সংক্রমণকে সঙ্গী করেই ভিড় বাড়ছে সোনাগাছিতে

কোভিডের মধ্যেও সোনাগাছির থেমে না যাওয়াটা যদি আশার আলো হয় তবে উদ্বেগ অবশ্যই নতুন মেয়েদের ভিড় বেড়ে যাওয়া। দেখা যাচ্ছে এই সব নতুন মহিলাদের একটা বড় অংশই পরিচারিকার কাজ করতেন। কিন্তু কোভিডকালে আয় কমেছে মধ্যবিত্তের। তার জেরে কোপ পড়েছে পরিচারিকাদের কাজে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠে দুই সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি। একটা উদ্বেগের, অন্যটা আশার। উদ্বেগ সংক্রমণ বাড়ার জন্য। আর আশার আলো, ভিড় বাড়ছে সর্বত্র। তা সে খদ্দের হোক কী তাঁদের খুশি করতে রাস্তায় দাঁড়ানো মেয়েদের সংখ্যা। ছবিটা সোনাগাছির। সেখানে কোভিড সংক্রমণ যেমন বাড়ছে তেমনি বাড়ছে পরিষেবা নিতে আসা মানুষের সংখ্যাও, যা বলে দিচ্ছে কোভিডের তৃতীয় ঢেউ থামাতে পারেনি সোনাগাছিকে। একই সঙ্গে দেখা যাচ্ছে সেখানে পরিষেবা দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ রোজগারের উদ্দেশ্যে মেয়েদের ভিড় বেড়েই চলেছে। নতুন মুখের ভিড়ই সেখানে বেশি। এদের একটা বড় অংশই স্বেচ্ছায় এসেছে পরিবারের কাছে একটু বাড়তি টাকা পাঠানোর জন্য। এমন তথ্যই উঠে এসেছে ‘দুর্বার মহিলা সমন্বয় সমিতি’ মাধ্যমে।

জানা গিয়েছে, কোভিড সংক্রমণের প্রথম ঢেউ ও দেশজোড়া লকডাউনের ধাক্কায় দুই বছর আগে প্রায় ভেসে গিয়েছিলেন সোনাগাছির যৌনকর্মীরা। রোজগার প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল তাঁদের। ঘরভাড়া দিতে না পেরে অনেকেই সোনাগাছি ছেড়ে ফিরে গিয়েছিলেন নিজের বাড়িতে। অনেকে অন্য কোনও কাজে ঢুকে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু কেউই কোনও জায়গাতেই বেশিদিন থিতু হতে পারেননি। কিছুটা পেটের দায়ে আর বেশির ভাগটা সামাজিক বিড়াম্বনার জেরে তাঁরা ফের ফিরেছেন সোনাগাছিতেই। খদ্দের ধরতে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন রাস্তার মধ্যে। ‘দুর্বার মহিলা সমন্বয় সমিতি’র তথ্য বলছে, গতবছর কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ সোনাগাছিতে পুরোপুরি থাবা বসাতে পারেনি। সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েও সেই সময় কাজ করে গিয়েছেন সেখানকার মহিলারা। এবারেও ছবিটা ভিন্ন কিছু নয়। কোভিডের তৃতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় রোজগার কিছুটা অবশ্যই কমেছে সোনাগাছির মহিলাদের। তবে তাঁরা কেউ থেমে যাননি। অনেকেই কোভিডে আক্রান্ত হচ্ছেন সেখানে। তবে কারোরই সে অর্থে বাড়াবাড়ি কিছু হচ্ছে না। ৩-৪ দিনের জ্বর, সর্দি আর কাশিতেই মিটে যাচ্ছে কোভিডের প্রকোপ।

তবে দুর্বারের উদ্বেগ অন্য জায়গায়। কোভিডের মধ্যেও সোনাগাছির থেমে না যাওয়াটা যদি আশার আলো হয় তবে উদ্বেগ অবশ্যই নতুন মেয়েদের ভিড় বেড়ে যাওয়া। দেখা যাচ্ছে এই সব নতুন মহিলাদের একটা বড় অংশই কলকাতার আশেপাশের জেলার বাসিন্দা। তাঁরা প্রায় সকলেই পরিচারিকার কাজ করতেন। কিন্তু কোভিডকালে আয় কমেছে মধ্যবিত্তের। তার জেরে কোপ পড়েছে পরিচারিকাদের কাজে। তার জেরেই কাজ হারিয়ে পেটের দায়ে, পরিবারের মুখ চেয়ে অনেকেই চলে এসেছেন সোনাগাছিতে রোজগারের আশায়। নিত্যদিন তাঁরা না এলেও সপ্তাহে ৪-৫দিন তাঁরা আসেন। খদ্দের ধরে পরিষেবা দিয়ে টাকা রোজগার করে ফিরে যাচ্ছেন তাঁরা নিজ নিজ বাড়িতে। এই ছবিটা কিন্তু মোটেও আশার ছবি নয়।

কর্মক্ষেত্রে তুমুল অশান্তি, বড় সিদ্ধান্ত ঠাণ্ডা মাথায় নিন, বিদেশে ভ্রমণের সুযোগ

গর্ভাবস্থায় মাছ খেলেই কমতে পারে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশনের ঝুঁকি

কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজের চাপে বাড়ির জানলা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা বিজ্ঞানীর

স্ট্রোকের হাত থেকে প্রিয়জনকে বাঁচাতে চান? এই লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন

তিন বন্ধুকে দিয়ে স্ত্রীকে গণধর্ষণ করাল পাষণ্ড স্বামী, হাড়হিম ঘটনা হায়দরাবাদে

হাতে সময় কম? সকালে চটজলদি বানিয়ে ফেলুন প্রোটিন সমৃদ্ধ ছোলার স্যান্ডউইচ

সৌদি আরবে রক্ষা মন্ত্রকের কার্যালয়ে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথিদের

ভারত-সহ ২৯ দেশের নাগরিকদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠিয়েছে রাশিয়া, বিস্ফোরক তথ্য রাষ্ট্রপুঞ্জের তদন্ত কমিশনের

‘ইন্দিরাজির মৃত্যুর পরে রাজীবের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার তীব্র বিরোধী ছিলাম’, স্মৃতিচারণ সোনিয়ার

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে চমক, আসছেন রজনীকান্ত-প্রভাস

১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে বিক্ষোভ সমাবেশের জন্য কংগ্রেসকে শর্তসাপেক্ষে অনুমতি

‘এমন বন্ধু আর কে আছে’.. বিধানসভায় দেখা হতেই কোলাকুলি কুণাল-সন্দীপনের

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, কৈখালির Haldiram’s বন্ধের নির্দেশ খাদ্য সুরক্ষা দফতরের

উত্তাল সমুদ্র, মন্দারমণিতে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গিয়ে মৃত পর্যটক