আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

পৃথক রাজনৈতিক দলই গড়ছেন শান্তনু! দাবি সূত্রের

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিক্ষোভের জল গড়াচ্ছে ক্রমশ। চলছে ঘর গোছানোর পালাও। জল্পনা ছড়িয়েছে শুধু ঘর গোছানোই নয়, প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে পৃথক রাজনৈতিক মঞ্চ গড়ার, সিএএ লাগুর দাবি নিয়ে নতুন করে আন্দোলন শুরু করার। যদিও প্রকাশ্যে তা আনা হচ্ছে না। সবটাই হচ্ছে তলে তলে রাখঢাক রেখে। ২৪ ঘন্টা আগে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ও সাংসদ শান্তনু ঠাকুর বঙ্গ বিজেপিতে যে বিদ্রোহের ধ্বজ্জা তুলে ধরেছেন তা এখন ক্রমশ ডালপালা ছড়িয়ে বিস্তার লাভ করতে শুরু করে দিয়েছে। রবিবার ঠাকুরনগরে নিজের বাড়িতে নিজ অনুগামী বেশ কিছু বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে বৈঠকে বসেন শান্তনু। সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন মতুয়া মহাসঙ্ঘের কর্মকর্তারাও। সূত্রের খবর সেই বৈঠকেই কার্যত শান্তনু বাজিয়ে নিয়েছেন তিনি পৃথক রাজনৈতিক মঞ্চ গড়লে কে কে তাঁর পাশে থাকতে পারেন। একই সঙ্গে মতুয়াদের দীর্ঘদিনের নাগরিকত্ব দাবিকে সামনে রেখে সিএএ আইন লাগু করার জন্য আন্দোলন যাতে শুরু করা যায় তার প্রস্তুতিও শুরু করে দিতে চাইছেন শান্তনু। লক্ষ্য বঙ্গ বিজেপির পাশাপাশি ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকেও কিছুটা চাপে রাখা।

শান্তনু ও তাঁর অনুগামীরা অবশ্য জানিয়েছেন এদিনের বৈঠক ছিল মতুয়া মহাসঙ্ঘের মাসিক কার্যাবলীর বৈঠক। সেখানে জেলায় জেলায় সঙ্ঘের কাজকর্ম ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয় নিয়েই এদিন বৈঠক হয়েছে। তবে সূত্রের দাবি সম্পূর্ণ ভিন্ন। জানা গিয়েছে, এদিনের বৈঠকে বিজেপি ছেড়ে পৃথক রাজনৈতিক মঞ্চ গড়ার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বঙ্গ বিজেপির বিক্ষুব্ধরা পৃথক মঞ্চ গড়ার পক্ষপাতী হলেও শান্তনু চাইছেন পৃথক রাজনৈতিক দল যা মতুয়াদের স্বার্থ দেখবে। কারন হিসাবে শান্তনু যে বক্তব্য তুলে ধরেছেন তা হচ্ছে, মতুয়াদের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাম, তৃণমূল, বিজেপি বিভিন্ন সময়ে তাঁদের ভোট ব্যাঙ্ককে ব্যবহার করেছে। কিন্তু এদের কেউই তাঁদের চিরন্তন যে দাবী নাগরিকত্বের, তা পূরণ করেনি। বস্তুত এই দাবি পূরণের ক্ষমতা রয়েছে শুধুমাত্র কেন্দ্র সরকারের। তাই মতুয়াদেরর জন্য এবার আলাদা রাজনৈতিক দল তৈরি করা হবে যারা মতুয়াদের নাগরিকত্বের দাবি নিয়ে আন্দোলন করবে, মতুয়াদের স্বার্থ সুরক্ষিত করার বিষয়টি দেখবে। প্রয়োজনে মতুয়াদের উন্নয়নে বিজেপি ও তৃণমূল দুই তরফেই সমর্থক করার দরজা খোলা রাখা হবে।

শান্তনু যদি সত্যিই আগামী দিনে বিজেপি ছেড়ে মতুয়াদের জন্য পৃথক রাজনৈতিক দল গড়ে তোলেন তাহলে তা বাংলার রাজনীতিতে অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট হয়ে উঠবে। কেননা রাজ্যের প্রায় ৮০টি বিধানসভা কেন্দ্রে ও ১২টি লোকসভা কেন্দ্রে মতুয়া ভোটাররা ছড়িয়ে রয়েছেন। একসময় এই ভোট পেত বামেরা। পরবর্তীকালে তা চলে আসে তৃণমূলে। সেখান থেকে আবার তা সরে যায় বিজেপিতে। কিন্তু আগামী দিনে সেই ভোট যদি অপর কোনও রাজনৈতিক দলে চলে যায় তাহলে সন্দেহ নেই সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে বিজেপি। এটা শান্তনু নিজেও ভাল করেই জানেন। আর তাই বঙ্গ বিজেপিকে ধাক্কা দিতে তিনি এবার আস্তে আস্তে ঘর গোছানোর কাজ শুরু করে দিলেন। পৃথক দল গঠনের কাজ। যদিও মুখে তাঁরা তা স্বীকার করছেন না। আসলে শান্তনু মতুয়া ভোটারদের একছাতার তলায় এনে শুধু সেই ভোট ব্যাঙ্কের হর্তাকর্তা বিধাতা হতে চাইছেন তাই নয়, এই ভোটব্যাঙ্ককে দিয়ে বাংলার রাজনীতিতে তিনি নিজেকে অন্যতম শক্তি হিসাবে তুলে ধরতে চাইছেন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘কালো স্করপিওতে করে কয়েকশো কোটি টাকা এসেছে ভবানীপুরে,’ বিস্ফোরক দাবি মমতার

ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে হাওড়ার বালি ও লিলুয়া থানার আইসি’কে সরিয়ে দিল কমিশন

বাইরে থেকে আসা দিল্লিভাষীদের দাদাগিরি – গুন্ডাগিরি মানবো না ,হুংকার শতাব্দীর

স্বামী রাজের হয়ে রবিবাসরীয় প্রচারে ঝড় তুললেন শুভশ্রী

ঠনঠনিয়া কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে উত্তর কলকাতার রোড শোয়ে ঝড় তুললেন মোদি

পুলিশ আবাসনে বিনাঅনুমতিতে ভোটপ্রচার শুভেন্দুর, কমিশনে নালিশ তৃণমূলের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ