রোষের আগুনে পুড়ে ছাই বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়ি, ধ্বংসস্তুপের মধ্যে পড়ে ৪ কঙ্কাল

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: পাকিস্তানের দাসত্ব থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্ত করেছিলেন তিনি। ছিনিয়ে এনেছিলেন স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সূতিকাগার হিসাবেই গোটা বিশ্বের কাছে পরিচিত ছিল ঢাকার ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ি। সোমবার মুক্তিযুদ্ধের সেই সূতিকাগারই জনরোষে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। শুধু কঙ্কালসার চেহারা নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে কিছু রড আর কংক্রিট। শুধু তাই নয়, মঙ্গলবার ধ্বংসস্তুপের ভিতর থেকে উদ্ধার হয়েছে চার জনের কঙ্কাল। সোমবারের আগুনের লেলিহান শিখা তাদের পুড়িয়ে ছাই করে দিয়েছে। কারা তারা, তা চেনার কোনও উপায় নেই।

ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন জানিয়েছেন, ১৯৬১ সালের ১ অক্টোবর থেকে শেখ মুজিব ধানমন্ডির এই বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। এই বাড়িতে থেকেই পাকিস্তানবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ৬২ সালের আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ৬৬ সালের দফা, ১৯৭০ সালের নির্বাচন, একাত্তরের শুরুতে অসহযোগ আন্দোলন, নানা চড়াই-উতরাইয়ের সাক্ষী এই বাড়ি। ১৯৭৫ সালের অগস্টের কাল রাত্রিতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতেই পাকিস্তান ও আমেরিকার মদতপুষ্ঠ সেনা আধিকারিকদের হাতে নৃশংসভাবে সপরিবারে খুন হতে হয়েছিল বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। দোতলায় ওঠার সিঁড়িতে লেগেছিল রক্তের দাগ। দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল ওই বাড়ি। আশির দশকে দেশে ফিরে এসে বাবার ভিটে উদ্ধার করেছিলেন কন্যা শেখ হাসিনা। গড়ে তুলেছিলেন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর। ওই স্মৃতি জাদুঘরে পা পড়েছিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের। এমনকি গোটা বিশ্বের বাঙালিরাও ছুটে আসতেন ধানমন্ডির বাড়িতে। দেশকে স্বাধীন করার জন্য বঙ্গবন্ধুকে কৃতজ্ঞতা জানাতে।

গত ১৫ বছর ধরে প্রতিদিন ওই বাড়ি দর্শনার্থীদের ভিড়ে গমগম করত। কিন্তু সোমবার বিকেলে মুক্তিযুদ্ধের সূতিকাগারেই আগুন ধরায় বিএনপি ও জামায়েতের সন্ত্রাসীরা। তার পরে শুরু হয় পৈশাচিক উল্লাস। নিমিষেই দাউদাউ করে করে জ্বলতে থাকে গোটা বাড়ি। পুড়ে নিমিষেই ছাইয়ে পরিণত হয় ভিতরে থাকা বঙ্গবন্ধু পরিবারের স্মৃতি বিজড়িত নানা জিনিস। এদিন সকালে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হওয়া জাতির জনকের বাড়ি দেখতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ভিড় জমিয়েছেন। বাড়ির সামনের একপাশে পড়ে রয়েছে আগুনে ঝলসে যাওয়া চারটি মানবদেহের কঙ্কাল।

রাম মন্দিরের চাঁদা চুরি কাণ্ডে আটজনের নামে এফআইআর, পুলিশের জালে দুই

তারাতলাকাণ্ডে ফিরহাদের ‘ঘনিষ্ঠ’ কালীকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ

শুক্রবার সকালে চিনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন তারেক রহমান

বাংলাতেও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, সোমে বিধানসভায় আসছে বিল

বজ্রপাত হলে কী করবেন, কী করবেন না? সামান্য অসাবধানতায় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা

কলকাতার রাস্তায় বেহালা বাজিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই, অশীতিপর বৃদ্ধের পাশে আনন্দ মাহিন্দ্রা

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিকর মন্তব্য, তমলুকে গ্রেফতার যুবক

সাবধান, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ধেয়ে আসছে প্রবল দুর্যোগ! জারি কমলা সতর্কতা

জোড়া ভূমিকম্পে তছনছ ভেনিজুয়েলা, ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

২২ মাস পর ২৮ জুন থেকে বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালু করছে দিল্লি

রাম মন্দিরে জমা পড়া অনুদানের হিসেব চাইল PMO, দিতে অস্বীকার ট্রাস্টের

আর জি কর কাণ্ড: ‘তদন্তের অগ্রগতি হয়নি,’ সিবিআই-য়ের উপর ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্ট

বুধে তারাতলার অভিশপ্ত এলাকায় জল দিতে যাননি, বরাত জোরে রক্ষা পেয়েছেন নীলা দেবী

অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকের আগে ইনস্টায় বায়ো পরিবর্তন শ্রেয়সের, দিলেন কোন বার্তা?