অমিত শাহ ছাড়া বিজেপির বঙ্গ জয়ের পাঁচ নেপথ্য সেনাপতিকে চেনেন?

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: অঙ্গ-কলিঙ্গের পরে বঙ্গ বিজয় করেছে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেসের ১৫ বছরের শাসনকে খড়কুটোর মতো উড়িয়ে দিয়ে প্রথমবার বঙ্গের শাসন ক্ষমতা দখল করেছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের হাতে গড়া সংগঠন। আর ওই ঐতিহাসিক জয়ের পিছনে বিজেপির ছয় সেনাপতির ভূমিকা ছিল অপরিসীম। কেউ সামনে থেকে, কেউ আবার নেপথ্যে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, লক্ষ্যপূরণে এগিয়ে দিয়েছেন। আসুন ওই ছয় সেনাপতিকে চিনে নিই।

বিজেপির বঙ্গ জয়ের প্রধান সেনাপতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ৫০ দিন তিনি শুধু বাংলায় মাটি কামড়ে পড়ে থাকেননি। প্রতিটি সভায় ক্ষমতায় আসার পরে অবিলম্বে সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং তৃণমূলের গুন্ডা ও অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। প্রথম থেকেই তিনি দাবি করেছিলেন, ১১০ আসনে জয় নিশ্চিত করেই ভোটে লড়তে নেমেছে বিজেপি।

ধর্মেন্দ্র প্রধান

অমিত শাহের পাশাপাশি বিজেপির অন্যতম সেনাপতি ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি বিজেপির নির্বাচনী প্রচারের নেতৃত্বে ছিলেন। তিনি বিভিন্ন সম্প্রদায় এবং সামাজিক স্তরের মধ্যে সমন্বয় সহজ করার জন্য কাজ করেছেন। তাঁর প্রধান ভূমিকা ছিল বিজেপির কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য নেতৃত্বের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করা। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সফর ও কর্মসূচিও চূড়ান্ত করার দায়িত্ব ছিল।

ভূপেন্দ্র যাদব

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সাংগঠনিক দক্ষতা অবিসংবাদিত। তিনি সূক্ষ্ম ব্যবস্থাপনার উপর জোর দিয়েছিলেন এবং বুথ স্তর পর্যন্ত দলীয় কর্মীদের সংগঠিত করার ক্ষেত্রে এক বিরাট ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জটিল আইনি জটিলতাগুলো দক্ষতার সাথে সামলেছেন। বিহার ও অন্যান্য রাজ্যে তাঁর ব্যাপক অভিজ্ঞতা বাংলার প্রতিকূল নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল।

সুনীল বনসাল

অমিত শাহের বিশ্বস্ত সহচর তথা বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসাল উত্তরপ্রদেশে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিলেন।   বাংলায় তিনি তৃণমূল স্তরে ‘পন্না প্রমুখ’ (বুথ-স্তরের সমন্বয়কারী)-দের এক অপ্রতিরোধ্য বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন। তৃণমূলের ক্যাডার-ভিত্তিক ব্যবস্থার মোকাবিলা করার জন্য বিজেপির একটি শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি করাই ছিল তাঁর প্রধান লক্ষ্য।

বিপ্লব দেব

ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বামদের হটিয়ে পদ্ম ফুটিয়েছিলেন। বাংলায় তিনি বিশেষভাবে সেইসব অঞ্চলে কাজ করেছেন, যেগুলির সংস্কৃতি ও ভাষা ত্রিপুরার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। তিনি স্থানীয় দলীয় কর্মীদের উজ্জীবিত করতে এবং একটি আক্রমণাত্মক প্রচার-কৌশল গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

অমিত মালব্য

বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য ডিজিটাল মিডিয়ায় বিজেপির প্রচারের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সন্দেশখালি থেকে শুরু করে আরজি কর মেডিকেল কলেজ মামলার মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো সম্পর্কে জনগণকে গভীরভাবে, যত্ন ও সংবেদনশীলতার সাথে অবহিত করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়াকে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অপরিসীম। এর ফলে শাসক তৃণমূলের বিরুদ্ধে একটি সরকারবিরোধী মনোভাব তৈরি হয়। তিনি ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে তৃণমূলের প্রচারযন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। সামগ্রিকভাবে, এই নেতাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই বাংলার মতো দুর্ভেদ্য দুর্গে বিজেপিকে এই স্তরের সাফল্য অর্জনে সক্ষম করেছে।

ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তোলার পর নিখোঁজ, কয়েক ঘন্টা পর ক্লাবঘরে উদ্ধার তরুণীর ঝুলন্ত দেহ

মহারাষ্ট্রে পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ে হুড়মুড়িয়ে ভাঙল ভবন! ধ্বংসস্তূপে আটকে অন্তত ১৫

বালিগঞ্জে তৃণমূলের মিছিলে উত্তেজনা, ‘চোর চোর’ স্লোগান বিক্ষুব্ধ জনতার

বদ্রীনাথে দান ‘চুরি’র অভিযোগ, বরখাস্ত মন্দির কমিটির কর্মী

অসভ্যতামি, ম্যাচ শেষে মিশরের সমর্থকদের উপরে মদ ছিটোলেন আর্জেন্টিনার ‘বর্বর’ ভক্তকূল

‘বিপদ কাটেনি’, বিষাক্ত মাকড়সার কামড়ে হাসপাতালে ভর্তি রাজেশ শর্মা, এখন কেমন আছেন?

১৮ জুলাই কণ্ঠস্বরের নমুনা না দিলে কড়া পদক্ষেপ, অভিষেককে হুঁশিয়ারি বিধাননগর আদালতের

আপনার অনুমতি ছাড়াই ইনস্টাগ্রামের ছবি নকল করতে সক্ষম মেটার নতুন ‘MUSE IMAGE’

বারুইপুর কাণ্ডে আলোচনার কেন্দ্রে এই দুই পুলিশ অফিসার, চিনে নিন রনি ও অর্ঘ্যকে

‘সঙ্গে যাওয়ার তো কেউ নেই’, মমতার মিছিলে জনসমাগম নিয়ে খোঁচা দিলীপের

বারুইপুর কাণ্ডে পুলিশের বন্দুক নিয়ে পালানোর চেষ্টা, এনকাউন্টারে মৃত অভিযুক্ত প্রভাস মন্ডল

‘ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি শেষ,’ ট্রাম্পের ঘোষণায় মধ্যপ্রাচ্যে ফের সিঁদুরে মেঘ!

নিউইয়র্কে বৈঠকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ভারত বিরোধী বড় ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা!

রথযাত্রার দিন দৌড়ঝাঁপ নয় , আগেই বানিয়ে রাখুন এই মিষ্টিগুলি