কোহলির বিপজ্জনক দৌড় নিয়ে নির্বিকার থাকায় আম্পায়ারদের তুলোধনা গাভাসকারের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিতর্ক আর আইপিএল যেন সমার্থক। মঙ্গলবার (৩ জুন) রাতে আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আইপিএল ফাইনালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB) এবং পঞ্জাব কিংস (PBKS)-এর মধ্যে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের মাঝে দানা বাঁধল বড় বিতর্ক। কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকার মাঠের আম্পায়ারদের তীব্র সমালোচনা করেছেন। কারণ? বিরাট কোহলির একটি “বিপজ্জনক” দৌড়, যা আম্পায়াররা পুরোপুরি উপেক্ষা করেছেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনা ঘটেছে আরসিবির ইনিংসের ১২তম ওভারে। যখন কোহলি দ্রুত দুটি রান নিতে গিয়ে পিচের মাঝ দিয়ে দৌড়েছেন। আসুন জেনে নিই পুরো ঘটনা।
ম্যাচের শুরু ও ঘটনার বিবরণ
পঞ্জাব কিংসর অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন। আরসিবিকে (RCB) ব্যাট করতে পাঠান। বাউন্ডারি আসছিল না সহজে, তাই বিরাট কোহলি দ্রুত সিঙ্গল আর ডাবল রানের মাধ্যমে স্কোরবোর্ড চালু রাখার চেষ্টা করছিলেন। ১২তম ওভারে যুজবেন্দ্র চহালের বলে কোহলি লং-অনের দিকে বল ঠেলে দেন এবং দুটি রানের জন্য দৌড়ন। তাঁর সঙ্গী লিয়াম লিভিংস্টোন নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে ডাইভ দিয়ে নিরাপদে পৌঁছে যান।

কিন্তু সমস্যা হল এখানেই। সুনীল গাভাসকার যিনি ম্যাচে ধারাভাষ্য দিচ্ছিলেন তিনি লক্ষ্য করলেন যে কোহলি দৌড়নোর সময় পিচের মাঝ দিয়ে সোজা দৌড়ে গেছেন। এটা ক্রিকেটে সাধারণত নিষিদ্ধ, কারণ এতে পিচের ক্ষতি হয়, যা দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করা দলের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। ক্ষুব্ধ কণ্ঠে গাভাসকার বলেই ফেললেন, ‘কোহলি উইকেটের মধ্যে খুব দ্রুত দৌড়ন। বল মারার সঙ্গে সঙ্গে তিনি বুঝেছিলেন এখানে দুই রান নিতে হবে। কিন্তু আম্পায়াররা কেউ তাকে সতর্ক করল না। আবারও তিনি পিচের মাঝ দিয়ে দৌড়লেন। পঞ্জাব কিংস তো দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করবে!” তিনি প্রশ্ন তুললেন, কেন আম্পায়াররা এটা নিয়ে কিছু বললেন না? এই ঘটনা নিয়ে এখন চলছে তুমুল আলোচনা-বড় খেলোয়াড়দের কি এভাবে ছাড় দেওয়া হয়?

কোহলির ব্যাটিং স্ট্র্যাটেজি নিয়েও প্রশ্ন

পিচের বিতর্ক ছাড়াও বিরাট কোহলির ব্যাটিং স্টাইল নিয়েও কথা উঠেছে। এই মরসুমে তাঁর স্ট্রাইক রেট ছিল দুর্দান্ত, প্রায় ১৫০। কিন্তু ফাইনালে তিনি বড় শটের বদলে স্ট্রাইক রোটেট করা আর পাওয়ার-হিটারদের মতো যেমন ফিল সল্ট এবং রজত পাতিদারকে বেশি বল খেলতে দেওয়ার দিকে মন দেন। প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ম্যাথু হেডেন যিনি ইংরেজি ধারাভাষ্য দলের সদস্য ছিলেন, এই স্ট্র্যাটেজি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন। তিনি বললেন, “এখানে ২০০ রান হল সাধারণ স্কোর। কোহলির আরও আক্রমণাত্মক হওয়া উচিত ছিল।”

শেষ পর্যন্ত কোহলি ১৫তম ওভারে আজমতুল্লাহ ওমরজাই-এর বলে আউট হন, ৩৫ বলে ৪৩ রান করে। প্রথম স্ট্র্যাটেজিক টাইম-আউটের সময় RCBর কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার এবং দীনেশ কার্তিককে কোহলির সঙ্গে গভীর আলোচনায় দেখা যায়। সম্ভবত তারা তাঁকে রানের গতি বাড়াতে বলছিলেন।

এই ম্যাচে বিরাট কোহলির দৌড় নিয়ে সুনীল গাভাসকারের সমালোচনা এবং তাঁর ব্যাটিং কৌশল নিয়ে ম্যাথু হেডেনের মন্তব্য ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে আলোচনার ঝড় তুলেছে। আম্পায়ারদের নীরবতা কি সঠিক ছিল? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

শুক্রবার সকালে চিনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন তারেক রহমান

বাংলাতেও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, সোমে বিধানসভায় আসছে বিল

বজ্রপাত হলে কী করবেন, কী করবেন না? সামান্য অসাবধানতায় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা

কলকাতার রাস্তায় বেহালা বাজিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই, অশীতিপর বৃদ্ধের পাশে আনন্দ মাহিন্দ্রা

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিকর মন্তব্য, তমলুকে গ্রেফতার যুবক

সাবধান, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ধেয়ে আসছে প্রবল দুর্যোগ! জারি কমলা সতর্কতা

শনি-রবিবার ট্রেনে যাত্রার পরিকল্পনা? শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় বাতিল একাধিক লোকাল, দেখে নিন তালিকা

আর জি কর কাণ্ড: ‘তদন্তের অগ্রগতি হয়নি,’ সিবিআই-য়ের উপর ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্ট

জোড়া ভূমিকম্পে তছনছ ভেনিজুয়েলা, ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

২২ মাস পর ২৮ জুন থেকে বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালু করছে দিল্লি

রাম মন্দিরে জমা পড়া অনুদানের হিসেব চাইল PMO, দিতে অস্বীকার ট্রাস্টের

বুধে তারাতলার অভিশপ্ত এলাকায় জল দিতে যাননি, বরাত জোরে রক্ষা পেয়েছেন নীলা দেবী

অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকের আগে ইনস্টায় বায়ো পরিবর্তন শ্রেয়সের, দিলেন কোন বার্তা?

কলকাতা হাইকোর্টে দৌড়েও স্বস্তি পেলেন না অভিষেকের আপ্তসহায়ক