চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ক্যানিংয়ে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল, নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য

নিজস্ব প্রতিনিধি: তিন তৃণমূল নেতা-কর্মীকে খুনের ঘটনায় ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার নিহত তৃণমূল নেতা-কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ক্যানিংয়ে যান তৃণমূলের এক প্রতিনিধি দল। সেই দলে ছিলেন মালা রায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শওকত মোল্লা এবং আরও ১০ জন। এদিন স্বজনহারানো পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করে কথা বলার পাশাপাশি ওই পরিবারগুলিকে আর্থিক সাহায্য করা হয় দলের তরফে।

শনিবার বেলা দেড়টা নাগাদ তৃণমূলের ১৩ জনের প্রতিনিধিদল ক্যানিংয়ের ধর্মতলা এলাকায় যান। ওই দলে তৃণমুলের চারজন সাংসদ, একজন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। ওই দলে ছিলেন মালা রায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শওকত মোল্লা-সহ আরও অনেকে। এদিন জোড়াফুল শিবিরের তরফে দলের নিহত নেতা কর্মীদের প্রত্যেক পরিবারকে ৪ লাখ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হয়েছে। স্বজনহারাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল।

ক্যানিংয়ের এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পেছনে বিজেপিকেই দায়ী করেছেন মালা রায়। তিনি বলেন, “বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা জড়িত। কিছু ধান্দাবাজ দলও যোগ দিয়েছে এই ঘটনা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আমরা শান্তির বাংলা গড়ার চেষ্টা করছি। তৃণমূল এসব বরদাস্ত করবে না। ৪ লক্ষ টাকা করে তিনটি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় নেতৃত্ব পরিবারগুলির পাশে আছে।’ পাশাপাশি সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এই বিষয়ে বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে। কড়া শাস্তি হবে দুষ্কৃতীদের। জনবিচ্ছিন্ন ভারতীয় জনতা পার্টি বাংলায় অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। উত্তরপ্রদেশ নয় এটা। ন্যায়বিচার পাবে পরিবার। পায়ের তলায় মাটি পাচ্ছে না বলে কাউকে কাউকে কাজে লাগিয়ে এসব করছে বিজেপি। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।’ ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লাও বিজেপিকে দায়ী করেছেন এই ঘটনায়। তিনি বলেন, ‘প্রথম দিন যা বলেছি আজও তাই বলছি। বিজেপি আশ্রিত সমাজবিরোধীরা এ কাজ করেছে। শুভেন্দু অধিকারীরা যেভাবে বাংলাকে উত্তরপ্রদেশ বা গুজরাট বানানোর চেষ্টা করছে, তা হবে না। মাটির তলায় গা ঢাকা দিলেও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে। কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। অভিযুক্তদের ফাঁসির দাবি জানাই।’

প্রসঙ্গত তৃণমূলের একুশে জুলাই কর্মসূচির জন্য গত বৃহস্পতিবার এক প্রস্তুতি সভায় যাওয়ার পথে খুন হন পঞ্চায়েত সদস্য স্বপন মাঝি এবং দুই তৃণমূল কর্মী ঝন্টু হালদার ও ভূতনাথ প্রামানিক। সেই ঘটনার তদন্ত করতে রাজ্যের তরফে শুক্রবার পাঁচ সদস্যের সিট (SIT) গঠন করা হয়। তদন্তে নেমে শুক্রবার রাতেই এই ঘটনায় জরিত থাকার সন্দেহে একজনকে গ্রেফতার করেছে তদন্তকারীরা।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথম দফার ভোটের আগে ঝড়ল রক্ত, বাম কর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

মঙ্গলে শহরে ইডির হানার সম্ভাবনা, টার্গেট দক্ষিণ কলকাতার হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থী!

কর্তব্যে গাফিলতি ও নিয়ম অমান্য করায় ভবানীপুরের তিন আধিকারিককে সাসপেন্ড কমিশনের

‘মিনি পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে থানা ঘেরাও বিজেপির, পুলিশের লাঠিচার্জে জখম প্রার্থী

‘জাহাজ বাড়ির মালিক’ সুফিয়ানের জামাই তথা নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেতা আটক, বিক্ষোভ তৃণমূলের

তৃণমূল এবং ‘আইপ্যাকের’ বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বিজেপি সাংসদের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ