সিঙ্গুরে টাটা কারখানা গড়ার কথা এড়িয়ে গেলেন, বাংলায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে শর্ত প্রধানমন্ত্রীর

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রীর সভা। তাই বাংলার জন্য নতুন কিছু বলেন কিনা সেদিকে কান পেতে ছিলেন অনেকেই। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যা বললেন তা সবই হবে বাংলায় ক্ষমতায় এলে। সুতরাং ক্ষমতায় না এলে যে সবই প্রতিশ্রুতি সেটা বুঝিয়ে দিলেন। তাই সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্যরা যে দাবি করেছিলেন তাতে সিলমোহর দিলেন না প্রধানমন্ত্রী। স্বপ্নফেরি করলেন নানা কথা বলে। শুধু এড়িয়ে গেলেন সিঙ্গুরে টাটা কারখানা করার বিষয়টি। অথচ বিজেপি নেতারা বারবার দাবি করে এসেছেন, সিঙ্গুরে আবার টাটা কারখানা হবে। তাও মোদির হাত ধরেই। এমনকী যখন মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী বসে রয়েছেন তখনও শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেন, সিঙ্গুরে শিল্প ফিরিয়ে আনা হবে। আর প্রধানমন্ত্রী যা বললেন তাতে বাংলার সাধারণ মানুষ সম্পূর্ণ হতাশ হলেন। কারণ বাংলার মানুষ ভেবেছিলেন সিঙ্গুরে টাটা কারখানার কথা ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী স্বপ্নফেরি করলেন ঠিকই তবে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে রেখে গেলেন শর্ত। সুতরাং কোনও কিছুই যে বাস্তবে হবে না সেটা স্পষ্ট হয়ে গেল মোদির ভাষণে। কারণ প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গুরের সভা থেকে বলেন, ‘‌ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রাজা রামমোহন রায়, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তীকে জাতীয় স্তরে পালন করার উদ্যোগও নিয়েছে আমাদের সরকার। বিজেপি বিকাশ এবং ঐতিহ্য উভয়কেই গুরুত্ব দেয়। এই দুইয়ের মডেলেই বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের বিকাশে গতি দেবে। এই রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা ঠিক হলে তবেই বিনিয়োগ আসবে। কিন্তু এখানে মাফিয়াদের ছাড় দিয়ে রাখা হয়েছে।’‌

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের তুমুল সমালোচনা করলেন। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের কোনও প্রকল্পের সমালোচনা করেননি প্রধানমন্ত্রী। এমনকী ক্ষমতায় এলে সেইসব প্রকল্প চালু থাকবে কিনা তা নিয়েও কোনও দাবি করেননি। বরং প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘‌পশ্চিমবঙ্গের অনেক সামর্থ্য রয়েছে। অনেক বড় বড় নদী রয়েছে। বিশাল উপকূলরেখা রয়েছে। উর্বর জমি রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলায় কিছু না কিছু বিশেষত্ব রয়েছে। এখানকার সাধারণ মানুষদের বুদ্ধি, প্রতিভা, সামর্থ্য রয়েছে। বিজেপি প্রত্যেক জেলা হিসাবে পরিকল্পনা তৈরি করবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট জেলার মানুষেরাই সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন।’‌

এছাড়া বঙ্গ–বিজেপির নেতারা সিঙ্গুরে টাটা কারখানা হওয়ার কথা চাউর করলেও তার ধারেকাছে ঘেঁষলেন না প্রধানমন্ত্রী। বরং এক জেলা, এক পণ্য নীতি নিয়ে স্বপ্নফেরি করলেন। যাতে আকৃষ্ট হলেন না হুগলি জেলার মানুষজন। কারণ সবই তো প্রতিশ্রুতি। নরেন্দ্র মোদির কথায়, ‘‌এখানে সব কিছুতে সিন্ডিকেট ট্যাক্স বসিয়ে রাখা হয়েছে। এই সিন্ডিকেট ট্যাক্স এবং মাফিয়াবাদকে বিজেপিই শেষ করবে। এটাই মোদির গ্যারান্টি। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এলে এই পরিস্থিতি বদলাবে।’‌

পাটক্ষেতে উদ্ধার মহিলার দেহ, গলায় লেগিংস জড়িয়ে খুনের অভিযোগ দিনহাটায়

ক্লাসরুমে ঢুকতে না পেরে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ প্রাথমিকের পড়ুয়াদের

টাকা দিতে না পারায় কিশোরীর পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে

‘আচমকা সিনেমা বাতিল, কখনও অভিনেতাদের ক্ষতির কথা ভেবেছেন?’ প্রযোজকদের প্রশ্ন রণবীরের

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মেসি কাণ্ডে হাজিরা এড়ালেন প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন বিরাট কোহলি

গ্রেফতার কলকাতার আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ মণ্ডল

বিডিও পদ থেকেই অপসারিত জাহাঙ্গির খান ঘনিষ্ঠ শানু বক্সি

সাতসকালে শওকতের বাড়িতে NIA হানা, আটক প্রাক্তন বিধায়কের ছেলে

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেইনির সঙ্গে বৈঠকে বসতে চান ডোনাল্ড ট্রাম্প

আওয়ামী লীগ পুনর্গঠনে ‘বোন’ রেহানার অনুসারীদের বাদ দিচ্ছেন শেখ হাসিনা

হুমায়ুন কবীরের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার, ক্ষুব্ধ নওদার বিধায়ক

আইপিএল জুড়ে দুহাতে আগলে রেখেছিলেন, চিনে নিন বৈভবের সেই ছায়াসঙ্গীকে

তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলর মহেশ কুমার শর্মা