‘বাংলাবিদ্বেষী বিজেপি বাংলার সংস্কৃতিকে উপহাস করছে’, তৃণমূলের আক্রমণে অস্বস্তিতে বিজেপি

সঞ্জীব যেভাবে বাংলা, বাঙালি ও বাঙালিয়ানাকে আক্রমণ করেছেন তাতে ক্ষুব্ধ বিজেপির অনেক বাঙালি নেতাও। রীতিমত অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে বিজেপি।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: নিজে বাঙালি হয়েও বাংলা ও বাঙালিকে আক্রমণ করে, উপহাস করে লোকসভা নির্বাচনের মুখে কার্যত বিজেপিকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য তথা অর্থনীতিবিদ সঞ্জীব সান্যাল(Sanjeev Sanyal)। এই অর্থনীতিবিদের মন্তব্য বাংলা ও বাঙালি জাতির কাছে চরম অপমানজনক। আর তার জেরে গতকাল থেকেই ক্ষোভে ফুঁসছে বাংলা(Bengal)। সঞ্জীবের এই বাক্যবাণ যে বিজেপির(BJP) বিরুদ্ধে তৃণমূলের অন্যতম বড় হাতিয়ার হতে চলেছে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তৃণমূলের(TMC) তরফে একাধিক ব্যক্তি ট্যুইট করে সঞ্জীবের মন্তব্যের পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে। বিজেপির কাছে সঞ্জীবের এই উক্তি কার্যত অপ্রত্যাশিত। সঞ্জীব যেভাবে বাংলা, বাঙালি ও বাঙালিয়ানাকে আক্রমণ করেছেন তাতে ক্ষুব্ধ বিজেপির অনেক বাঙালি নেতাও। সব থেকে বড় কথা সঞ্জীবের কথার স্রোত ধরে এখন তৃণমূল বিজেপিকে বাংলা ও বাঙালি বিরোধী তকমা দিয়ে প্রচার শুরু করে দিচ্ছে যা অস্বস্তি বাড়িয়েছে গেরুয়া শিবিরে।

ঠিক কী বলেছেন সঞ্জীব? সম্প্রতি একটি পডকাস্টে বাংলার ‘অধঃপতন’ নিয়ে সঞ্জীবকে প্রশ্ন করেছিলেন ওই শো-এর সঞ্চালক। জবাবে সঞ্জীব বলেন, ‘বর্তমানে কলকাতার দুর্দশার মূলে রয়েছেন সাধারণ মানুষই। তাদের মধ্যে অভাব রয়েছে সঠিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার। সমাজ যদি মনে করে এক জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়াই জীবনের সাফল্য, অথবা আড্ডা দেওয়া বা বুদ্ধিজীবী হওয়া, কলকাতায় যাঁকে ‘আঁতেল’ বলে, তা হলে কিছুই করার নেই। ধূমপান করে, মদের গ্লাসে চুমুক দিয়ে সারা বিশ্বের ব্যাপারে জ্ঞান দেওয়া যদি আপনার লক্ষ্য হয়, মৃণাল সেনের সেনের ছবিই যদি আপনার সমাজের আকাঙ্ক্ষায় পরিণত হয়, তা হলে এই অভিযোগ করার কোনও মানে নেই।’ আর এখানেই তৃণমূল চেপে ধরেছে বিজেপিকে।

তৃণমূলের তরফে সঞ্জীবের মন্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে ট্যুইট করে লেখা হয়, ‘বাংলাবিদ্বেষী বিজেপি নিজেদের সব মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির(Narendra Modi) আর্থিক উপদেষ্টা এবং আধুনিক দিনের মীরজাফরদের তালিকায় নতুন সংযোজন সঞ্জীব সান্যাল বাংলার গৌরবময় সংস্কৃতির প্রকাশ্যে সমালোচনা করে নিজেকেই বোকা বানিয়েছেন। বাংলা-বিরোধী বিজেপি নেতাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে, তিনি আমাদের সাংস্কৃতিক আদর্শ মৃণাল সেন এবং আনন্দের শহর কলকাতার প্রভূত সংস্কৃতিকে উপহাস করেছেন।’  

তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ জহর সরকার তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এই ‘বাঙালি’ অর্থনৈতিক উপদেষ্টাকে আমি চিনি। সারা জীবন দিল্লি আর বিদেশেই থেকেছেন। বাংলা অক্ষরও জানে না। এর মত কিছু বিশ্বাসঘাতক বাঙালিরা বিজেপি আর মোদীর ব্যক্তিগত বঙ্গবিরোধী বিষ আর আক্রোশকে উস্কে দিয়ে নিজেদের আখের গোছাচ্ছে। ছি!’ কুণাল ঘোষ সঞ্জীবকে কটাক্ষ করে লিখেছেন, ‘নিজের শিকড় ভুলে গিয়েছেন তিনি। তার সঙ্গে বাংলার সংস্কৃতি এবং ইতিহাস। কোন আকাঙ্ক্ষার কথা বলছেন তিনি? ভারতের সবচেয়ে নোবেলজয়ী বাংলা থেকেই। কোনও রাজ্য ধারেকাছে নেই। দেশের অন্যান্য রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের প্রকল্প নকল করছে।’

ভিসার মেয়াদ শেষ,পুশব্যাক এড়াতে দ্বিতীয় বিয়ে, কিন্তু শ্বশুরবাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়ে বিপাকে গৃহবধূ

২০০ কোটির চাঁদাবাজি মামলায় নিজেকে ‘নির্দোষ’ প্রমাণ করতে সুপ্রিম কোর্টে জ্যাকলিন

ত্রাণ পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার রাজ্যের প্রাক্তন কারা মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস

তোলাবাজির অভিযোগে কলকাতা পুরসভার আরও এক কাউন্সিলর পুলিশের জালে, স্বামীও গ্রেফতার

ইতিহাস ১১ বাঙালি যুবকের, ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে বাংলাদেশের কাছে হার অস্ট্রেলিয়ার

পুকুরে স্নান করতে গিয়ে তলিয়ে যায় ৫ ছাত্রী, মৃত ২, আশঙ্কাজনক ৩

ময়দা ছাড়াই পিৎজা! ওটসের এই হেলদি ক্রাস্ট একবার খেলে বারবার বানাতে চাইবেন

স্বামীর সঙ্গে আইনি লড়াইয়ে ক্লান্ত সেলিনা, ঈশ্বরের দ্বারস্থ অভিনেত্রী, কোথায় গেলেন?

২০০ বছরে প্রথম, লর্ডসের পিচকে ‘অসন্তোষজনক’ আখ্যা জয় শাহের আইসিসির

মধ্যপ্রদেশে রাজ্যসভা ভোটের আগে জোর ধাক্কা কংগ্রেসের, প্রার্থীপদ খারিজ মীনাক্ষী নটরাজনের

রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলকে হারিয়ে জয়ী টিম ইন্ডিয়া

চন্দননগর, ভদ্রেশ্বরের পর বাঁশবেড়িয়া পুরসভার চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারপার্সনের পদত্যাগ

চাকরি দেওয়ার নামে টাকা তোলার অভিযোগে পুলিশের জালে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন নেতা

আবাস যোজনায় কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ, দল ছাড়লেন তৃণমূল কাউন্সিলার মিঠুন কান্দু