দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

আদালতে জোর ধাক্কা খেলেন শুভেন্দু, নাকচ আর্জি

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলার বিরোধী দলগুলি যখনই কলকাতায় বা জেলায় কোনও কর্মসূচী নিচ্ছে তখনই তা আটকে দিচ্ছে রাজ্য প্রশাসন। দেওয়া হচ্ছে না সভা, মিছিল, বিক্ষোভের অনুমতি। করতে দেওয়া হচ্ছে না ধর্না সমাবেশও। কোথাও কোনও ঘটনা ঘটলে আটকে দেওয়া হচ্ছে বিরোধী নেতাদের গাড়ি ও কনভয়। যখন তখন যেখানে সেখানে আটকে দেওয়া হচ্ছে বিরোধী দলের নেতাদের। কখনও কখনও গ্রেফতারও করা হচ্ছে। অথচ সেই একই ঘটনায় দেখা যাচ্ছে বহাল তবিয়তে সর্বত্র অবাধ বিচরণ করছেন রাজ্যের শাসক দলের(Ruling Party) নেতারা। তাঁদের জন্য কোনও বিধিনিষেধও কার্যকর হচ্ছে না। যাবতীয় নিয়ম আর অনুমতি না দেওয়ার ঘটনা শুধুমাত্র বিরোধী দলগুলির সঙ্গেই। এটা কী গণতন্ত্রের(Democracy) ছবি? এই প্রশ্ন তুলেই কলকাতা হাইকোর্টে(Calcutta High Court) মামলা দায়ের করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikari)। সঙ্গে ছিল আর্জি, আদালত গাইডলাইন(Guideline) তৈরি করে দিক যাতে বিরোধীরা নির্বিঘ্নে তাঁদের দলীয় সভা, মিছিল ও কর্মসূচি পালন করতে পারে। কিন্তু সেই আর্জিই শনিবার নাকচ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। 

শুভেন্দুর দায়ের করা এই মামলা আগেই শুনানি শুরু হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। সেই শুনানি চলছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চে। সেই শুনানির কাজ আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু রায়দান স্থগিত রেখেছিলেন বিচারপতি। শনিবার সেই রায় প্রদান করেছে আদালত। সেখানেই শুভেন্দুর গাইডলাইন তৈরির আর্জি খারিজ করে দিয়েছে আদালত। কারণ হিসাবে বলা হয়েছে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব সাংবিধানিক ভাবে রাজ্য সরকারের। সেখানে রাজ্য প্রশাসন যা বুঝবে তা করবে। সেই জায়গায় রাজ্যের হাত-পা বেঁধে দিতে পারে না আদালত। রাজ্য প্রশাসন যদি মনে করে বিরোধী দলের সভা, মিছিল বা কর্মসূচির জেরে নির্দিষ্ট কোনও এলাকায় বা রাজ্যজুড়ে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে, তাহলে তাঁরা যে কোনওরকমের পদক্ষেপ নিতে পারে। এমনকি বিরোধী দলের সভা, মিছিল বা কর্মসূচির অনুমতি দিয়েও পরে তা বাতিল করতে পারে বা প্রত্যাহারও করতে পারে।

তবে রাজ্য প্রশাসনকেও এদিন কিছু পরামর্শ দিয়েছে আদালত। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, ১৪৪ ধারা জারি করার ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হতে হবে রাজ্য প্রশাসনকে। খেয়াল রাখতে হবে উপযুক্ত ক্ষেত্রেই যেন ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। একই সঙ্গে আদালত বিরোধী দলনেতার আইনজীবীকে এটাও জানিয়েছে, রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলতে। রাজ্য প্রশাসন যদি কোনও ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলাজনিত কোনও সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে তা যেন মেনে চলে বিরোধী দলগুলিও।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

অশান্তি ছড়ানোয় ৪১ জনকে গ্রেফতার, পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা খারিজ সিইও’র

কালবৈশাখী আসছে! দক্ষিণের ১২ জেলায় প্রবল ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস, কবে থেকে?

‘‌কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে ছাপ্পা দেওয়ার প্ল্যান করা হয়েছে’‌, মোদিকে তোপ মমতার

কালীঘাটের ‘ওয়াররুমে’ কড়া নজর মমতা–অভিষেকের, চলছে হিসেবনিকেশ, অঙ্ক কী বলছে?‌

‘‌নাগরিকের অধিকার হরণ করা যায় না’‌, মোটরবাইক বন্ধে কমিশনকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

শহরে বসেই বাংলার ভোটে নজরদারি শাহের, আচমকাই হাজির সল্টলেকের ‘ওয়ার রুম’-এ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ