মানুষের জনহিতকর প্রকল্পমুখী বাজেটই লক্ষ্য মমতার, কেন্দ্রের আর্থিক বঞ্চনার পরও থাকবে চমক

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: একের পর এক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা বন্ধ। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও বাংলায় চালু হয়নি ১০০ দিনের কাজ। এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের বকেয়া প্রায় ২ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকা। এই অঙ্ক রাজ্য বাজেটের প্রায় ৬০ শতাংশ। তার উপর জিএসটি’‌র নয়া নিয়ম চালু হওয়ায় চলতি অর্থবর্ষে এই খাতে ৪৯ হাজার ৭৭১ কোটি রাজস্ব আদায়ের টার্গেট পূরণ কার্যত অসম্ভব। এমন অবস্থায় ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে পেশ হতে চলেছে রাজ্য বাজেট। আর্থিক চাপ কাটিয়ে বিধানসভা নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী বাজেটে কি বড় কোনও চমক থাকবে? উঠছে প্রশ্ন। সূত্রের খবর, ঋণের বোঝা সামলে রাজ্যের নিজস্ব আয় বাড়িয়ে প্রকল্পমুখী বাজেটের দিকে অগ্রসর হচ্ছে নবান্ন।

এদিকে বিরোধী দল বিজেপি সমালোচনা করার জন্য মুখিয়ে আছে। তার উপর বিধানসভা নির্বাচন সামনে। এই দুটি পরিস্থিতিকে মোকাবিলা করতে জনহিতকর বাজেট করা হচ্ছে। অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘রাজ্যের একাধিক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের জেরে মানুষের হাতে নগদ অর্থের জোগান বেড়েছে। ফলে বৃদ্ধি পেয়েছে ক্রয় ক্ষমতা। না হলে রাজ্যের জিএসটি আদায় আরও বেশি ধাক্কা খেত।’‌ ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বাংলায় জিএসটি আদায় হয়েছে ৩৪ হাজার ৩৭৯ কোটি টাকা। যা গতবছর ছিল ৩৪ হাজার ২৬১ কোটি। সুতরাং জিএসটি বাবদ ৬০০ কোটি টাকা বকেয়া কেন্দ্র মেটালে তবেই চলতি আর্থিক বছর শেষে মোটামুটি ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে প্রাপ্ত ৪৬ হাজার ৭৮৩ কোটির কাছাকাছি পৌঁছনো সম্ভব হবে।

অন্যদিকে ভোটমুখী বাজেটে চমক থাকবে বলে সূত্রের খবর। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, সরকারি কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধি নিয়ে চমক থাকতে পারে। তবে সেটা কেমন চমক থাকবে তা এখনও জানা যায়নি। ৯৪টি সামাজিক প্রকল্প চালাতে বিপুল অর্থ খরচ হয়। রাজ্যের কোষাগারে যাতে আয় বাড়ে এবং খরচ সামাল দেওয়া যায় তার দিশাও অন্তর্বর্তী বাজেটে থাকবে বলে জানা গিয়েছে। মানুষের হাতে নগদ আয় বাড়াতে এবং কর্মসংস্থানের দিশাও এই বাজেটে উল্লেখ করা হবে। রাজস্ব ঘাটতি যাতে না হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখা হচ্ছে। হাতে রয়েছে আর প্রায় ২০ দিন আছে। তারপরই বিধানসভায় অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করা হবে বলে সূত্রের খবর।

এছাড়া গত অর্থবর্ষের (এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর) তুলনায় এবার ডিসেম্বর পর্যন্ত জমি–বাড়ি বিক্রি বাবদ রাজস্ব বৃদ্ধি পেয়েছে ১৬ শতাংশ। তাতে আদায় হয়েছে ৬ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে আবগারি বাবদ আয় হয়েছিল ১৯ হাজার ৪৫২ কোটি। ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত এই খাতে রাজস্ব দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৩২২ কোটি টাকা। যা গতবছর এমন সময় পর্যন্ত ছিল ১৪ হাজার ২৪২ কোটি। সুতরাং অর্থবর্ষের শেষে অন্তত ২১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা পর্যন্ত আবগারি রাজস্ব আদায় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আবার রাজ্যের আর্থিক উন্নয়নের উপর ভর করে বৃদ্ধি পেয়েছে বিদ্যুৎ, পেট্রলিয়াম, কয়লা–সহ অন্যান্য পণ্যের শুল্ক বাবদ রাজস্বও। এসব খাতে ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বলে সূত্রের খবর।

পহেলগাঁও হামলার পর প্রথমবার, পাকিস্তানের মাটিতে খেলতে যাচ্ছেন ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা

খাবারে বিষাক্ত রং ও পচা মাংসের থাবা, বাড়ছে ক্যানসার-অ্যালার্জির ঝুঁকি!

দেশে ফিরলে ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে হবে শেখ হাসিনাকে, জানালেন চিফ প্রসিকিউটর

বাংলার দিকে ধেয়ে আসছে বড় দুর্যোগ, আগামী ২৪ ঘন্টায় ভাসবে দক্ষিণবঙ্গ

‘Bigg Boss বাংলা’য় নজর কাড়ছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঞ্চালনা

দিল্লিতে ভেঙে পড়া মেসবাড়ির মালিকের স্ত্রী-পুত্র গ্রেফতার

৩৪৮ কেজি পঞ্চামৃত, ৩,০০০ কেজি ঘিয়ের মোদক, জয়পুরে শুরু হয়ে গেল গণেশ উৎসব

‘চলতি বছর থেকে দুর্গাপুজোর কার্নিভাল বন্ধ, অনুদান ১ লক্ষ টাকা,’ ঘোষণা করলেন শুভেন্দু

দিল্লিতে বহুতল ভেঙে পড়ে মৃত সাত, ২৭ ঘন্টা বাদে শেষ উদ্ধারকার্য

‘মহিলারা অপমানিত হলে….’, প্রেমিকা তৃষাকে আক্রমণ নিয়ে হুঁশিয়ারি বিজয়ের

পুজোর আগে দরাজ হস্ত শুভেন্দু, প্যারাটিচারদের বেতন বাড়ল ৫ হাজার টাকা

‘অষ্টমীতে গোটা রাজ্যেই মদের দোকান ও পানশালা বন্ধ,’ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

ফের রাজ্যে ভোটের বাদ্যি, পুজোর আগে দুই বিধানসভা আসনে উপ নির্বাচন

ডার্বির দিনেই টানা বৃষ্টিতে জলে ডুবল বারাসত, স্টেডিয়ামে পৌঁছানো নিয়ে চিন্তায় দর্শকরা