দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

সুপ্রিম কোর্টে বড় জয় রাজ্যের, Search Committee গড়ে দিল শীর্ষ আদালত

Courtesy - Facebook and Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য(Vice Chancellor) নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্যপালের(Governor) সঙ্গে রাজ্য সরকারের(West Bengal State Government) বিবাদের ঘটনা নতুন কোনও ঘটনা নয়। সি ভি আনন্দ বোসের(C V Ananda Bose) আমলে সেই বিবাদ এতটাই বাড়ে যে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে(Supreme Court) মামলা ঠুকতে বাধ্য হয়। সেই মামলাতেই এদিন বড় জয়ের মুখ দেখল রাজ্য সরকার। এদিন সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের পছন্দকে প্রধান্য দিয়ে উপাচার্য নিয়োগের জন্য সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি Search Committee গড়ে দিল। এই কমিটিই বাংলার প্রতিটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে উপাচার্য পদে নিয়োগের জন্য ৩জনের নাম বাছাই করে দেবে মুখ্যমন্ত্রীকে(Chief Minister of West Bengal)। সেখান থেকে মুখ্যমন্ত্রী নিজের অভিমত সহ রাজ্যপালকে কোট পাঠাবেন যা মেনে রাজ্যপাল বিজ্ঞাপন প্রকাশের ৩ মাসের মধ্যে নয়া উপাচার্য নিয়োগ করবেন। 

বাংলার বুকে রাজ্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য পদে রাখা হয়েছে রাজ্যপালকে। সেই সুবিধাকে হাতিয়ার করে সি ভি আনন্দ বোস বাংলার উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে নিজের পছন্দ অপছন্দকে চাপিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি চূড়ান্ত এক অস্থিরতা তৈরি করে দেন। রাজ্যের পাঠানো তালিকা থেকে কাউকে ওই সব রাজ্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য পদে নিয়োগ না করে নিজের পছন্দ মতন যাকে তাকে নিয়োগ করতে শুরু করে দিয়েছিলেন। এমনকি উপাচার্যদের অপসারণ করাও শুরু করে দিয়েছিলেন নিজের খুশি মতন। তার জেরে রাজ্য সরকারও বাধ্য হয় সুপ্রিম কোর্টে যেতে। সেই মামলাতেই এদিন সুপ্রিম কোর্ট বড় ধাক্কা দিয়েছে রাজ্যপালকে। বাংলার বুকে রাজ্যের অধীনে থাকা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগে জট কাটাতে এদিন একগুচ্ছ নির্দেশ জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আর সেই নির্দেশে রাজ্যের পছন্দকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

এদিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ৩ মাসের মধ্যে বাংলার সব বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইউ ইউ ললিতের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের Search Committee গঠন করতে হবে। কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ললিত সব ক’টি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১টিই কমিটি গঠন করতে পারেন। আবার আলাদা আলাদা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আলাদা আলাদা কমিটি গঠন করা যেতে পারে। কমিটিতে প্রয়োজনে আরও ৪ বিশেষজ্ঞকে রাখতে পারেন চেয়ারম্যান। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদের জন্য ৩টি করে নাম বাছাই করবে Search Committee। সেই ৩টি নাম তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠাবে। মুখ্যমন্ত্রী ওই ৩টি নামের মধ্যে থেকে একটি নাম বাছবেন। সেই নাম তিনি Order of Preference হিসাবে রাজভবনে পাঠাবেন। তাঁকে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ করবেন রাজ্যপাল।

তবে Search Committee’র বাছাই করা নাম যদি মুখ্যমন্ত্রীর পছন্দ না হয়, তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে পারেন। আবার সার্চ কমিটি প্রস্তাবিত ৩টি নামের মধ্যে থেকে মুখ্যমন্ত্রী যাকে বাছবেন, রাজ্যপালের যদি তাঁকে পছন্দ না হয়, তাহলে তিনিও শীর্ষ আদালতে যেতে পারেন। এদিন সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে বাংলার রাজ্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপচার্য নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। উপাচার্য পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞাপন দিতে হবে। সেই বিজ্ঞাপনে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কথা উল্লেখ করতে হবে। গোটা প্রক্রিয়ার খরচ বহন করবে রাজ্যই। তবে এদিনের রায়ের পরে রাজ্যের শিক্ষামহলের প্রায় সকলেরই দাবি, এই রায় কার্যত রাজ্যপালের যা ইচ্ছা খুশি করার মতামতকে আটকে দিল। বোস আর যা খুশি তাই করতে পারবেন না। এমনকি কেন্দ্রের শাসক দলও যাকে খুশি তাঁকে রাজ্যপাল হিসাবে পাঠিয়ে বাংলার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে তালগোল পাকিয়ে দিতে পারবে না।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথম দফায় বাংলার ভোট শান্তিপূর্ণ, ভোটদানের হারে প্রশংসা প্রধান বিচারপতির

বিজেপি ক্ষমতায় এলে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে কে?‌ জানিয়ে দিলেন অমিত শাহ

‘প্রথম দফায় ১১০ আসনে জয় নিশ্চিত’, আত্মবিশ্বাসী সুর শাহের গলায়

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে আজ প্রচারে ঝড় তুলবেন মমতা-অভিষেক, অভয়ার মায়ের সমর্থনে সভা মোদির

শহরে গঙ্গাবক্ষেও ভোটপ্রচারে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী মোদি, তুললেন ছবি

বিজেপিকে রুখতে মমতার পাশে কেজরিওয়াল, তৃণমূলের প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে আসছেন আপ সুপ্রিমো

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ