চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

তিস্তার তাণ্ডব নিয়ে ফোনে কথা মমতা-অনীতের

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: সময় যত গড়াচ্ছে, বাংলার বুকে তিস্তার তাণ্ডবলীলা(Teesta Disaster) ততই সামনে আসছে। কার্যত সেই তাণ্ডবের পরে রাতের ঘুম নেই কালিম্পং জেলার(Kalimpong District) তিস্তা বাজার, মল্লি ও মংপো এলাকার বাসিন্দাদের। কেননা তিস্তার জল কমা শুরু হতেই ওইসব এলাকায় নদীর দুই পাড় ভাঙতে শুরু করে দিয়েছে। তাতেই একের পর এক বাড়ি তিস্তা গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে। প্রচুর বাড়ির নীচ থেকে মাটি ধসে গিয়ে এখন বাড়িগুলি রীতিমতো ঝুলছে। কীভাবে আবার সব ঠিক হবে সেই চিন্তায় মাথায় হাত পড়েছে তিস্তা বাজার, মল্লি এলাকার বাসিন্দারা। জিটিএ(GTA) চিফ এক্সিকিউটিভ অনীত থাপা(Anit Thapa) ওই এলাকাগুলি পরিদর্শন করে এদিন অর্থাৎ শুক্রবার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সঙ্গে। মুখ্যসচিবের ফোন থেকে কথা বলেন অনীত। দার্জিলিং, কালিম্পং কি ভাবে পুনর্গঠন করা যায় সেই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কেন্দ্রের কাছে দার্জিলিং কালিম্পংয়ে ক্ষয়ক্ষতির জন্য আর্থিক সহায়তার দাবি নিয়েও আলোচনা হয় তাঁদের মধ্যে।

তিস্তায় হড়পা বানে সিকিমে তো বটেই এই রাজ্যের কালিম্পং জেলার মধ্যে থাকা এলাকাগুলিতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিস্তা বাজার এলাকায় গেলে তিস্তার অভিশাপ দেখা যাচ্ছে। সেখানে তিস্তার জলে তলিয়ে গিয়েছে প্রায় ২৩টি বাড়ি। এছাড়াও প্রচুর দোকান, বাসিন্দাদের গাড়ি ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে তিস্তা। কিন্তু এত সবের পরেও তিস্তার থামার যেন কোনও লক্ষণই নেই। যেভাবে তিস্তার জলোচ্ছ্বাস রয়েছে তাতে এখনও দুপাশে ধস নামছে। জাতীয় সড়কে ফাটল ধরছে। তিস্তা বাজারে একের পর দোকান ভেঙে তলিয়ে যাচ্ছে তিস্তায়। রাত জেগে এখন দুর্দশার দৃশ্য দেখছেন বাসিন্দারা। ইতিমধ্যেই তিস্তাবাজার সহ কালিম্পঙের বেশ কয়েক জায়গায় প্রশাসনের তরফে রিলিফ ক্যাম্প খোলা হয়েছে। যেখানে ঠায় নিয়েছেন কয়েকশো মানুষ। বৃহস্পতিবার থেকে এলাকাগুলিতে যাওয়া শুরু হয়েছে ত্রাণ সামগ্রী।  

নবান্ন জানিয়েছে, আটকে পড়া পর্যটকদের অনেকেই এ বার ফিরে আসতে শুরু করেছেন। তবে এখনও বাংলার অন্তত ৪৫০ জন পর্যটক লাচেন ও উত্তর সিকিমের প্রত্যন্ত এলাকায় আটকে রয়েছেন। সেই সব এলাকা এখনও বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাও অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে। এদিকে কালিম্পং জেলায় মল্লির অবস্থা সব থেকে খারাপ। সেখানকার বাড়িগুলি ক্রমশ তিস্তা গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে। বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় সরে যাচ্ছেন। মন না চাইলেও তাঁদের যেতে হচ্ছে। মঙ্গলবার তিস্তার হড়পা বানে কালিম্পং জেলার নিখোঁজ হওয়া ১১ জনের খোঁজ মেলেনি এখনও। খারাপ অবস্থা তিস্তাবাজার এলাকারও। তিস্তার জলে তলিয়ে গিয়েছে সেখানকার প্রায় ১৪টি বাড়ি। দোকানপাটও ভেসেছে। একইসঙ্গে এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাতেই এখন ঘুম উড়েছে সেখানকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের। তিস্তার পাশে দোকানগুলির নীচ থেকে ধসে যাচ্ছে মাটি। এমনকি, সেখানে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কেও নতুন করে ফাটল দেখা দিয়েছে। তিস্তার স্রোতে যে কোনও সময় সেখানেও ধসে যেতে পারে জাতীয় সড়ক।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনে ৩০৯ জন প্রার্থী কোটিপতি, সেরা ধনী কে?‌

কোচবিহারের মদনমোহন মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী, নিজের হাতে থালা সাজিয়ে দিলেন পুজো

প্রথম দফায় শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রাম-সহ ৬৬ আসনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

‘পদ্ম পাঁকে ফোটে, বাংলার মাটিতে ফুটবে না’, পুরুলিয়া থেকে বিজেপিকে হুঙ্কার সায়নীর

‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’, দাগিদের প্রার্থী করায় তৃণমূলকে টেক্কা বিজেপির

বাংলায় প্রথম দফার ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা, কতজন ধর্ষণের আসামি?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ