচসা ঘিরে তৃণমূল–বিজেপি সংঘর্ষ

দিনের শেষে মায়ের সঙ্গে কসবা কেন্দ্রে ভোট দিলেন মিমি চক্রবর্তী

ব্যারাকপুরে পুরসভার কর্মী রাজনৈতিক দলের এজেন্ট হয়ে বুথে বসার অপরাধে আটক

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ