এই মুহূর্তে

শুভেন্দুর নারদ ফুটেজ দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতি ইস্যুকে বিঁধল তৃণমূল কংগ্রেস

নিজস্ব প্রতিনিধি: দমদমে সেন্ট্রাল জেলের ময়দানে জনসভা থেকে রাজনীতিতে দুর্নীতিগ্রস্ত হলে কেউ পার পাবে না বলে সরব হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা করতে গিয়ে জেলে থাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও জামিনে মুক্তি পাওয়া জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের প্রসঙ্গ শোনা যায় নরেন্দ্র মোদির বক্তৃতায়। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শেষ হওয়ার পরেই পাল্টা শুভেন্দু অধিকারীর(Suvendu Adhikari) নারদ কান্ডে গোপন ক্যামেরায় টাকা নেওয়ার ছবি সামনে এনে বিজেপিকে রাজনৈতিক নিশানা করল তৃণমূল। রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা  ও তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করে এলইডি স্কিনে(LED Scheen) মোদির বক্তব্য এবং শুভেন্দুর নারদ স্ট্রিং অপারেশনে টাকা নেওয়ার ছবি তুলে ধরেন। কুনাল ঘোষ বলেন “যে নেতাদের বিরুদ্ধে বিজেপি দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবি করছেন, সেই রকম যে নেতারা এখনো বিজেপিতে রয়েছেন তাদের আগে দল থেকে বহিষ্কার করে সাহস দেখান মোদি।

তারপর দুর্নীতি নিয়ে অন্যদের দিকে আঙুল তুলবেন। “শুভেন্দু অধিকারীর ছবি দেখিয়ে শশী পাঁজা বলেন ,”পারলে ব্যবস্থা নিয়ে দেখান সরকারি প্রক্রিয়া তো দীর্ঘ সূত্রিতার বিষয়। বিজেপি’র সদিচ্ছা থাকলে এদের দল থেকে তাড়ান। আসলে প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি নির্মূল করতে চান না। তিনি চান বিরোধীদের নির্মূল করতে।”শুক্রবার নরেন্দ্র মোদী বাংলায় পা রাখার আগেই প্রধানমন্ত্রী উদ্দেশ্যে পাঁচটি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছিল তৃণমূল। তার মধ্যে অন্যতম ছিল বিভিন্ন কেন্দ্রেও প্রকল্পের রাজ্যের বকেয়ার বিষয়টি। নরেন্দ্র মোদী দমদমের সভা থেকে বলেন, কেন্দ্রীয় জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের টাকা মানুষকে দেওয়ার বদলে তৃণমূল এখানে তাদের ক্যাডারদের পেছনে খরচা করছে। এ বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করার দাবি তুলেছেন কুনাল ঘোষ। তিনি বলেন, মোদির রাজ্য গুজরাটে মন্ত্রী ছেলে ১০০ দিনের কাজের টাকা লুট করে গ্রেফতার হয়েছে। বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশের সব থেকে বেশি ভুয়ো জব কার্ড পাওয়া গিয়েছে। সেই রাজ্যগুলোতে টাকা বন্ধ হয় না। বাংলার ক্ষেত্রে কেন হয়? ভিন রাজ্যে বাংলাভাষী পরিচয় শ্রমিকদের উপর আক্রমণ নিয়ে ধারাবাহিকভাবে সরব রয়েছে তৃণমূল। যে প্রসঙ্গ তুলে বিজেপিকে বাংলা বিরোধী সাব্যস্ত করার দিকে এগিয়েছে বঙ্গের শাসক দল। সেই আবহয় শুক্রবার মোদি প্রশ্ন তোলেন, এই রাজ্যের এত শ্রমিক বাইরের রাজ্যে কেন রয়েছেন?

কারণ পশ্চিমবঙ্গে কাজ নেই। সরকারে প্রকৃত বিকাশ হবে ।পাল্টা তৃণমূল বলছে, বিভিন্ন রাজ্যের শ্রমিকরা অন্য রাজ্যে কাজ করতে যান এই ধারা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কুনাল ঘোষের মন্তব্য, বাংলাতে ভিন রাজ্যের দেড় কোটি মানুষ কাজ করে। সাহস থাকলে প্রধানমন্ত্রী বলুন, যিনি যে রাজ্যের বাসিন্দা ,তিনি সেই রাজ্যে কাজ করবেন। অন্যত্র যাবেন না। ২০২৬ সালে তৃণমূলকে তাড়িয়ে বিজেপিকে আনার কথা বলেছিলেন নরেন্দ্র মোদি, যেমন বলেছিলেন ২০২১ সালে ভোটের আগে পাল্টা শশী পাঁজা বলেন, মোদী বারবার বাংলায় আসতে পারেন কিন্তু বিজেপি বাংলায় আসবে না। কুনাল ঘোষ বলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি, প্রাক্তন সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি প্রাক্তন সাংসদ সবাই মোদীর সভায় আস্থা রাখতে পারেননি চলে গেছেন বেঙ্গালুরুতে। রবি শংকরের আশ্রমে চলে গিয়েছেন দিলীপ শংকর যে প্রধানমন্ত্রীর উপর তার দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি আস্থা রাখতে পারেন না তার ওপর বাংলার মানুষ কি করে আস্থা রাখবেন প্রশ্ন তোলেন কুনাল ঘোষ।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নববর্ষে বাংলার সংস্কৃতির ভূয়সী প্রশংসা মোদির, চিঠিতে কী লিখলেন বাঙালিদের?

অভিষেক–রুজিরার গাড়িতে তল্লাশির নির্দেশ!‌ নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ তৃণমূলের

বিজেপির আসন সংখ্যা নিয়ে দোটানায় গেরুয়া শিবির, পদ্ম দিঘিতে প্রশ্নবাণে গুঞ্জন চরমে

নববর্ষের সকালে মাছ নিয়ে গড়িয়ায় প্রচার অরূপ বিশ্বাসের, বিঁধলেন বিজেপিকে

নববর্ষে কীর্তনের তালে দিলীপের তুমুল নাচ, মনীষীদের ছবি হাতে মিছিল শুভেন্দুর

আবার রাজপথে মানুষের দুয়ারে মুখ্যমন্ত্রী, যাদবপুর থেকে রোড–শো করে দেবেন বার্তা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ