আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে ফারাক কী?‌ আলিপুরদুয়ারের সভা থেকে ব্যাখ্যা দিলেন অভিষেক

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিজেপি এখানে বারবার জিতেছে। কিন্তু মানুষের কথা মনে রাখেনি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস এই আলিপুরদুয়ারে হেরেছে। তারপরও উন্নয়ন থেমে থাকেনি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় হেরেছিল। তাই মানুষের হকের টাকা বন্ধ করে দিয়েছিল। এটাই বিজেপির সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্থক্য। তাই এবার নিজেদের অধিকার বুঝে ভোট দিন। কারণ বিজেপি কারও ভাল করে না। এভাবেই আজ, শুক্রবার আলিপুরদুয়ারের সভা থেকে জনগণকে পার্থক্য বোঝালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যা শুনে করতালি দিয়ে সমর্থন করেন জনগণ।

এদিকে এসআইআর থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে সুর চড়ান তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ। বিজেপি কোনও কাজ করেনি বলে সোচ্চার হন তিনি। ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ বলেন, ‘‌আমি যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সব পূরণ করব। যে কথা আমি বলি, আমৃত্যু সেই কথা রাখার চেষ্টা করি। এখানকার সাংসদ, বিধায়ক বিজেপি। তাঁরা ২০১৯ সালেও ছিল। আপনাদের অধিকার দিয়েছে। চা–বাগান নিয়ে প্রতিশ্রুতিও রাখেনি। খোদ প্রধানমন্ত্রী এসে এখানে যে কথা বলে গিয়েছিল সে কথা রাখেননি। তাহলে কেন ওদের ভোট দেবেন?‌ এসবের জবাব কি আলিপুরদুয়ার দেবে না?‌ এবার নিজের অধিকার বুঝে তৃণমূলকে ভোট দিন।’‌

অন্যদিকে এসআইআর থেকে নোটবন্দি সবসময় মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়েছে বিজেপি। এবারও যদি ওদের ভোট দেওয়া হয় তাহলে আবার লাইনে দাঁড় করিয়ে দেবে বলে দাবি করেন অভিষেক। তাই অভিষেকের বক্তব্য, ‘‌এই মোদি সরকার নতুন স্বপ্ন দেখিয়ে ১০ বছর আগে সকলকে লাইনে দাঁড় করিয়েছিলেন। দেখা গেল কালো ধন আরও বেড়ে গেল। ১০ বছর পর আবার মানুষকে লাইনে দাঁড় করালেন। আগে জনতা সরকার গড়তেন। এখন সরকার ঠিক করছে ভোটার কে হবেন। বিজেপির সাংসদ এবং সাপ একই জিনিস। বাড়ির পিছনে একটা, দুটো সাপ ছেড়ে দিন। সাপ সাপই থাকে। আপনার দুধ–কলা খেয়ে আপনাকেই ছোবল মারবে। তাই এবার সাপ পুষবেন না। এবার তৃণমূলকে সুযোগ দিন। যদি আপনাদের জন্য কাজ করতে না পারি, পরের বারই সরিয়ে দেবেন।’‌

এছাড়া বিপদের দিনে তৃণমূল পাশে থাকে মানুষের বলে তা মনে করিয়ে দেন অভিষেক। আর কেমন করে ভোট দিতে হবে তাও বাতলে দেন। অভিষেকের কথায়, ‘‌উত্তরবঙ্গে বন্যার সময়ে বিজেপির কে এসেছিলেন? দিদি এসেছিলেন। বাড়ি করেছেন, সেতু করেছেন। এবার ভোট আসছে। আবার বিজেপির নেতারা আসবেন। যখন কোনও ভোট ছিল না, তখনও মালবাজারে এসেছি। ২০২২ সালে তো ভোট ছিল না। আমরা এসেছিলাম, কারণ রাজনীতি শুধু ভোটের সময়ের জন্য নয়। জনসেবা করতে এসেছি যখন ২৪ ঘণ্টা থাকতে হবে। বিজেপির নেতারা এবার বাড়ি গেলে বলবেন আপনাদের ভোট দেবো। আর ভোটের দিন তৃণমূলকে ভোট দেবেন। তাহলেই ম্যাজিক দেখতে পাবেন জ্ঞানেশ কুমার।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

গরম থেকে বাঁচাতে ঝাড়গ্রাম চিড়িয়াখানার পশু-পাখিদের মেনুতে এবার গুড়জল ও তরমুজ

বিয়েবাড়িতে জনসংযোগে সামিম, মিষ্টিমুখে জমল আসর

আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়, কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় কালবৈশাখীর পূর্বাভাস

ভোট প্রচারে চাষিদের সঙ্গে ধান ঝাড়লেন তৃণমূল প্রার্থী স্বপন দেবনাথ

ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে কালীঘাট থানার ওসি এবং অতিরিক্ত ওসিকে সরিয়ে দিল কমিশন

ভবানীপুরে শুভেন্দুর সভার মাইকের আওয়াজে নির্বাচনী জনসভা না করে ফিরে গেলেন ক্ষুব্ধ মমতা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ