কড়া নজরদারি এবার রাজ্যের পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের আয়-ব্যয় সম্পত্তিতে

রাজ্যে দুর্নীতির ক্ষেত্রে Zero Tolerance নীতি নিয়ে এগোবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। আর সেই সূত্রেই নজরদারির আওতায় পঞ্চায়েত সদস্যরা।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) একাধিকবার জানিয়ে দিয়েছেন তাঁর সরকার রাজ্যে দুর্নীতির(Corruption) ক্ষেত্রে Zero Tolerance নীতি নিয়ে এগোবে। আর তাই এবার রাজ্যের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত(Three Tier Panchayat System) ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত নির্বাচিত প্রতিনিধিদের(Elected Representative) ওপর কড়া নজরদারি(Strict Vigilance) চালানো সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাঁর সরকার। গত বছর পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরে রাজ্যের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় নতুন করে দায়িত্বে এসেছেন প্রায় ৭৫ হাজার জনপ্রতিনিধি। এবার থেকে সেই সব জনপ্রতিনিধিদের প্রত্যেকের সম্পত্তির হিসেব থেকে শুরু করে পেশার বিবরণ, শিক্ষাগত যোগ্যতা মায় আয়-ব্যয়ের হিসাবও রাজ্যের কাছে রাখার প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। অর্থাৎ সরাসরি তাঁদের আর্থিক কার্যকলাপের ওপর নজরদারি চালাবে নবান্ন।

নবান্ন সূত্রের খবর, রাজ্যের ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থার একদম তৃণমূল স্তর বা গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রতিবছর বহু কোটি কোটি টাকার কাজ হয়। ওই খরচ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে গত কয়েক বছর ধরেই। আর সেই সব দুর্নীতির জেরে থমকে গিয়েছে রাজ্যে কেন্দ্রে সরকারের একাধিক প্রকল্পের টাকা আসার ঘটনা। পাশাপাশি এটাও দেখা গিয়েছে এই কয়েক বছরে যে, দুর্নীতির মিথ্যা অভিযোগ তুলে এবং অভিযোগের সত্য-মিথ্যা যাচাই না করেই তাতে নাম জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে পঞ্চায়েত সদস্যদের। তাতে সবচেয়ে বেশি বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে শাসক দলের জনপ্রতিনিধিদেরই। এই বিড়ম্বনা থেকে রেহাই দিতে আগে থেকে রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরের তরফে তাঁদের সম্পর্কিত তথ্যাদি নিয়ে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে রাজ্যের তথ্যভাণ্ডারে থাকা জনপ্রতিনিধিদের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের খতিয়ান প্রমাণ হিসেবেও তুলে ধরা যেতে পারে। আবার এই তথ্য হাতে থাকলে কোনও সদস্যের আয়বহির্ভূত সম্পত্তি আছে কি না, তা বুঝতেও পরে সমস্যা হবে না।  

জানা গিয়েছে, রাজ্যের ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত সঙ্গে জড়িত নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের তথ্য পাঠানোর জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম্যাট তৈরি করে দিয়েছে রাজ্য পঞ্চায়েত দফতর। সেটি পূরণ করে সম্প্রতি সরকারের কাছে জমা দিতে হয়েছে জেলা পরিষদের সভাধিপতি থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সমিতি এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রত্যেক সদস্যকে। আর এই ফর্মের ‘পেশা’ এবং ‘আয়-ব্যয়’ অংশে দু’টি তালিকা দেওয়া হয়েছে। একটি পেশার তালিকা এবং অপরটি বার্ষিক আয়ের তালিকা। পেশার তালিকায় রয়েছে কৃষিশ্রমিক থেকে শুরু করে স্কুলশিক্ষক এবং রাজনৈতিক কর্মীসহ মোট ১৩টি বিষয়। অন্যদিকে, বার্ষিক আয়ের ক্ষেত্রে ন্যূনতম অপশন রাখা হয়েছে ১০ হাজার টাকার নীচে এবং সর্বচ্চ ১ কোটি টাকা। অপশান বেছে নিয়ে ব্যক্তিগত ঘোষণা আকারেই জানাতে হবে নিজেদের বার্ষিক আয়। একই সঙ্গে শিক্ষাগত য্যেগ্যতা ছাড়াও ১৯৯৮ থেকে কোনও সময় তাঁরা নির্বাচিত হয়েছেন কি না এবং ২০২৩ সালে কোন রাজনৈতিক দলের হয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, সেটাও জানাতে হচ্ছে তাঁদের।

বিশ্বকাপের জন্য সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করল আফগানিস্তান, চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

জমি দুর্নীতি মামলায় ভবানী ভবনে হাজিরা দিলেন অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিত

হিমাচলে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনা, মৃত ৭, আহত একাধিক

ভারত থেকে এবার কয়েক টন কাঁদানে গ্যাস নিল তারেক সরকার, কী করতে চলেছে?

আজ ২২ শে শ্রাবণ বিশ্বকবির মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি মুখ্যমন্ত্রীর

সাতসকালে প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি, ইসলামপুরে গুরুতর জখম প্রধান শিক্ষক

এক বছর আগেই মৃত্যু, ঘরের ভেতর থেকে উদ্ধার মহিলার কঙ্কাল

নিম্নচাপের জেরে শনিতে ভাসবে বাংলা! হলুদ সতর্কতা জারি কলকাতায়

রাশিয়ার থেকে তেল কেনার শাস্তি! ভারতের উপর ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপাচ্ছে আমেরিকা

অতি সঙ্কটজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি মোজতবা খামেনি

রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশনে আত্মহত্যার চেষ্টা, ব্যাহত পরিষেবা

তোলাবাজি, দুর্নীতি-সহ একাধিক অভিযোগ, গ্রেফতার নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক

ইউপিআই বা অনলাইনে পেমেন্ট করলে অতিরিক্ত টাকা কাটবে? জানুন সত্যিটা

জমি দুর্নীতি মামলায় শনিতেই হাজিরা দিতে হবে সুমিতকে! সমন সিআইডির