দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বাংলায় ‘ভোটে লড়াই করার মতো সংগঠন বিজেপির নেই’, স্বীকার শমীকের

Courtesy - Facebook and Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলার বুকে আবারও লজ্জাজনক হারের মুখে দাঁড়ালো বিজেপি। উপনির্বাচনে রাজ্যের ৪টি আসনেই যে তাঁরা হেরেছেন এটাই নয়, একুশের ভোটে নিজেদের জেতা ৩টি আসনও হেরে বসে আছেন। আর সেই হারের পরে কলকাতার ঠান্ডা ঘরে বসে সাংবাদিক বৈঠকে বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র তথা দলের রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য(Shamik Bhattacharya) স্বীকার করে নিলেন যে, বাংলায় ভোটে লড়াই করার মতো সংগঠন বিজেপির নেই। তাঁর সেই স্বীকারোক্তির পরে বঙ্গ বিজেপিতে(Bengal BJP) কার্যত প্রশ্নের মুখে পড়ে গেলেন সুকান্ত মজুমদার(Sukanta Majumdar) ও শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikari)। কেননা এখন প্রশ্ন উঠে গিয়েছে, দুইজন বিগত আড়াই বছর ধরে কী করলেন যে বিজেপিকে উপনির্বাচনের হারের পরে স্বীকার করে নিতে হচ্ছে যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তাঁর লড়াই করার মতো সাংগঠনিক ক্ষমতা নেই!

এদিন কী বলেছেন শমীক? শনিবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে শমীক ভট্টাচার্য জানান, ‘এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে শাসকদলের বিরুদ্ধে ভোটে লড়াই করার মতো সংগঠন বিজেপির নেই। এটা অস্বীকার করতে আমাদের লজ্জা নেই। আমরা পারিনি সে ধরনের সংগঠন তৈরি করতে – এটা আমাদের ব্যর্থতা। বাগদা আর রানাঘাট দক্ষিণে মানুষকে জোর করে, ভয় দেখিয়ে শাসকের পক্ষে ভোট দেওয়ানো হয়েছে। আজকের সময় ভোটের সংগঠন বলতে যেটা বোঝায় সেটা আমরা তৈরি করতে পারিনি। বোমা-পিস্তলের পালটা তো বোমা, লাঠিতে হয় না। তবে এগুলোকে প্রতিহত করার জন্য যে ধরনের সংগঠন দরকার সেটা আমরা তৈরি করতে পারিনি। যেভাবে সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে ভোট হয়েছে বা ভোট হয় বাংলায়, সেটা বুঝতে হবে। এধরনের ফল দলগতভাবে আমাদের প্রত্যাশিত ছিল।’

ঘটনা হচ্ছে বাংলার ৪ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে হারের পরে রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্ব আরও কমে গেল পদ্মশিবিরের। এই উপনির্বাচনে বিজেপির হারের অন্যতম কারণ হল, দলের অন্দরে আদি নেতা, কর্মীদের বাদ দিয়ে নব্যদের বাড়তি সুযোগ দেওয়া। তার ফলে প্রবল গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে এবং কর্মীরা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। দূর থেকে সবাই আছে দেখালেও আসলে কাজ করার লোক নেই। তাই বহু বুথে এজেন্ট দিতে পারেনি। লোকসভা নির্বাচনে আসন কমে যাওয়ার পরেও এই উপনির্বাচনে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বকে সেভাবে কোনও উদ্যোগই নিতে দেখা যায়নি রায়গঞ্জ, রানাঘাট দক্ষিণ আর বাগদা ধরে রাখার জন্য। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঔদ্ধত্য। যা মানুষ মেনে নেয়নি। মিথ্যে প্রতিশ্রুতি ধরে ফেলেছেন মানুষজন। আর সব জায়গাতেই প্রকট হয়েছে সাংগঠনিক দুর্বলতা যা স্বীকার করে নিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘‌বাংলায় বিজেপির জেতার কোনও ক্ষমতা নেই’‌, শহরের সন্ধ্যায় তোপ মমতার

রাতের শহরে নজরদারিতে আইপিএস অফিসাররা, ভোট মরশুমে কলকাতা পুলিশের কড়াকড়ি

প্রথম দফায় মহিলা ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এফেক্ট বিশ্বাস তৃণমূলের

পুলিশ পর্যবেক্ষকদের নিরপেক্ষতা নেই, নির্বাচন কমিশনে কড়া নালিশ ঠুকল তৃণমূল

‘ছাত্র আন্দোলন কখনও গণতন্ত্রের বিরোধী হতে পারে না’, যাদবপুর নিয়ে মোদিকে তোপ মমতার

ভোটার নন, তবু ভোটের কাজে! সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ বাংলার ৬৫ ভোটকর্মী

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ