চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ফোন কোনওভাবেই ‘সুইচড অফ’ রাখা যাবে না, অফিসারদের নয়া নির্দেশ কমিশনের

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ রাত পোহালেই প্রথম দফার ভোট বাংলায়। আর তার আগে নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত অফিসারদের কাছে পৌঁছে গেল নয়া নির্দেশিকা। যা নিয়ে এখন জোর আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই একের পর এক নজিরবিহীন নির্দেশিকা দিয়ে বিতর্কের চরমে পৌঁছেছে নির্বাচন কমিশন। অনেক সময়ই অভিযোগ ওঠে, খোদ রিটার্নিং অফিসার বা সেক্টর অফিসারদের ফোনই পাওয়া যাচ্ছে না। এবার সেই সমস্যা মেটাতে সরাসরি দাওয়াই দিল নির্বাচন কমিশন। যা নিয়ে অফিসারদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে।

এদিকে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই মাঝরাতে সমস্ত অফিসার বদলে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তার পর পুলিশ–প্রশাসনে ব্যাপক রদবদল করে দেয় নির্বাচন কমিশন। এইসব ঘটনার পরই একের পর এক নির্দেশিকা জারি করতে থাকে নির্বাচন কমিশন। সেটা পুলিশ অফিসারদের চাকরি থেকে বরখাস্তের হুঁশিয়ারি হোক কিংবা ফোন বন্ধ না রাখার ফতোয়া। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ডিউটির সময় কোনও অফিসারদের ফোন কোনওভাবেই ‘সুইচড অফ’ রাখা যাবে না। নম্বর দিতে হবে প্রার্থীদেরও। নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ অফিসার এবং অবজার্ভারদের আপডেট করা ফোন নম্বর তৎক্ষণাৎ জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হবে।

অন্যদিকে রাত পোহালেই প্রথম দফার নির্বাচন। এখনও বহু ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় ওঠেনি। ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক রয়েছে। তার মধ্যেই সিভিক ভলান্টিয়ার, ভিলেজ পুলিশকে বসিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আবার মোটরবাইক নিয়ে সন্ধ্যে ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত রাস্তায় যাতায়াত করা যাবে না বলে ফরমান জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার নয়া সংযোজন, সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রের সমস্ত প্রার্থীর কাছে অফিসারদের ফোন নম্বর পৌঁছে দেওয়া বাধ্যতামূলক। এই তালিকায় আছেন, জেনারেল, পুলিশ এবং এক্সপেন্ডিচার অবজার্ভার। সেখানে থাকবে—জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, পুলিশ সুপার, রিটার্নিং অফিসার এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসারের নম্বর। সেক্টর অফিসার এবং সেক্টর পুলিশ অফিসারকেও এই নির্দেশ মানতে হবে। সাধারণ মানুষ এবং প্রার্থীদের কাছে থাকবে—ফ্লাইং স্কোয়াড, কুইক রেসপন্স টিম এবং কন্ট্রোল রুমের নম্বর। ফোন বন্ধ থাকলেই কড়া শাস্তি হবে অফিসারদের বলে নির্দেশ।

এছাড়া ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যদি কোনও অফিসার ফোন না ধরেন বা ফোন বন্ধ রাখেন এবং কন্ট্রোল রুম থেকে বিষয়টি সত্যি বলে প্রমাণিত হয় তাহলে ওই অফিসারের বিরুদ্ধে কর্তব্যে অবহেলার দায়ে কড়া শাস্তি পেতে হবে। ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কন্ট্রোল রুম বা প্রার্থীদের থেকে কোনও অভিযোগ এলেই সেটা সঙ্গে সঙ্গে খতিয়ে দেখতে হবে এবং কী ব্যবস্থা নেওয়া হল তাও দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। প্রথম দফার ভোটের ঠিক আগেই এই নজিরবিহীন নির্দেশিকায় প্রশাসনিক মহলে চর্চা তুঙ্গে উঠেছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

তালিকায় নাম থাকলেই দেওয়া যাবে না ভোট, নির্বাচন কমিশনের নয়া নিয়ম কী?‌

তৃণমূল কর্মীদের গ্রেফতারি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জোর ধাক্কা কমিশনের

‘প্রিভেন্টিভ ডিটেনশনের কোনও পরিস্থিতি নেই’, ৮০০ তৃণমূল কর্মী গ্রেফতারের মামলার রায় স্থগিত

বৃষ্টি নাকি ভ্যাপসা গরম? ভোটের লাইনে দাঁড়ানোর আগে জানুন কেমন থাকবে আবহাওয়া

‘কলকাতা বস্তির শহর’, তিলোত্তমাকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য শাহের

নির্বাচনের প্রতিটি মুহূর্তের নিখুঁত তথ্য মিলবে এই অ্যাপে, কী কাজ করবে অ্যাপটি?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ