চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বিধানসভা নির্বাচনের মুখে সরছে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতর, চলতি মাসেই স্থানান্তর

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর তারপরই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে শুরু করে বিরোধী দলগুলি। যদিও আংশিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বিরোধীরা। সেখানে পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে তৃণমূল কংগ্রেস ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেয় বিরোধীদের। এই আবহে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের মুখে প্রশাসনিক প্রস্তুতির মাঝেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল রাজ্যের নির্বাচন দফতর। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতর বালমার লরি ভবন থেকে সরিয়ে শিপিং হাউসে স্থানান্তর করার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। আজ, বৃহস্পতিবার জারি হওয়া সরকারি নোটিসে জানানো হয়েছে, আগামী ২০ এবং ২১ মার্চের মধ্যে এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। ইতিমধ্যেই সিইও দফতরের সমস্ত অফিসার ও কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সংশ্লিষ্ট শাখাগুলির নথি, স্টেশনারি, আসবাবপত্র, কম্পিউটার, টিভি–সহ যাবতীয় সরকারি সামগ্রী চিহ্নিত করে স্থানান্তর করার প্রস্তুতি নিয়ে ফেলতে হবে দ্রুত। এই কাজে সাহায্যের জন্য হেরিটেজ ট্রান্সপোর্ট অর্গানাইজেশনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা প্যাকিং, পরিবহণ এবং নতুন দফতরে সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া এবং সাজানোর কাজ করবে। আগামী ২০ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে এই সংস্থার কর্মী এবং যানবাহন মোতায়েন করা হবে। নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, আগামী ২১ মার্চ বিকেল ৫টার মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দফতরের কার্যকারিতা আরও বাড়ানো এবং পরিকাঠামোগত সুবিধা উন্নত করতেই এই স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও এই বদল হঠাৎ কেন?‌ সেটা নিয়ে সরকারিভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দফতরের গতি বাড়াতে এটি একটি কৌশলগত পদক্ষেপ বলেই মনে করছেন অনেকে। শিপিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার স্ট্র্যান্ড রোডে যে অফিস রয়েছে তার দুটি ফ্লোর নিতে উদ্যোগী হয় নির্বাচন কমিশন। পরে ওই বিল্ডিংয়ের অফিস ফ্লোরও পরিদর্শন করে আসেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের অফিসাররা।

এছাড়া মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের দফতর থেকে নবান্নে এই সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। শিপিং কর্পোরেশন একটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা। এই সংস্থা কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রকের অধীনে রয়েছে। আর জাহাজ প্রতিমন্ত্রী হলেন রাজ্য বিজেপি নেতা তথা বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। সুতরাং নতুন কোনও ষড়যন্ত্র এখান থেকে রচিত হবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান রাজ্য প্রশাসন। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ রাজ্যের ভোট পরিবেশে কেমন প্রভাব ফেলে এখন সেটাই দেখার।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

আগামী ২-৩ ঘন্টায় ৭০ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, জেলায় জেলায় হবে শিলাবৃষ্টি

ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের, নিষ্পত্তি হওয়া নাম তুলতে হবে ভোটার তালিকায়

খাস কলকাতায় সিপিএমে ভাঙন, নির্বাচনের প্রাক্কালে একঝাঁক যুবনেতার যোগ তৃণমূলে

সল্টলেকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ডিভাইডারে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে-মুচড়ে গেল গাড়ি, আহত ৪

‘‌বাংলায় আপনাদের মেয়াদ আর ঠিক ১৯ দিন’‌, বিজেপি–নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে নালিশ তৃণমূলের, কড়া চিঠি পেশ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ