কলকাতার রাস্তায় বেহালা বাজিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই, অশীতিপর বৃদ্ধের পাশে আনন্দ মাহিন্দ্রা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বেঁচে থাকাটাই মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় লড়াই। আর সেই লড়াই যখন বয়সের ভার, একাকীত্ব আর অভাবের সঙ্গে মিশে যায়, তখন সেটা হৃদয়বিদারক হয়ে ওঠে। ৮০ বছর বয়সেও জীবনযুদ্ধ থামেনি এক বৃদ্ধের। যে বয়সে বিশ্রাম নেওয়ার কথা, নাতি-নাতনিদের সঙ্গে সময় কাটানোর কথা, সেই বয়সে পেটের দায়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে বেহালা বাজাতে হচ্ছে ভগবান মল্লিককে। তাঁর গল্প এখন সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। তাঁকে সাহায্য করতে চেয়েছেন শিল্পপতি আনন্দ মাহিন্দ্রা। 

হাতে বেহালা নিয়ে কলকাতার রাস্তায় দাঁড়িয়ে গান গাইছেন প্রশংসার জন্য নয়, বরং বেঁচে থাকার জন্য।  কাঁপা হাতে বেহালার তারে সুর তোলেন বৃদ্ধ। তাঁর শরীরে বয়সের ছাপ স্পষ্ট, মুখে গভীর বলিরেখা, তবুও সুরের মধ্যে লুকিয়ে থাকে অদম্য বেঁচে থাকার ইচ্ছা। পথচলতি মানুষ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে তাঁর সুর শোনেন, কেউ প্রশংসা করেন, কেউ আবার দুঃখ প্রকাশ করেন । তাঁর বেহালার সুর অনেকের মন ছুঁয়ে গেলেও সেই সুরের আড়ালে লুকিয়ে  রয়েছে কঠিন বাস্তব।  শিল্পচর্চার আনন্দ নয়, দু’মুঠো খাবারের সংস্থানই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন। প্রতিদিন সামান্য কিছু অর্থের আশায় তিনি রাস্তায় দাঁড়ান, কারণ অন্য কোনও উপায় তাঁর সামনে খোলা নেই। ভগবান মল্লিকের এই দুঃখ নাড়িয়ে দিয়েছে শিল্পপতি আনন্দ মাহিন্দ্রা সহ সমাজ মাধ্যমের বহু মানুষকে। বৃদ্ধের  জীবন নিয়ে তৈরি একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর আনন্দ মাহিন্দ্রা  তাঁর পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে  এসেছেন। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে ভিডিওটি শেয়ার করে বলেছেন, “আমি আরও অনেকের সঙ্গে অবদান রাখতে চাই, যারা তার আবেগ দেখে অনুপ্রাণিত হবে বলে আমি জানি। ভিডিওটি কোন জায়গার সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।’

 

মাহিন্দ্রার পোস্টটির উত্তরে সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীরা ভগবান মল্লিকের বিবরণ শেয়ার করেন। কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আরাধনা চট্টোপাধ্যায় মে মাসে মল্লিকের জীবন সংগ্রামের গল্পটি শেয়ার করার মাধ্যমে প্রথম  তিনি সকলের নজরে আসেন নিজের ভিডিওতে আরাধনা বলেছেন যে, ভগবান মল্লিক শৈশবে তাঁর বাবা-মাকে হারান এবং বাবার কাছ থেকে বেহালা বাজানো শেখেন। বাবার মৃত্যুর পর, সঙ্গীত তাঁর কাছে শুধু একটি আবেগই ছিল না, এটি তাঁর বেঁচে থাকার উপায় হয়ে ওঠে।  ছোট থেকেই তিনি রাস্তায় বেহালা বাজিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেছেন। ক্ষীণ দৃষ্টিশক্তি এবং ভেঙে পড়ার মতো জীর্ণ বেহালা সত্ত্বেও, ৮০ বছর বয়সেও মল্লিক  তাঁর বেহালা বাজানো বন্ধ করেননি।  তিনি দিনে মাত্র ১০০ টাকা আয় করেন এবং স্ত্রীর সঙ্গে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকেন।  আরাধনা তাঁর লিখেছেন, এই  বৃদ্ধকে সাধারণত বিকেল ৫টা থেকে রাত ১১টার মধ্যে নিউ টাউন বাস স্ট্যান্ড, ডিএলএফ সাবওয়ে এবং নিউ টাউন আর্ট স্ট্রিটের কাছে পাওয়া যেত। ১ জুন শেয়ার করা একটি আপডেটে আরাধনা জানান, তিনি ভগবান মল্লিককে একটি নতুন বেহালা উপহার দিয়েছেন এবং তাঁর জন্য ১ লক্ষ টাকা সংগ্রহ করেছেন। 

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিকর মন্তব্য, তমলুকে গ্রেফতার যুবক

সাবধান, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ধেয়ে আসছে প্রবল দুর্যোগ! জারি কমলা সতর্কতা

শনি-রবিবার ট্রেনে যাত্রার পরিকল্পনা? শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় বাতিল একাধিক লোকাল, দেখে নিন তালিকা

আর জি কর কাণ্ড: ‘তদন্তের অগ্রগতি হয়নি,’ সিবিআই-য়ের উপর ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্ট

রেজিস্টার খাতা থেকে বেপাত্তা শ্রমিকদের নাম! তারাতলা কাণ্ডের তদন্তে নেমে তাজ্জব সিটের সদস্যরা

জোড়া ভূমিকম্পে তছনছ ভেনিজুয়েলা, ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

‘কাটমানি’র অভিযোগে তৃণমূল নেতাকে জুতোর মালা পরিয়ে বিক্ষোভ

বুধে তারাতলার অভিশপ্ত এলাকায় জল দিতে যাননি, বরাত জোরে রক্ষা পেয়েছেন নীলা দেবী

২২ মাস পর ২৮ জুন থেকে বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালু করছে দিল্লি

রাম মন্দিরে জমা পড়া অনুদানের হিসেব চাইল PMO, দিতে অস্বীকার ট্রাস্টের

তারাতলা দুর্ঘটনায় মৃত-আহতদের পরিবারের পাশে কেন্দ্র, আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকের আগে ইনস্টায় বায়ো পরিবর্তন শ্রেয়সের, দিলেন কোন বার্তা?

কলকাতা হাইকোর্টে দৌড়েও স্বস্তি পেলেন না অভিষেকের আপ্তসহায়ক

মোথাবাড়ি কাণ্ডে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা