চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

পাক গুপ্তচর সংস্থার উদ্যোগে মিশে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি ও গণ অধিকার পরিষদ

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের উদ্যোগে তৈরি হওয়া দুই ভারত বিদ্বেষী দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও গণ অধিকার পরিষদ মিশে যাচ্ছে। সূত্রের খবর, দুই দল মিশে যাওয়ার পরে জাতীয় নাগরিক পার্টি হিসাবেই পরিচিত হবে। দলের সভাপতির দায়িত্বে থাকবেন গত বছর ৫ অগস্ট বিজয় সরণিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মূর্তি ভাঙচুরের নেতৃত্বে থাকা নুরুল হক নূর। আর মহাসচিবের দায়িত্ব সামলাবেন গত ৫ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম। মূলত, ভারত বিদ্বেষী ভোটারদের মধ্যে ভাঙন রুখতে এবং মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের (যারা জামায়াত ইসলামীকে পছন্দ করেন না) কাছে টানতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) গণ অধিকার পরিষদ ও এনসিপির সংযুক্তিকরণের বিষয়টি স্বীকারও করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী। দুই দল যেহেতু ভারত ও হিন্দু বিরোধী আদর্শে বিশ্বাসী, তাই একত্রীভূতের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আন্দোলনের উদ্যোগে পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের উদ্যোগেই কয়েক বছর আগে তৈরি হয়েছিল গণ অধিকার পরিষদ। ওই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন ইজরায়েলি গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের অন্যতম এজেন্ট নুরুল হক নূর ও আইএসআইয়ের এজেন্ট রাশেদ খান। যদিও হাসিনা জমানায় খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি দলটি। তবে গত বছর সেনা অভ্যুত্থানের পরেই ধূমকেতুর গতিতে উত্থান ঘটে দলটির। বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভাঙার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার দাবিতে সরব হয়ে নিয়মিত রাজপথে রয়েছে। আর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকায় নিযুক্ত ত‍ৎকালীন পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত সৈয়দ মারুফ আহমেদের উদ্যোগে আত্মপ্রকাশ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি। মূলত পাকিস্তানপন্থী এবং রাজাকার পরিবারের সন্তান নাহিদ ইসলাম, নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলমের নেতৃত্বেই ওই দলটি গড়ে ওঠে। তবে হালে খুব একটা পানি পাচ্ছে না। প্রথমে বিএনপির সঙ্গে জোট বেঁধে ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দলটি। কিন্তু তারেক রহমানরা ৫০টির বেশি আসন দিতে রাজি হননি। এর পরে জামায়াত ইসলামীর সঙ্গেও আসন সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শিবিরের প্রধান শক্তি জামায়াত নেতারাও ৭০টির বেশি আসন দিতে রাজি হননি।

এর পরেই নতুন একটি জোট গড়ার উদ্যোগ নেয় পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের শীর্ষ কর্তারা। সংস্থার আর্থিক অনুদানে পরিচালিত গণ আধিকার পরিষদ ও জাতীয় নাগরিক পার্টিকে মিশিয়ে একটি দল গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। মূলত তরুণ ও যুব প্রজন্ম বিশেষ করে ভারত ও হিন্দু বিদ্বেষীদের ভোটারদের আকর্ষিত করতেই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

বাংলাদেশে ডিগবাজি মতুয়া নেত্রীর, হাসিনাকে ছেড়ে ধরলেন তারেকের হাত

বাংলাদেশের দিনাজপুরে এবার ঘরে আগুন ধরিয়ে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা হল হিন্দু দম্পতিকে

জীবন বাঁচাতে সম্পত্তি বেচে ভারতে আসার পথে খুন হিন্দু ব্যবসায়ী

‘শেখ মুজিবকে প্রাপ্য সম্মান দিতে হবে ‘, ভিন্ন সুর চট্টগ্রামের বিএনপি মেয়রের

বাংলাদেশের জাহাজকে হরমুজ পেরোনোর অনুমতি দিল না ইরানের আইআরজিসি

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাচ্ছে মোদি সরকার? বড় ইঙ্গিত দিলেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ