চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

দেখা নেই শিক্ষকের, ক্লাসে কী করছে পড়ুয়ারা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সু্প্রিম রায়ে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-অশিক্ষককর্মীর চাকরি যাওয়ায় ধুঁকছে শিক্ষা ব্যবস্থা। স্কুলে পড়ুয়ারা এলেও, নেই শিক্ষকের দেখা। সময় পেড়িয়ে গেলেও ক্লাসে দেখা নেই শিক্ষকের। ব্ল্যাকবোর্ডটা পড়ে রয়েই ফাঁকাই। পড়ুয়া কোথাও নিজেদের মতো পড়ছে, কোথাও বা খেলে বেড়াচ্ছে। যে স্কুল বাড়িতে একসময় উঠত বীজগণিত, ত্রিকোনামিট্রির ফর্মুলার আওয়াজ, শোনা যেত আদিম যুগের মানুষের কথা থেকে বিভিন্ন সালতামামি। এখন সেখানে কিছুই শওনা যায়না।

রাজ্যের অনেক স্কুলেই এখন এই একই ছবি। তেমনই একটি স্কুল ঝাড়গ্রামের বিরিহান্ডি বিদ্যাপীঠ হাই স্কুল।এখানের একাদশ-দ্বাদশের ইতিহাসের শিক্ষক অনুপ হালদার, শিক্ষাবিজ্ঞানের বিমল সাহু এবং নবম-দশম শ্রেণির ভৌতবিজ্ঞানের শিক্ষক বিপ্লবকান্তি সীট এবং একজন শিক্ষাকর্মী উত্তম জানার চাকরি গিয়েছে। বিপ্লবকান্তি বাদে সবাই ঝাড়গ্রামে ভাড়াবাড়ি থেকে স্কুলে যেতেন। বৃহস্পতিবার রায় শোনার পর থেকে তাঁরা আর স্কুলমুখো হননি। যারফলে চরম বিপদে পড়েছে স্কুল। সময় অনুযায়ী ক্লাস পরিবর্তন ও ঘন্টা বাজানোর কাজ নিজে হাতেই করছেন প্রধান শিক্ষক।

পড়ুয়াদের বুঝতে পেরেছে শিক্ষক আসবেন না। তাই নিজেরাই নিজেদের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে পড়ুয়া। নিজেরাই রুটিন মেনটেন করে পড়াশোনা করছে। মাওবাদী অধ্যুষিত এই বিরিহান্ডি এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার একমাত্র ভরসা এই সরকারি স্কুলটি। শিক্ষকদের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পরে বিকল্প কোনও শিক্ষকেরও দেখা না পেয়ে ব্যাগ থেকে বই বের করে রুটিন অনুযায়ী পড়াশোনা শুরু করেছে পড়ুয়ারা। মাঝে সময় করে ক্লাসে এসে দেখে যাচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জয়কুমার মণ্ডল।

জানা গিয়েছে, স্কুলে শুধু আর্ট রয়েছে। সেখানে ২ আর্টস শিক্ষকেরই চাকরি চলে গিয়েছে। অন্য কোনও শিক্ষক দিয়ে সেই ক্লাস করানো যাচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেদের তৈরি করার জন্যই প্রস্তুত হয়েছে পড়ুয়ারা। সামনের বছরেই বড় পরীক্ষা-উচ্চমাধ্যমিক। তারমধ্যে এই ধরনের ঘটনা নিয়ে চিন্তিত একাধিক স্কুলের শিক্ষকরা।

স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ৩৮০জন। দু’জন পার্শ্বশিক্ষক–সহ মোট ১৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং গ্রুপ–সি, গ্রুপ–ডি ও কম্পিউটারের শিক্ষক একজন করে ছিলেন। চাকরি বাতিলের পরে শিক্ষক সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১২ জন এবং শিক্ষাকর্মীর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে দু’জনে। ফলে চাপ বাড়ছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথম দফার ভোটের আগে ঝড়ল রক্ত, বাম কর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

মঙ্গলে শহরে ইডির হানার সম্ভাবনা, টার্গেট দক্ষিণ কলকাতার হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থী!

কর্তব্যে গাফিলতি ও নিয়ম অমান্য করায় ভবানীপুরের তিন আধিকারিককে সাসপেন্ড কমিশনের

‘মিনি পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে থানা ঘেরাও বিজেপির, পুলিশের লাঠিচার্জে জখম প্রার্থী

‘জাহাজ বাড়ির মালিক’ সুফিয়ানের জামাই তথা নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেতা আটক, বিক্ষোভ তৃণমূলের

তৃণমূল এবং ‘আইপ্যাকের’ বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বিজেপি সাংসদের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ