চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

মমতাকে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় আক্রমণ, হিমন্ত বিশ্বশর্মার বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলের

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ হাতে আর চারদিন। তারপরই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন শুরু হয়ে যাবে। প্রথম দফার ভোট পর্ব ২৩ এপ্রিল। এই আবহে বাংলায় প্রচারের পারদ চড়ছে চরমে। তার মধ্যে এবার অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস। কারণ কোচবিহারের এক জনসভায় তাঁর করা কিছু মন্তব্যকে ‘সাম্প্রদায়িক’ এবং ‘উসকানিমূলক’ আখ্যা দিয়ে নির্বাচন কমিশনে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ঘাসফুল শিবির। বিজেপি নেতাদের মুখ থেকে প্রায়ই হুমকি, কুরুচিপূর্ণ ভাষা এবং বদলা নেওয়ার কথা শোনা গিয়েছে। যা নিয়ে বিতর্ক চরমে উঠেছে।

এদিকে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে হিমন্ত বিশ্বশর্মা একজন নির্বাচিত মহিলা মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে যে ভাষা ব্যবহার করেছেন তা নিয়েই নির্বাচন কমিশনে নালিশ ঠুকেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে একটি চিঠি লিখে নালিশ ঠুকেছেন। ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৬ এপ্রিল কোচবিহারের সভায় হিমন্ত বিশ্বশর্মা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কুরুচিকর ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন। নির্বাচন কমিশনের কাছে করা অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, হিমন্ত বিশ্বশর্মা তাঁর বক্তৃতায় অত্যন্ত সুচারুভাবে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের চেষ্টা করেছেন।

অন্যদিকে ডেরেক ও’ব্রায়েনের চিঠিতে হিমন্তের বিতর্কিত কথাগুলি তুলে ধরা হয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ অনুযায়ী, হিমন্ত বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পাচ্ছেন যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় গোমাংস নিষিদ্ধ হবে। ধুবড়িতে ইদের সময় কিছু মানুষ গোমাংস খেয়ে হিন্দুদের দরজায় ফেলেছিল, যার ফলে তিনি তাদের ‘গুলি করার’ নির্দেশ দিয়েছিলেন। বাংলার হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় পরিকল্পিতভাবে গোমাংসের দোকান খোলা এবং চোরাচালান করা হচ্ছে। এই বক্তব্য আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের পাশাপাশি ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারা এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১ (আরপিএ)–র বিরোধী। এই ধরনের বক্তব্য সমাজে ঘৃণা ছড়ায় এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করতে পারে।

এছাড়া নির্বাচন কমিশনের কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হিমন্ত বিশ্বশর্মা এবং বিজেপিকে অবিলম্বে শোকজ নোটিশ পাঠাতে হবে। তাঁর উসকানিমূলক মন্তব্যের জন্য দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। পুলিশকে নির্দেশ দিয়ে অবিলম্বে এফআইআর দায়ের করার ব্যবস্থা করতে হবে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে হিন্দু–মুসলিম মেরুকরণের ইস্যুকে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করতে চাইছে বিজেপি। আর সেটাকেই পাল্টা আইনি মোকাবিলায় বিঁধতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। এখন নির্বাচন কমিশন অসমের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেয় সেটাই দেখার।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

মহিষাদলে সকলকে বের করে দিয়ে, ৯০ ঊর্ধ্ব বৃদ্ধের ভোট করানোর প্রতিবাদে জওয়ানদের ঘিরে বিক্ষোভ

রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীর বাড়িতে আয়কর হানা বেআইনি, চিঠি নির্বাচন কমিশনে

প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনের দিন গোটা বঙ্গে অস্বস্তিকর গরম থাকবে

খালি সিলিন্ডার কাঁধে নিয়ে প্রচার, গ‍্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সরব বসিরহাট উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী

‘‌বিজেপির পরিবারের লোকজন এখানে অবজার্ভার’‌, সোনারপুর থেকে তোপ মমতার

ইউপিতে বুলডোজার শুধু রাস্তা বানায় না,মাফিয়াদেরকেও চাপা দেয়, ধুপগুড়িতে মন্তব্য যোগী আদিত্যনাথের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ