আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

দিশাহীন সিপিএমের ফোন মিমকে, শরিক থেকে আইএসএফ আসন বৃদ্ধিতে জোর

নিজস্ব প্রতিনধি:  দিশাহীন সিপিএম এবার ফোন করলো মিম কে। ঘরে বাইরের প্রবল চাপে জনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ুন কবীর এখন ক্লোজ চ্যাপ্টার। অন্যদিকে, কংগ্রেস হাই কম্যান্ড প্রদেশ কংগ্রেস কে জানিয়ে দিয়েছে বামেদের সঙ্গে জোট করে লড়াই নয়। অবশেষে সিপিএম এর রাজ্য সম্পাদকের ঘনিষ্ঠের ফোন পৌছালো মিমের রাজ্য সভাপতি ইমরান সোলাঙ্কির কাছে। এই ফোন পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এখানেই প্রশ্ন যে তাহলে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৪ টি আসনে কি প্রার্থী দিতে ভয় বামেদের।

নীতির প্রশ্নে বামেদের অনেক ক্ষেত্রেই সমীহ করে অন্যান্য দক্ষিণপন্থী রাজনৈতিক দল। কিন্তু মুর্শিদাবাদ কেন্দ্র থেকে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক লড়াই করার জন্যই কি নিজের জায়গা ধরে রাখতেই প্রথমে কংগ্রেস, তারপর জনতা উন্নয়ন পার্টি এবার মিম কে ফোন করছে সিপিএম। যদিও পাল্টা ইমরান সোলাঙ্কি সিপিএম এর রাজ্য নেতৃত্বর সঙ্গে কথা বলতে বলে তিনি জানান। দরকারে কলকাতা বা মুর্শিদাবাদ যেখানেই হোক সেখানেই তিনি বসবেন বলেই জানান। সিপিএম এর অন্তরে জোর কানাঘুষো রাজ্য সম্পাদকের সবুজ সংকেত ছাড়া কি কারোর পক্ষে ফোন করা সম্ভব জোর জল্পনা পার্টির অন্দরে। যদিও এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর বামফ্রন্টের শরিক দলগুলো সিপিএম এর দিকেই আঙ্গুল তুলেছে। আলোচনা থেকে বেরিয়ে যায় ফরোয়ার্ড ব্লক নেতা নরেন চ্যাটার্জী। এবার তাদের তরফ থেকেও বৃহত্তর বাম ঐক্য নিয়ে লড়াই করার কথা বলা হয়েছে। এরই সঙ্গে তাদের তরফ থেকেও স্পষ্ট করা হয়েছে আসন সংখ্যা বাড়িয়ে বৃহত্তর বাম ঐক্য হিসাবে লড়াই করা হোক এই বিধানসভা নির্বাচনে। অন্যদিকে, শনিবার সিপিআই তাদের তরফ থেকেও একই ভাবে আসন সংখ্যা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, তাদের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে এই নির্বাচনে তাদের ২০ টি কেন্দ্রে লড়াই এর জন্য প্রার্থী দিতে হবে।

আরও পড়ুন: লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বেড়েছে রাজ্য বাজেটে, জনগণের দুয়ারে প্রচারে তৃণমূল

সূত্রের খবর আলোচনা ইতিবাচক হয়েছে। অন্যদিকে, আইএসএফ তরফ থেকেও বলা হয়েছে কংগ্রেস জোট সঙ্গী না হওয়ায় তাদের আসন সংখ্যার বদল হতে পারে। এই নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। তাদের তরফ থেকে বলা হয় রাজনৈতিক দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে সিপিএম তাই এখন একবার কংগ্রেস, একবার আইএসএফ আবার এখন মিম এর কাছে গিয়ে আসন সমঝোত করতে যাচ্ছে সেলিম বাবুরা। তবে নীতি আদর্শ মাটিতে ফেলে নিজের সিট্ বাঁচাতে মরিয়া রাজ্য সম্পাদক বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘বুথফেরত সমীক্ষা নিয়ে উচ্ছ্বসিত হওয়ার কিছু নেই’, বিজেপি কর্মীদের সতর্ক করলেন তথাগত

ISC-তে প্রথম হয়েছেন বাংলার মেয়ে অনুষ্কা, প্রাপ্ত নম্বর ৪০০

চিপসের লোভ দেখিয়ে নাবালিকাদের শ্লীলতাহানি এবং ধর্ষণ! পাকড়াও অভিযুক্ত

ভুট্টা খেতে উদ্ধার বৃদ্ধের নলিকাটা দেহ! খুনের অভিযোগ পরিবারের

আজ জগন্নাথধামের বর্ষপূর্তি, এলাহি আয়োজনে শুরু অনুষ্ঠান, কী থাকছে দিঘায়?‌

অবশেষে প্রকাশিত হল ICSE ও ISC-র ফলাফল, সেরার তালিকায় কোন রাজ্য?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ