এই মুহূর্তে




শহরের থানায় থানায় চর পাঠিয়ে Surprise Visit লালবাজারের, দেখা হচ্ছে কাজের হালচাল

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: থানায় গিয়ে দুর্ব্যহারের শিকার হতে হয় অনেককেই। General Diary বা GD কিংবা FIR করতে গেলে গড়িমসি করা হয়। বাধ্য হয়ে কেউ কেউ থানায় না গিয়ে, সরাসরি Police Commissioner অথবা Joint CP(Crime)-কে মেল করেন। নয়তো, ১০০ ডায়ালে ফোন করে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান। সম্প্রতি এই ধরনের অভিযোগ করার প্রবণতাও অনেকটা বেড়ে গিয়েছে বলে লালবাজার(Lalbazaar) সূত্রের খবর। মাস তিনেক আগে আর জি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎককে খুন–ধর্ষণের ঘটনায় টালা থানার FIR নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে কলকাতা পুলিশকে(Kolkata Police)। এই অবস্থায় শহর কলকাতার থানায় থানায় বিশেষ ‘চর’ বা সোর্স পাঠিয়ে Surprise Visit দেওয়াতে শুরু করেছে লালবাজার। পুলিশকর্তারা দেখে নিতে চাইছেন, প্রতিটি থানায় কী ভাবে কাজ হচ্ছে, জিডি বা এফআইআর নিতে কোনও গড়িমসি করা হচ্ছে কি না? এ সমস্ত বিষয়।

আরও পড়ুন, ঠাকুর দেখে, চিলি চিকেন তন্দুরি রুটি খেয়ে বাড়ি ফিরে গলায় দড়ি, এদিকে ১৭ তারিখ বিয়ে

কিন্তু হঠাৎ এই Surprise Visit কেন? লালবাজারের কর্তাদের যুক্তি, বার বার গাফিলতির অভিযোগ ওঠায় থানায় বিশেষ ‘চর’ বা সোর্স পাঠিয়ে Surprise Visit দেওয়াতে বাধ্য হয়েছেন তাঁরা। যদিও থানার আধিকারিকদের যুক্তি, কোনও অভিযোগ এলে তা যাচাই করতে সময় লাগে। প্রাথমিক খোঁজখবর করা থেকে শুরু করে বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে। ফলে কিছুটা দেরি হলেও তদন্ত থেমে থাকে না। তবে, অভিযোগকে একেবারেই গুরুত্ব দেওয়া হয় না, সেই অভিযোগ ঠিক নয়। তা কীরকম ভাবে সেই Surprise Visit চলছে? সূত্রের খবর, লালবাজারের সোর্সরা ভুক্তভোগীর ভেক ধরে যে কোনও সময়েই হাজির হয়ে যাচ্ছেন থানাগুলিতে। কোন থানা, কী ভাবে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করছে ––– তার রিপোর্টও পৌঁছে যাচ্ছে লালবাজারের কর্তাদের টেবিলে। যদি দেখা যায় অভিযোগকারীকে গুরুত্ব না দিয়ে থানা থেকে ভাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তাহলে সংশ্লিষ্ট থানার অফিসারদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে পিছু পা হচ্ছে না লালবাজার।

আরও পড়ুন, আসছে App, জানিয়ে দেবে মুহুর্তেই কোন Blood Bank-এ আছে কত রক্ত

ইতিমধ্যে কলকাতার বেশ কয়েকটি থানার বিরুদ্ধে ভালো রিপোর্ট পায়নি লালবাজার। কয়েকজন ওসি এবং পুলিশ অফিসারকে এ জন্য ডেকে সতর্ক করা হয়েছে বলেও খবর। তাঁদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, সাধারণ মানুষের অভিযোগ এলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। এক পুলিশ কর্তার কথায়, ‘ট্রেনিং–এর সময়ে বিভিন্ন থানায় পাঠিয়ে এ ভাবেই বাস্তব পরিস্থিতির বিষয়ে খোঁজখবর নিতে হয় আইপিএসদের। তখনও দেখা যায়, কোনও অফিসার ভালো কাজ করছেন তো আবার কেউ অভিযোগকারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছেন। কার্যত লালবাজার থেকে বাহিনীর সর্বস্তরে বার্তা দিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, কলকাতা পুলিশ নাগরিকদের সুবিধা অসুবিধা এবং আইন–শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখার জন্যই কাজ করে। তাই আমজনতার সঙ্গে দূরত্ব একদমই কাম্য নয়। পুলিশের প্রতি ভয় থাকুক, কিন্তু তা যেন থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে না দাঁড়ায়। যিনি বা যেই আসুন, তাঁর অভিযোগ শুনতে হবে ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে হবে।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

১৩ বছর বাদে কলকাতায় এআর রহমান ও অনুষ্কা, নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

ক্রিসমাস উপলক্ষ্যে জমজমাট নিউমার্কেট ও মির্জা গালিব স্ট্রিট

যুবভারতীকাণ্ডে মমতার তদন্ত কমিটিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে জোড়া মামলা

যুবভারতীর ঘটনায় আরও  দু’জনকে গ্রেফতার করল বিধাননগর পুলিশ 

জাঁকিয়ে ঠাণ্ডা দুই বঙ্গে, কতটা নামবে পারদ? জানুন আবহাওয়ার আপডেট

যুবভারতীতে মেসির অনুষ্ঠানের ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের ৭ কর্তা সহ জলের ভেন্ডারকে তলব পুলিশের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ