এই মুহূর্তে

অবশেষে শনাক্ত হল নিখোঁজ পুলিশ অফিসারের দেহ

নিজস্ব প্রতিনিধি: নিখোঁজ ছিলেন প্রায় দেড় মাস ধরে। আবার এক মাস ধরে মর্গে পড়েছিল শনাক্ত না হওয়া একটি দেহ। অবশেষে সেই অশনাক্ত দেহকেই শনাক্ত করলেন নিখোঁজ ব্যক্তির পরিবারের লোকেরা। যদিও গোটা বিষয়টি নিয়ে যেমন প্রশ্ন উঠে গিয়েছে, ঠিক তেমনি চাঞ্চল্যও ছড়িয়েছে। কেননা যে নিখোঁজ ব্যক্তির দেহ শনাক্ত হয়েছে তিনি কলকাতার কান ঘেঁষে থাকা বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের অধীনে থাকা রাজারহাট থানার সাব ইনস্পেক্টর পার্থ চৌধুরী (৪৬)। একজন পুলিশ আধিকারিক দের মাস ধরে নিখোঁজ থাকলেন অথচ পুলিশ তাঁর কোনও সন্ধান পেল না, এটাই অনেকে মেনে নিতে পারছেন না। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, নিখোঁজ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে দেহ উদ্ধার হওয়ার সময় যাকে শনাক্ত করা যায়নি তাঁকে ১ মাস বাদে কী দেখে শনাক্ত করলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

জানা গিয়েছে, গত দেড় মাস আগে নিখোঁজ হয়ে যান পার্থবাবু। হয়েছিল গত ২০ অক্টোবর উদ্ধার হয়েছিল একটি দেহ। কিন্তু তা শনাক্ত করার মতো অবস্থায় ছিল না। তাই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী দেহ হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের মর্গে রেখে দেওয়া হয়েছিল। পার্থবাবু রাজারহাট থানায় কর্মরত থাকলেও পরিবার নিয়ে তিনি থাকতেন হাওড়ার বেলুড়ে। তাঁর মা ও ভাই থাকেন হুগলি জেলার সদর শহর চুঁচুড়ার রবীন্দ্রনগর এলাকায়। দুর্গাপুজোর ষষ্ঠীর দিন বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর বাড়ি ফেরেননি পার্থবাবু। তার পরের দিনই থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছিল। ২০ অক্টোবর বালি ব্রিজের কাছে বালি খাল ও গঙ্গার মিলনস্থলে এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হয়। দেহটি উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ওই ব্যক্তিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। তার পর থেকে সেই দেহ রাখা ছিল হাওড়ার পুলিশ মর্গে।

সম্প্রতি পুলিশ পার্থবাবুর পরিবারের কাছে খবর দেয় সেই দেহ শনাক্ত করার জন্য। শুক্রবার পার্থবাবুর স্ত্রী ও ভাই মর্গে গিয়ে সেই দেহ শনাক্ত করেন। তবে গোটা ঘটনাটি নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। একজন পুলিশ আধিকারিক নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পরে পুলিশ কেন হাত গুটিয়ে চুপ করে বসেছিল? কেন তাঁর অনুসন্ধান ও উদ্ধারে জোর দেওয়া হয়নি? দেহ উদ্ধারেরভ পরেও কেন তা দ্রুত শনাক্ত করার পথে হাঁটেনি পুলিশ? সব থেকে বড় কথা যে দেহ নিখোঁজ হওয়ার ১৫ দিনের মাথায় শনাক্ত করা যায়নি তা আরও একমাস বাদে কার্যত কঙ্কালে পরিণত হয়ে যাওয়ার পরে কীভাবে শনাক্ত করলেন পার্থবাবুর বাড়ির সদস্যরা। যদিও পার্থবাবুর ভাই শুভময় চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, পুলিশ প্রথম থেকেই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি। দেখলে এই অবস্থা হত না। এর পাশাপাশি প্রশ্ন উঠেছে ঠিক কীভাবে পার্থবাবু মারা গিয়েছেন তা নিয়ে। খুন করে তাঁর দেহ জলে ফেলা দেওয়া হয়েছিল নাকি তিনি আত্মহত্যা করেছেন সেই প্রশ্ন কিন্তু উঠে গিয়েছে।  

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ম্যান্ডারিন ভাষায় প্রচার তৃণমূল কংগ্রেসের, চিনা ভোট টানতেই অভিনব পদক্ষেপ

অভিষেক–রুজিরার গাড়িতে তল্লাশির নির্দেশ!‌ নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ তৃণমূলের

বিজেপির আসন সংখ্যা নিয়ে দোটানায় গেরুয়া শিবির, পদ্ম দিঘিতে প্রশ্নবাণে গুঞ্জন চরমে

নববর্ষের সকালে মাছ নিয়ে গড়িয়ায় প্রচার অরূপ বিশ্বাসের, বিঁধলেন বিজেপিকে

নববর্ষে কীর্তনের তালে দিলীপের তুমুল নাচ, মনীষীদের ছবি হাতে মিছিল শুভেন্দুর

আবার রাজপথে মানুষের দুয়ারে মুখ্যমন্ত্রী, যাদবপুর থেকে রোড–শো করে দেবেন বার্তা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ