দেখতে থাকুন বদলে যাচ্ছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বিজেপির আসন সংখ্যা নিয়ে দোটানায় গেরুয়া শিবির, পদ্ম দিঘিতে প্রশ্নবাণে গুঞ্জন চরমে

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ হাতে আর একসপ্তাহ। তারপরই রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ঝোড়ো প্রচার করে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে বেশ অনেকটা পিছিয়ে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। তবে যখন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলায় আসছেন নির্বাচনী জনসভা করতে তখন বঙ্গ–বিজেপির নেতাদের উপস্থিতি রাস্তায় বেশি করে দেখা যাচ্ছে। সুতরাং মানুষ ধরেই নিচ্ছেন বিজেপি কোনওভাবে এই রাজ্যে এলে সরকার চলবে দিল্লি থেকে। তাই সাধারণ মানুষ বিজেপির সভা–সমাবেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। আর সেটা ভালই টের পাচ্ছেন বিজেপি নেতারা। এই নিয়ে বাংলায় কতগুলি আসন বিজেপি পেতে পারে?‌ এমন প্রশ্ন জেলার নেতা–কর্মীরা করছেন রাজ্য নেতৃত্বের কাছে বলে সূত্রের খবর।

এদিকে এসআইআর পর্বে বিপুল পরিমাণ বৈধ নাগরিকের নাম বাদ যাওয়ায় বিজেপির সংস্রব ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছে বিপুল পরিমাণ সাধারণ মানুষ। তাই সাধারণ মানুষের দুয়ারে এখন যেতে পারছেন না বিজেপির জেলার নেতা কর্মীরা। যে ইস্তেহার খোদ অমিত শাহ সবার সামনে এনেছেন তা মানুষের কাছে নিয়ে যেতে পারছেন না নেতা কর্মীরা বলে সূত্রের খবর। তার উপর অনুপ্রবেশ এবং রোহিঙ্গা ইস্যু বাংলার মাটিতে জোর ধাক্কা খেয়েছে। কারণ নির্বাচন কমিশন এখনও কতজন রোহিঙ্গা বা অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়েছে তা সামনে আনেনি। অথচ নাম বাদ হয়েছে মতুয়া, নমঃশূদ্র, রাজবংশী থেকে সাধারণ হিন্দুরা। যে সংখ্যাটা ৬৩ শতাংশ। যেখানে বিজেপি নেতারা–মন্ত্রীরা বলেছিলেন, কোনও বৈধ হিন্দুদের নাম বাদ যাবে না।

অন্যদিকে এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন এবার বিজেপি ১৭৭ আসন পাবে। যা খারিজ করে দিয়ে খোদ অমিত শাহ বাংলায় দাঁড়িয়ে বলে গিয়েছেন, বিজেপি ১৭০ আসন পাবেন। আর তারপরই তাঁকেই দেখা গিয়েছে, ওই সংখ্যাও সাংবাদিক বৈঠকে দাবি করতে পারেননি। যা দেখে বাংলার মানুষ বুঝে গিয়েছেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসবে না। কিছু আসন পেতে পারে। এই পরিস্থিতি অনুধাবন করে জেলার নেতা–কর্মীরা রাজ্য নেতৃত্বের কাছে জিজ্ঞাসা করেছে, বিজেপি ঠিক কতগুলি আসন পাবে?‌ যার কোনও সঠিক সংখ্যা জানানো হয়নি। বরং জেলার অনেক নেতা–কর্মীরাই মনে করছেন, এবার ৬০টি আসন বিজেপি পাবে বলে সূত্রের খবর।

তাছাড়া আসন সংখ্যা কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে জেলার নেতা–কর্মীরা মনে করছেন বামের ভোট রাম থেকে ফিরে যেতে পারে। আর তৃণমূল কংগ্রেসের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, যুবসাথী এবং ডিএ বা মহার্ঘভাতা দেওয়ার বিষয়টি সামনে থাকায় তা মোকাবিলা করার কোনও অস্ত্র বিজেপির হাতে নেই। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক রাজ্যের এক নেতা বলছেন, ‘‌জেলা থেকে এমন প্রশ্ন উঠেছে ঠিকই। তবে সেটা ৬০ সংখ্যায় আটকে যাবে এমনটা মনে করছি না। তবে প্রার্থী অপছন্দ হওয়া, সংগঠন দুর্বল থাকা এবং মানুষের বিশ্বাস অর্জন করার ক্ষেত্রে খামতি আছে। ফলে ক্ষমতায় বিজেপি আসবে কিনা এখনই হলফ করে বলা যাচ্ছে না।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

লক্ষ্মী বনাম অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার! প্রতিশ্রুতিতে ভরছে দেওয়াল, কার ভরসা বেশি?

বৃষ্টি মাথায় ভোটপ্রচারে মধ্য হাওড়ার তৃণমূল প্রার্থী অরুপ

উত্তর-দক্ষিণে জোড়া আক্রমণ ! ঝোড়ো প্রচারে মমতা-অভিষেক

বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরোতেই সন্দেহ! পর্ণশ্রীতে উদ্ধার বৃদ্ধার পচাগলা দেহ

সকাল থেকে শুরু দুর্যোগ! একাধিক জেলায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা, কতদিন চলবে ঝড়বৃষ্টি?

প্রথম দফার ভোটের স্লিপ কারা দেবেন?‌ ‘ডেডলাইন’ বেঁধে নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ