এই মুহূর্তে

বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যে দিয়েই বাংলায় শুরু পঞ্চায়েতের ভোটগ্রহণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: অবশেষে এসেই গেল সেই কাঙ্ক্ষিত দিন। শনিবার সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়েছে বাংলার বুকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে(Panchayat Election) ভোট গ্রহণের(Polling Day) পালা। এদিন ভোটগ্রহণ শুরুর আগে থেকেই রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে হিংসাত্মক ঘটনার খবর সামনে আসতে শুরু করে দিয়েছে। দেখা যাচ্ছে যে সব বুথে পুলিশ(Police) বা কেন্দ্রীয় বাহিনী(Central Para Military Force) নেই সেখানেই এই সব ঘটনা ঘটছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশন সরাসরি কিছু না জানালেও সূত্রে জানা গিয়েছে শনিবার সকাল পর্যন্ত বাংলায় ৬০০’র সামান্য বেশি কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছালেও বাকি আরও ২০০ কোম্পানি বাহিনী বাংলাতে এসে পৌঁছাতেই পারেনি। আর তার জেরেই বহু বুথে কার্যত কোনও রকম নিরাপত্তা ছাড়াই ভোটগ্রহণের পালা শুরু হয়ে গিয়েছে। কার্যত কেন্দ্রের গড়িমাসিতেই যে এই অবস্থা তৈরি হয়েছে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরও পড়ুন গ্রাম বাংলার রঙ কী হবে, তাকিয়ে থাকবে জনতা

এদিন সকাল থেকে সব থেকে বেশি অশান্তি খবর আসছে মূলত মুর্শিদাবাদ(Murshidabad) জেলা থেকেই। সেখানে এদিন সকালেই ২জন খুন হয়ে গিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১জন আবার শাসক দলেরই কর্মী। তবে দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের অনান্য এলাকা এখনও পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ভাবেই ভোটগ্রহণ চলছে। কোচবিহারের দিনহাটায় অবশ্য এদিন সকাল থেকেই অশান্তি ছড়িয়েছে। দিনহাটার এক নম্বর ব্লকের কোয়ালিদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের ৭/২৫৫ বুথের নির্দল প্রার্থী ভোলা বর্মন-সহ তাঁর সমর্থকদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বোমাবাজিরও অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, নদিয়ার আড়ংঘাটা এলাকার খোশলপুরে ১২১ নম্বর বুথে পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী রেখা ঘোষের অনুগামীরা ভোটকর্মীদের ঘুম থেকে তুলে ব্যালট বাক্স ছিনতাই করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। উল্লেখ্য, এদিন রাজ্যের ৩,৩১৭টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬৩ হাজার ২২৯টি আসনের জন্য, ৩৪১টি পঞ্চায়েত সমিতির ৯৭৩০টি আসনের জন্য এবং ২০টি জেলা পরিষদের ৯২৮টি আসনের জন্য ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন ৫ বছরেই দ্বিগুণ, তবুও অমিল এজেন্ট

জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবার-১ ব্লকের বাসুলডাঙা অঞ্চলের ১৭১ এবং ১৭২ বুথে সিপিআইএম এজেন্টদের মারধর করেছে কিছু দুষ্কৃতী। এদিকে উত্তর ২৪ পরগনার কদম্বগাছিতে নির্দল প্রার্থীর এক সমর্থককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। বোমা-বন্দুক নিয়ে হামলার পাশাপাশি বাঁশ-লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে নির্দল প্রার্থীর ক্যাম্প অফিস ভাঙচুর করা হয়। এলাকায় প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় অবরুদ্ধ হয় টাকি রোড। আবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় ভোট বয়কটের ডাক দেন নন্দীগ্রাম ১ ব্লকে। ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছেন স্থানীয়রা। জোর করে ভোট বন্ধ করে দেন তাঁরা। উত্তাপ ছড়িয়েছে এলাকা জুড়ে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

লক্ষ্মী বনাম অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার! প্রতিশ্রুতিতে ভরছে দেওয়াল, কার ভরসা বেশি?

বৃষ্টি মাথায় ভোটপ্রচারে মধ্য হাওড়ার তৃণমূল প্রার্থী অরুপ

উত্তর-দক্ষিণে জোড়া আক্রমণ ! ঝোড়ো প্রচারে মমতা-অভিষেক

বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরোতেই সন্দেহ! পর্ণশ্রীতে উদ্ধার বৃদ্ধার পচাগলা দেহ

সকাল থেকে শুরু দুর্যোগ! একাধিক জেলায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা, কতদিন চলবে ঝড়বৃষ্টি?

প্রথম দফার ভোটের স্লিপ কারা দেবেন?‌ ‘ডেডলাইন’ বেঁধে নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ