আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

মৃত্যুফাঁদ কলকাতার লাইটপোস্ট, নেপথ্যে আর্থিং

নিজস্ব প্রতিনিধি: গোটা কলকাতা(Kolkata) শহরজুড়ে ছড়িয়ে আছে মৃত্যুফাঁদ। ছোঁয়া লাগলেই সাক্ষাৎ মৃত্যু। খাস কলকাতা পুরনিগমের(KMC) সমীক্ষায় উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। শহরের ৬০ শতাংশ লাইটপোস্টে(Light Post) হয় আর্থিং নষ্ট হয়ে গিয়েছে নাহয় তা ছিলই না। শহরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সাড়ে ৩ লক্ষ লাইটপোস্টের মধ্যে দেড় লক্ষ লাইটপোস্টে এই সমীক্ষা(Survey) চালিয়ে দেখা গিয়েছে সেখানে ৬০ হাজার লাইটপোস্টে হয় আর্থিং(Earthing) নেই নাহয় তা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। যার অর্থ সামান্য শর্টসার্কিট হলেই ঘটে যাতে পারে মৃত্যুর ঘটনা। এই সমীক্ষার রেজাল্ট সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে কলকাতা পুরনিগম কর্তৃপক্ষ। শহরজুড়ে যত লাইটপোস্ট রয়েছে তা সে ত্রিফলা হোক কী একফলা সব পরীক্ষা করে দেখে সেখানে নতুন করে আর্থিং করার নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা পুরনিগমের মেয়র তথা রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

সাম্প্রতিককালে কলকাতায় তড়িতাহত হয়ে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মৃত্যুর দূত হিসেবে সামনে এসেছে বিদ্যুতের খুঁটি। হরিদেবপুর, রাজাবাজার, ট্যাংরা— তিনটি জায়গাতেই একই ঘটনার সাক্ষী থেকেছে এই শহর। হরিদেবপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনার পর গাফিলতির অভিযোগে পুরনিগমের আলোক বিভাগের এক আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়। আরও তিন শীর্ষ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তদন্তে দেখা গিয়েছিল, সেই লাইটপোস্টে আর্থিং ছিল না। কোথাও কোথাও আবার হুকিংয়ের প্রমাণও মিলেছে। একের পর এক ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তি বাড়ে পুর প্রশাসনের। এরপরই পুরনিগমের আলোক বিভাগ তড়িঘড়ি সমীক্ষায় নামে। শহরে সাড়ে ৩ লক্ষ বিদ্যুতের খুঁটির মধ্যে গত মাস খানেকের মধ্যে দেড় লক্ষ খুঁটির সমীক্ষা করা হয়েছে। সেখানেই দেখা গিয়েছে, প্রায় ৬০ হাজার লাইটপোস্টে আর্থিং হয় ছিল না, না হয় আগের আর্থিং নষ্ট হয়ে গিয়েছে। নজরে আসামাত্র সেই সব বাতিস্তম্ভে আর্থিংয়ের ব্যবস্থা করেছেন আলোক বিভাগের কর্মীরা।

হরিদেবপুরের ঘটনার পরে পরেই সিইএসসি এবং কলকাতা পুরনিগমকে নিয়ে একটি বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। সেদিনই তিনি কলকাতা পুরনিগম ও সিইএসসিকে সাফ জানিয়ে দেন, শহরের সমস্ত লাইটপোস্টের আর্থিং ব্যবস্থা দ্রুত পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করতে হবে। নাগরিক নিরাপত্তা নিয়ে ছিনিমিনি খেলা যাবে না। এরপরই তড়িঘড়ি কাজে নামে পুরনিগম। এখনও পর্যন্ত রাজাবাজার, মৌলালি, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, শ্যামবাজার, হরিদেবপুর, টালিগঞ্জ, আলিপুর, নিউ আলিপুর, প্রিন্স আনোয়ার শাহ, ঢাকুরিয়া, যাদবপুর সহ বিভিন্ন জায়গায় এই কাজ হয়েছে। পুজোর আগেই এই কাজ শেষ হয়ে যাবে।  

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ফের ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, সঙ্গী শিলাবৃষ্টিও, সতর্ক করল হাওয়া অফিস

হিংসা রুখতে ৮ দফা দাওয়াই, সব থানাকে একগুচ্ছ নির্দেশিকা কলকাতা পুলিশ কমিশনারের

‘২২৬টির বেশি আসন পেয়ে সরকার গড়ব আমরাই’ দৃপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা মমতার

১ মে কম চলবে কলকাতা মেট্রো, পরিষেবা শুরু–শেষের সূচি জেনে নিন

ভোট মিটতেই বেহালার পর্ণশ্রীতে দুই ভাইকে মারধরের অভিযোগ, গ্রেফতার একাধিক

লক্ষ্মীবারেই খুলে গেল মদের দোকান, আবার কবে পড়তে চলেছে ঝাঁপ?‌ চর্চা তুঙ্গে

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ