চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

প্রায় ৫ হাজার স্কুলে প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকা পদ পূরণ করতে চলেছে রাজ্য

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্য(Bengal) জুড়ে প্রায় ৫ হাজার সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলগুলিতে প্রধান শিক্ষক এবং শিক্ষিকা(Head Master and Head Mistress Recruitment) পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার। রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর(School Education Department) সূত্রে খবর, বিভিন্ন স্কুলে প্রধান শিক্ষক এবং শিক্ষিকা পদে প্রায় ৫ হাজার শূন্যপদ(5 Thousand Vacant Post) রয়েছে৷ সেই সমস্ত শূন্যস্থানে নিয়োগ করা হবে। প্রধান শিক্ষক পদে কাউকে নিয়োগের জন্য যে সব বিধি থাকবে সেগুলি চূড়ান্ত করে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে অনুমোদনের জন্য। আগামী মঙ্গলবার রাজ্য বিধানসভা ভবনে মুখ্যমন্ত্রীর কক্ষে বসতে চলেছে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক। সেখানেই এই বিধি অনুমোদন করা হবে বলেই নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। এই নিয়োগের জন্য হবে লিখিত পরীক্ষা। তাতে OMR Sheet-এ পরীক্ষা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে যাতে নিয়োগ সংক্রান্ত কোনও দুর্নীতি পরবর্তীকালে মাথা তুলতে না পারে তার জন্য ওই সব OMR Sheet সংরক্ষণ করাও থাকবে। মুখ্যমন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদন এলেই রাজ্য মন্ত্রিসভায় পেশ হবে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিধি।

বিকাশ ভবন সূত্রের খবর, সরকার ও সরকার পোষিত স্কুল মিলিয়ে প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকার মোট শূন্য পদ রয়েছে প্রায় ৪৫০০ মতো। প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকা নিয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণও চালু করা হচ্ছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফ থেকে। এর আগে রাজ্যে ২০১৭ সালে শেষবার স্কুলে স্কুলে প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। সেই বিজ্ঞপ্তি মেনে নিয়োগ হয়েছিল ২০১৯ সালে। কিন্তু সেই নিয়োগ নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি ও স্বজন পোষণের অভিযোগ সামনে আসে। তারপর প্রায় দীর্ঘ ৬ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের বেশিরভাগ স্কুলি প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকা বিহীন। Advanced Society for Headmasters and Headmistresses’র দাবি সারা রাজ্যে প্রায় ৫০ শতাংশের বেশি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক- শিক্ষিকা নেই। আগেই জানা গিয়েছিল যে, এবারে স্কুলে স্কুলে প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ও আইনি জটিলতা যাতে তৈরি না হয়, তাই পরীক্ষার নিয়মেও একাধিক পরিবর্তন আনতে চলেছে সরকার। সূত্রের খবর, এ বছর প্রথম সংরক্ষণ চালু করা হচ্ছে প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকা নিয়োগের ক্ষেত্রে। সেই সঙ্গে ওএমআর শিটে পরীক্ষা হবে।

পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রের কার্বন কপিও দেওয়া হবে। লিখিত পরীক্ষা ও শিক্ষাগত যোগ্যতার ফলাফল মিলিয়ে ফল প্রকাশ করা হবে। মেরিট লিস্টেও একই ভাবে সেই নম্বর দেওয়া থাকবে। বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষকদের বক্তব্য, প্রধান শিক্ষক বা শিক্ষিকা নিয়োগ থমকে থাকায় বহু স্কুলই অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে স্কুলগুলি। তবে প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকার নিয়োগ হলে শিক্ষক নিয়োগের শূন্য আসনবৃদ্ধি পাবে এবং সেখানেও যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা কাজের সুযোগ পাবেন বলে মনে করছেন একাধিক স্কুলের শিক্ষকেরা। রাজ্যে এমন বহু স্কুল রয়েছে যেখানে প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকা নেই। তার ফলে স্কুল পরিচালনায় নানান জটিলতা তৈরি হচ্ছে। সরকার ৬ বছর বাদে নিয়োগ করতে চলেছে। কিন্তু এই নিয়োগ নিয়মিত ভাবে চললে শিক্ষক আসন ফাঁকা হবে। সেখানেও যোগ্য চাকরি প্রার্থীরা নিয়োগ পাবেন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

আগামী ২-৩ ঘন্টায় ৭০ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, জেলায় জেলায় হবে শিলাবৃষ্টি

ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের, নিষ্পত্তি হওয়া নাম তুলতে হবে ভোটার তালিকায়

খাস কলকাতায় সিপিএমে ভাঙন, নির্বাচনের প্রাক্কালে একঝাঁক যুবনেতার যোগ তৃণমূলে

সল্টলেকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ডিভাইডারে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে-মুচড়ে গেল গাড়ি, আহত ৪

‘‌বাংলায় আপনাদের মেয়াদ আর ঠিক ১৯ দিন’‌, বিজেপি–নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে নালিশ তৃণমূলের, কড়া চিঠি পেশ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ