হাতুড়ির শব্দ ফিকে, সংকটে ঐতিহ্যবাহী কাঁসা শিল্প! টিকে থাকার লড়াইয়ে শিল্পীরা

Share:

বাঁকুড়া শহর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে, দ্বারকেশ্বর নদের তীরে অবস্থিত ছোট্ট গ্রাম কেঞ্জাকুড়া। বহু বছর ধরে এই গ্রামের পরিচয় গড়ে উঠেছে কাঁসা শিল্পকে ঘিরে। এক সময় ভোর হতেই গোটা গ্রাম মুখর হয়ে উঠত হাতুড়ির শব্দে, হাপরের টানে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই শব্দ যেন ম্লান হয়ে এসেছে। বাজার ছোট হয়েছে, বেড়েছে কাঁচামালের দাম, আর কমেছে কাঁসার জিনিসের চাহিদা। ফলে আজ অস্তিত্ব সংকটে দাঁড়িয়ে এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প।

একটা সময় কাঁসার বাসনপত্র ছাড়া বাঙালির গৃহস্থালি বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান প্রায় কল্পনাই করা যেত না। বিয়ে, উপনয়ন, অন্নপ্রাশন কিংবা পুজোর উপহার- সর্বত্র কাঁসার জিনিসের কদর ছিল। কিন্তু এখন মানুষ ঝুঁকছে স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম, ফাইবার, সেরামিক বা কাচের তৈরি তুলনামূলক সস্তা ও হালকা পণ্যের দিকে। ফলে কেঞ্জাকুড়ার কাঁসা শিল্পে নেমে এসেছে বড় মন্দা। শিল্পীদের কথায়, কয়েক বছর আগেও এই গ্রামে প্রায় ৩৯০টি কাঁসা তৈরির কারখানা ছিল। এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত ছিলেন হাজার হাজার মানুষ। বর্তমানে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০-৭০টির মধ্যে। আয় কমে যাওয়ায় বহু শিল্পী বাধ্য হয়ে অন্য পেশায় চলে গিয়েছেন।কাঁসা তৈরি হয় মূলত তামা ও টিনের নির্দিষ্ট অনুপাতে। এছাড়া পুরনো কাঁসার জিনিস গলিয়েও নতুন পণ্য তৈরি করা হয়। কিন্তু বর্তমানে কাঁচামালের দাম অত্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচও বাড়ছে। তার সঙ্গে বাজারে সস্তা বিকল্প পণ্যের ভিড় কাঁসা শিল্পকে আরও চাপে ফেলেছে।

এই শিল্পে গ্রামের পুরুষদের পাশাপাশি মহিলারাও যুক্ত। মূলত পালিশের কাজ করেন তাঁরা। অনেকেরই অভিযোগ, আগে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ থাকলেও এখন কাজ কমে যাওয়ায় আয়ও কমেছে।সব মিলিয়ে, দ্বারকেশ্বর নদীর তীরে দাঁড়িয়ে থাকা এই ঐতিহ্যবাহী কাঁসা শিল্প এখন কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তবু কয়েকজন শিল্পী এখনও চেষ্টা করছেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এই ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে। শিল্পীদের কথায়, কয়েক বছর আগেও এই গ্রামে প্রায় ৩৯০টি কাঁসা তৈরির কারখানা ছিল। এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত ছিলেন হাজার হাজার মানুষ। বর্তমানে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০-৭০টির মধ্যে। আয় কমে যাওয়ায় বহু শিল্পী বাধ্য হয়ে অন্য পেশায় চলে গিয়েছেন।

 

‘যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে’, পড়ুয়াদের আন্দোলন গুটিয়ে ফেলার পরামর্শ সলমানের

অর্ধেক মানুষ-আধা জন্তু, চিনের তৈরি নয়া রোবট হয়রান করছে গোটা দুনিয়াকে

কয়েক সেকেন্ডের জন্য চোখে ঝাপসা, তারপর সব স্বাভাবিক, জানেন কোন রোগের ইঙ্গিত?

ইতিহাস ও স্থাপত্যের অপূর্ব মেলবন্ধন! একদিনের ছুটিতে ঘুরে আসুন পশ্চিম মেদিনীপুরের কুরুমবেরা দুর্গ

এক যুবকের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়লেন তিন বোন, বিতর্ক উঠতেই বললেন ‘আমরা সুখী’

উল্টোরথের আগে গুপ্তিপাড়ায় জগন্নাথের মাসির বাড়িতে ভাণ্ডার লুঠ, দাঁড়িয়ে দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী

বৈভবের তাণ্ডব, জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে সাত উইকেটে জয়ী শ্রেয়সরা

ইরানকে গুঁড়িয়ে দিতে বোমারু বিমান, যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প

জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ১৮ বলে ৫০ রান বৈভবের, ভাঙলেন শচিনের রেকর্ড

‘হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা হয়নি, হেয় করতেই অসত্য প্রচার’, মুখ খুললেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি

প্রথম টি টোয়েন্টি ম্যাচে জিম্বাবোয়েকে ১২৫ রানে বেঁধে রাখলেন ময়াঙ্ক-প্রিন্সরা

ভয় দেখিয়ে প্রোমোটারের থেকে ৫ লক্ষ ‘তোলা’ আদায়ের অভিযোগ, দল থেকে সাসপেন্ড অভিযুক্ত বিজেপি নেতা

পডুয়াদের আন্দোলনে পাশে নেই, ‘ডিগবাজি’ খেয়ে জানালেন অরিজিৎ

‘বারণ সত্ত্বেও শোনেনি’, সিকিম ধসে ছেলেকে হারিয়ে আক্ষেপ মায়ের