চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বঙ্গ বিজেপিকে জোর ধাক্কা মোদি সরকারের, আবাস যোজনায় ১৯০ কোটির বরাদ্দ বাংলাকে

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: কথায় বলে ঘর শত্রু বিভীষণ। এবার সেই সব বিভীষণেরাই দেখতে পাচ্ছে, ঘরশত্রু ঠিক কাকে বলে। প্রায় তিন বছর ধরে বাংলাকে আবাস যোজানার টাকা দেওয়া বন্ধ করে রেখেছে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদির(Narendra Modi) সরকার। সেই টাকা আটকে রাখার পিছনে অভিযোগ তোলা হচ্ছে দুর্নীতির। কিন্তু সেই সব দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্র থেকে একের পর এক প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছে বাংলায়। কিন্তু তাঁরা কোনও দুর্নীতিই খুঁজে পাননি। তবুও টাকা আসেনি। কেননা সেই টাকা আটকে রাখার নেপথ্যে কাজ করে গিয়েছে বঙ্গ বিজেপির(Bengal BJP) নেতাদের নোংরামি। তাঁরাই দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে পরামর্শ দিয়েছিলেন বাংলার প্রাপ্য আবাসের টাকা যেন আটকে রাখা হয়। কার্যত বঙ্গ বিজেপির নেতারা ঘর শত্রু বিভীষণের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের পরে ছবি বদলাচ্ছে। দেশে বিজেপি যেমন একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে তেমনি, বাংলাতেও তাঁদের আসন কমেছে। এই অবস্থায় বঙ্গ বিজেপির নেতাদের আর বিশেষ পাত্তা দিতে চাইছে না পদ্মের নেতারা। সেই কারণেই বঙ্গ বিজেপির নেতাদের আবদারে না ভেসে বাংলাকে আবাস যোজনা প্রকল্পের জন্য ১৯০ কোটি টাকা পাঠাল কেন্দ্র সরকার।  

আরও পড়ুন, বাম-বিজেপিকে ধাক্কা দিয়েই অধীর বিদায় সম্পন্ন প্রদেশ কংগ্রেসে, জোটবার্তার ইঙ্গিত তৃণমূলকে

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্র সরকার যে ১৯০ কোটি টাকা পাঠিয়েছে তা শহুরে আবাস প্রকল্পের(PM Awas Yojna Urban) জন্য। তবে সেই খাতে শুধু কেন্দ্র সরকারই যে টাকা দিচ্ছে এমন নয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারকেও সেখানে টাকা ঢালতে হচ্ছে। কেননা সেই প্রকল্প কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ প্রকল্প। কেন্দ্র তার ভাগের টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে। এবার রাজ্য সরকার তার ভাগের ২৪৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করতে চলেছে কোষাগার থেকে। সব মিলিয়ে রাজ্যের শতাধিক পুরসভা এলাকার জন্য মোট ৪৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে। ওই টাকায় নানা পুরসভা এলাকায় বসবাসকারী গরিব মানুষের বাড়ি(House for Urban Poor People) তৈরি করে দেওয়া হবে। এই বিষয়ে রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম(Firhad Hakim) জানিয়েছেন, ‘বিজেপি হাজার অভিযোগ তুললেও, তাঁদের সমস্ত দাবিই পরবর্তীকালে ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে। মানুষও বুঝে গিয়েছে, ওদের তোলা অভিযোগ কোনওভাবেই সঠিক নয়। আর সেই কারণেই এবার পুর এলাকার গরিব মানুষদের বঞ্চিত করার ছক কার্যকরী হল না।’

আরও পড়ুন, ১১৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে হুগলি নদীর পাড়ে ভাঙনের কারণ জানতে হবে সমীক্ষা

প্রকল্পের নিয়মানুযায়ী বিগত দিনে পাওয়া অর্থ খরচের হিসেব দিলে তবেই মেলে পরবর্তী কিস্তি। এর আগে গতবছর মার্চ-এপ্রিল মাস নাগাদ শহুরে আবাস প্রকল্পে রাজ্যের প্রাপ্য ৫০০ কোটি টাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল মোদি সরকার। সেই টাকার খরচের হিসাব যথাযথ ভাবেই দিয়েছে রাজ্য সরকার। তারপরেই, এবার আসছে পরবর্তী পর্যায়ের ১৯০ কোটি টাকা। ফলে এইক্ষেত্রে রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার সমস্ত দরজা বিরোধীদের কাছে বন্ধ হয়ে গেল। আবাস প্রকল্পে দুর্নীতি নিয়ে বঙ্গ বিজেপির দাবি একেবারেই ধোপে টিকল না। শহুরে আবাসের ক্ষেত্রে বেনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছিল গত লোকসভা নির্বাচনের আগে। তুলেছিল বঙ্গ বিজেপির নেতারাই। কিন্তু এখন তাঁদের সেই অভিযোগ পুরোপুরি খারিজ করে দিল কেন্দ্র। নবান্নের আধিকারিকদের দাবি, এই প্রকল্পের অধীনে নির্মিত বাড়ির গায়ে কেন্দ্রের ঠিক করে দেওয়া ‘লোগো’ বসানো সহ অন্যান্য একগুচ্ছ শর্ত ছিল। সেগুলি ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না, তা দেখতে বাংলায় পর্যবেক্ষক দলও পাঠিয়ে ছিল কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁরা পরিদর্শনে এসেও রাজ্যের পুর এলাকায় আবাস প্রকল্প নিয়ে কোনও রকম অনিয়ম খুঁজে পায়নি। বাংলাকে ক্লিনচিট দিয়েই কেন্দ্রের কাছে তারা রিপোর্ট জমা দিয়েছিল। সেই সূত্রেই এসেছে টাকা।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

খাস কলকাতায় সিপিএমে ভাঙন, নির্বাচনের প্রাক্কালে একঝাঁক যুবনেতার যোগ তৃণমূলে

সল্টলেকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ডিভাইডারে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে-মুচড়ে গেল হন্ডা গাড়ি, আহত ৪

‘‌বাংলায় আপনাদের মেয়াদ আর ঠিক ১৯ দিন’‌, বিজেপি–নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে নালিশ তৃণমূলের, কড়া চিঠি পেশ

জোকা ট্রাম ডিপোতে নাকা চেকিংয়ে বাজেয়াপ্ত ৪ লক্ষাধিক টাকা, আটক ৪

লক্ষ্মী বনাম অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার! প্রতিশ্রুতিতে ভরছে দেওয়াল, কার ভরসা বেশি?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ