শুক্র রাতে দীর্ঘ বৈঠকে মমতা-অভিষেক, কৌতুহল তৃণমূলে

আর জি কর কাণ্ডের জেরে রাজ্যে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে শুক্রবার রাতে বৈঠকে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: দীর্ঘদিন বাদে এক দীর্ঘ বৈঠক সারলেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের(TMC) সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee)। তৃণমূল সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে দুইজনে বৈঠকে বসেছিলেন আর জি কর কাণ্ডের(R G Kar Incident) জেরে রাজ্যে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে। বৈঠকের নির্যাস এটাই, যে সব বিষয়ে দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক ‘শীতল’ হয়ে পড়েছিল, অল্প সময়ের মধ্যেই সেগুলি সম্পর্কে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্তরে সিদ্ধান্ত নেবে তৃণমূল কংগ্রেস। এই সূত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রদবদলের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কার্যত শুক্রবার রাতে আচমকাই কালীঘাটে বৈঠকে বসেন মমতা ও অভিষেক। সূত্রের খবর, সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় অভিষেক তাঁর মত সবিস্তার জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রীকে। মমতাও আশু কর্তব্যের বিষয়গুলি নিয়ে কথা বলেছেন তাঁর সঙ্গে। দলের এক নেতার কথায়, ‘এই আলোচনা দল তো বটেই, প্রশাসনের জন্যও ইতিবাচক।’

আরও পড়ুন, রাজ্যের মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রের ৩৭ হাজার শিক্ষক এলেন EPF’র আওতায়

রাজনৈতিক উত্তাপ তো বটেই, চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় নাগরিক সমাজের ক্ষোভের মুখেও সরকার ও দল নিয়ে বেশ খানিকটা ‘নিস্পৃহ’ই ছিলেন অভিষেক। শুধু তা-ই নয়, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় গোড়া থেকেই পুলিশ ও প্রশাসনের কিছু ‘ভুল’ পদক্ষেপ নিয়ে দলের অন্দরে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। পাশাপাশি, এই রকম সময়ে তাঁর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিলেন দলেরই একাংশ। নানা চর্চা দানা বাঁধছিল তৃণমূলে। নেতৃত্বের একাংশ মনে করছিলেন, সাংগঠনিক প্রধান হিসেবে অভিষেকের এই ভূমিকা পরিস্থিতি আরও প্রতিকূল করে দিয়েছে। গত ১৪ অগস্ট আর জি কর হাসপাতালে তাণ্ডবের রাতে পুলিশি হস্তক্ষেপ ও দলমত নির্বিশেষে গ্রেফতারির দাবি করে বার্তা দিয়েছিলেন অভিষেক। তার পরে চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণ নিয়ে প্রশাসনের নানা পদক্ষেপে দলের অন্দরে নিজের অসন্তোষও স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে আগের দু’-এক বারের মতো এ বারেও ‘সরে’ ছিলেন অভিষেক। এই ‘সঙ্কটে’র সময়ে তাঁর ওই ‘নিষ্ক্রিয়তা’ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে নেতৃত্বের তরফে একাধিক বার্তাও গিয়েছে তাঁর কাছে।

আরও পড়ুন, মিলে গিয়েছে DNA, সঞ্জয় একাই ধর্ষণ করেছে মহিলা চিকিৎসককে

দলীয় সূত্রের খবর, আর জি কর নিয়ে পরিস্থিতি উত্তাল হওয়ার পরে তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থার প্রধান প্রতীক জৈনের সঙ্গেও দীর্ঘ বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার পরেই মমতা-অভিষেক বৈঠকের সলতে পেকেছে। শেষ পর্যন্ত মুখোমুখি আলোচনায় গোটা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দলের রণকৌশল নিয়ে কথা হয়েছে। অভিষেক বেরিয়ে যাওয়ার পরে তৃণমূল নেত্রীর কাছে যান দলের নেতা কুণাল ঘোষ। আর জি কর সংক্রান্ত একটি বিষয়ে তাঁকে ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অভিষেকের ‘নিস্পৃহতা’য় দলের নীচের তলাতেও অব্যবস্থা স্পষ্ট হতে শুরু করেছিল। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রেক্ষিতে অভিষেকের অবস্থান নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছিল দলে। নেতাদের অনেকেই মনে করছেন, অভিষেক এই ভাবে ‘নিস্পৃহ’ থাকলে সরকার-বিরোধী প্রচারকেই সাহায্য করা হবে। ‘সেনাপতি’ হিসেবে অভিষেকের সক্রিয়তা চেয়ে দলেরই একাংশ সমাজমাধ্যমে ‘অনুরোধ’ করতে শুরু করেছেন, যা তৃণমূলের অস্বস্তি বাড়াতে শুরু করেছিল। তবে গতকালের বৈঠকের পরে আর জি কর কাণ্ডের জেরে উদ্ভূত পরিস্থিতি ঠেকাতে দলের দুই মাথা এক হয়েই চলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মমতার দেশবিরোধী মন্তব্য, এবার লালবাজারে অভিযোগ দায়ের হিন্দু মহাসভার

তারেক রহমানের ‘লাল টেলিফোনের’ তার চুরি, পাকড়াও দুই সাগরেদ

ফিরহাদের দুয়ারে এবার সিআইডি, সই জাল কাণ্ডের তদন্তে জেরা

স্বস্তির বৃষ্টিতে মুহুর্মুহু বাজ পড়ে তিন জেলায় প্রাণ হারালেন সাত জন

রাজ্যসভার ১১ আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির, কারা টিকিট পেলেন?

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বিরোধী দলনেতা? ব্যাখ্যা দিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ

কটাক্ষের শিকার, ইনস্টা লাইভ চলাকালীন বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা নেটপ্রভাবীর

‘রেজিনগর থেকে উপনির্বাচনে লড়ুন’, নিঃসঙ্গ মমতাকে প্রস্তাব হুমায়ুন কবীরের

রাহুলের ‘গদ্দারি’তে ক্ষুব্ধ স্ট্যালিন, ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বৈঠক বয়কটের সিদ্ধান্ত ডিএমকে’র

অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ত্রাণ দেওয়ার কাজ শুরু রাজ্য সরকারের

১৬ দিনে শুনানি শেষ, সাত বছরের রামিসার ধর্ষণ-হত্যার মামলার রায় রবিবার

ঋতব্রতদের শিবিরে ভাঙন! মমতাকেই দলনেত্রী মানছেন বিদ্রোহী বিধায়কদের একাংশ

২৪ ঘণ্টায় বিএসএফ-এর দশটি পুশব্যাক রুখে দেওয়ার দাবি বিজিবি’র

‘এবার থেকে ভয়মুক্ত পরিবেশে কাজ করবেন’, প্রযোজকদের আশ্বাস পাপিয়া অধিকারীর