চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

কেন্দ্রের সরকারই থাকবে কিনা সন্দেহ, আবার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা, হাসছে তামাম বাংলা

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: সবাই হাসছে। যে শুনছে সেই হাসছে। হাসছি মোরা হাসছি দেখ, হাসছি মোরা আহ্লাদী, হাসছি কেন কেউ জানে না, পাচ্ছে হাসি হাসছি তাই। ভাবছি মনে, হাসছি কেন? থাকব হাসি ত্যাগ করে ভাবতে গিয়ে ফিকফিকিয়ে ফেলছি হেসে ফ্যাক ক’রে। হ্যাঁ এটাই এখন অবস্থা বেশির ভাগ বাঙালির। কেননা দিল্লিতে যখন গণেশের গদি ওল্টানোর সময় এসে গিয়েছে, তখন দিল্লির শাসকেরা বাংলার(Bengal) বুকে তাঁদের ৬ প্রার্থীকে(BJP Candidates) কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা(Central Security) প্রদান করেছে। কথায় বলে – আপনি বাঁচলে বাপের নাম। বিজেপি সেটাও ভুলে গিয়েছে। আর স্বাভাবিক ভাবে তাঁদের সিদ্ধান্তের কথা যে শুনছে সেই হাসছে। কেন্দ্রের কাছে থেকে বিজেপি যে ৬জন প্রার্থী কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেয়েছেন তাঁরা হলেন – তমলুকের প্রার্থী তথা কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, বসিরহাটের প্রার্থী রেখা পাত্র, রায়গঞ্জের প্রার্থী কার্তিক পাল, বহরমপুরের প্রার্থী নির্মল সাহা, ঝাড়গ্রামের প্রার্থী প্রণত টুডু, মথুরাপুরের প্রার্থী অশোক পুরকাইত ও জয়নগরের প্রার্থী অশোক কাণ্ডারী।

আপাতত জানা গিয়েছে, বিজেপির এই ৬জন প্রার্থীকে ভোটপর্ব মিটে যাওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা নিরাপত্তা দেবেন। রেখা পাত্রকে দেওয়া হচ্ছে X ক্যাটাগরি সুরক্ষা। এবার থেকে তাঁর নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকবে সিআইএসএফ জওয়ানরা(CISF Jawans)। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবার থেকে ওয়াই Y ক্যাটাগরি নিরাপত্তা পাবেন। বাকি ৪জনের নিরাপত্তা বাড়ানো হলেও তাঁদের ক্যাটাগরি জানানো হয়নি। নির্বাচনের সময় বিভিন্ন স্পর্শকাতর কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির ভাবনা ছিলই বিজেপির। সেই মতো কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে আবেদন জানানো হয়। দুদফা ভোটের পর অবশেষে মন্ত্রকের(Home Ministry of India Government) অনুমোদনক্রমে তা করা হল। এই ৬জন ছাড়াও বঙ্গ বিজেপির নেতা অভিজিৎ বর্মন ও তাপস দাসকেও নিরাপত্তা দেবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। আর এই নিরাপত্তা প্রদান ঘিরেই এখন হাসির রোল উঠেছে রাজ্যজুড়ে।

কেন হাসছেন সবাই? কেননা মোদি সরকার এবং বিজেপির নেতারা মুখে যত বড় বড় ডায়লগ আউড়ে চলুন না কেন, গোদি মিডিয়া সকাল থেকে রাত অবধি যতই বলুক না কেন, ‘আপ কে বার ৪০০ পার’ মনে হচ্ছে না আর বাস্তবায়িত হবে। বরঞ্চ প্রথম দুই দফার ভোটচিত্র বলে দিচ্ছে ২০০ পার করতেই হাঁফ ধরে যাবে গেরুয়া শিবিরের। সেখানে ক্ষমতা ধরে রাখা দূর অস্ত। বিরোধীরাও সেই রকমই দাবি করে চলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ‘গ্যারেন্টি’র সুরও তাই আস্তে আস্তে নেমে যাচ্ছে। আর শোনা যাচ্ছে না ‘মোদি ক্যা গ্যারেন্টি’ বা ‘আব কে বার ৪০০ পার’। এই যখন অবস্থা তখন আর ১ মাসের জন্য ৭-৮জনকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রদান করে কী লাভ হবে পদ্মশিবিরের। গণেশের গদি ওল্টালেই তো সব নিরাপত্তা মুহুর্তের মধ্যে হাওয়া হয়ে যাবে। তখন এই ৭-৮জনকে কে নিরাপত্তা দেবে যাদের নিরাপত্তা প্রদানের জন্য এখন কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানো হচ্ছে? স্বাভাবিক ভাবেই গোটা বাংলা হাসছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

আগামী ২-৩ ঘন্টায় ৭০ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, জেলায় জেলায় হবে শিলাবৃষ্টি

ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের, নিষ্পত্তি হওয়া নাম তুলতে হবে ভোটার তালিকায়

খাস কলকাতায় সিপিএমে ভাঙন, নির্বাচনের প্রাক্কালে একঝাঁক যুবনেতার যোগ তৃণমূলে

সল্টলেকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ডিভাইডারে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে-মুচড়ে গেল গাড়ি, আহত ৪

‘‌বাংলায় আপনাদের মেয়াদ আর ঠিক ১৯ দিন’‌, বিজেপি–নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে নালিশ তৃণমূলের, কড়া চিঠি পেশ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ