চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত জারি! পাহাড়ে একতরফা মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে মোদিকে ফের চিঠি মমতার

Courtesy - Facebook and Google

নিজস্ব প্রতিনিধি : পাহাড়ের নানাবিধ সমস্যা নিয়ে কথা বলার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক নিয়োগ করেছে এক মধ্যস্থতাকারী। এই সিদ্ধান্ত অসংবিধানিক ও স্বেচ্ছাচারী বলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী যেন হস্তক্ষেপ করেন তার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

দার্জিলিং তরাই ও ডুয়ার্সের গোর্খাদের  নানাবিধ বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস পঙ্কজ কুমার সিংকে নিয়োগ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এই নিয়োগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার আর্জি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবারের চিঠিতে তিনি লিখেছেন প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের পরেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককাজ শুরু করেছে। এটা বিস্ময়কর। এরফলে পাহাড়ে শান্তি বিঘ্নিত হবে।  গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সঙ্ঘাত আগেই বেঁধেছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও আলোচনা ছাড়াই পাহাড়ে কেন্দ্রের মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ নিয়ে আপত্তি জানিয়ে ১৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই চিঠিতে ক্ষোভের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন ‘রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা না করে কিভাবে একতরফা মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করলেন?’ এরপর ফের সোমবার (১৭ নভেম্বর) তথা ঠিক একমাস পরে ফের প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

তাঁর বক্তব্য ছিল, জিটিএ এলাকার প্রশাসন, শান্তি রক্ষার বিষয় সরাসরি রাজ্য সরকারের আওতাভুক্ত। তারপরেও সরকারকে না জানিয়ে মধ্যস্থতাকারী ঠিক করা হয়েছে। এটা অসাংবিধানিক। এক তরফাভাবে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করার অর্থ যুক্তরাষ্ট্রীয় ভাবনার উপর আঘাত। আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভার ভোট। আর ওই বিধানসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে নয়া চাল দিয়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। আলাদা রাজ্য হিসেবে গোর্খাল্যান্ডের দাবি নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যেতে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক তথা দেশের প্রাক্তন উপ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পঙ্কজ কুমার সিংকে নিয়োগ করা হয়েছে। অক্টোবরেই কেন্দ্রের তরফে নবান্নে চিঠি পাঠিয়ে ওই নিয়োগের কথা জানানো হয়। ওই চিঠি পেয়েই ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীকে পাল্টা চিঠি পাঠিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। লিখেছেন, ‘দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে শান্তি ফেরানো গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার দৃঢ়ভাবে মনে করে যে গোর্খা সম্প্রদায় বা জিটিএ (গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) অঞ্চল সংক্রান্ত যে কোনও উদ্যোগ অবশ্যই রাজ্য সরকারের পূর্ণ পরামর্শ ও সহযোগিতার মাধ্যমে গ্রহণ করা উচিত। যাতে দীর্ঘ প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত এলাকার শান্তি ও স্থিতিশীলতা অটুট থাকে।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনে ৩০৯ জন প্রার্থী কোটিপতি, সেরা ধনী কে?‌

কোচবিহারের মদনমোহন মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী, নিজের হাতে থালা সাজিয়ে দিলেন পুজো

প্রথম দফায় শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রাম-সহ ৬৬ আসনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

‘পদ্ম পাঁকে ফোটে, বাংলার মাটিতে ফুটবে না’, পুরুলিয়া থেকে বিজেপিকে হুঙ্কার সায়নীর

‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’, দাগিদের প্রার্থী করায় তৃণমূলকে টেক্কা বিজেপির

বাংলায় প্রথম দফার ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা, কতজন ধর্ষণের আসামি?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ