আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বকটুই কাণ্ডে মুম্বাই থেকে ধৃত ৪ অভিযুক্ত সিবিআই ফেফাজতে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বকটুই কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত আনারুল হোসেনের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অন্যদিকে মুম্বই থেকে ধৃত ৪ অভিযুক্তের ৭ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই মামলা রামপুরহাট মহকুমা আদালতের বিচারাধীন। ধৃত ৪ জনের মধ্যে রয়েছে বাপ্পা শেখ ও সাবু শেখ।

প্রসঙ্গত, মুম্বাই থেকে বৃহস্পতিবার বাপ্পা শেখ ও সাবু শেখ সহ চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার (Arrest) করা হয়েছিল। ধৃতরা মুম্বাইয়ে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করত। এফআইআরে ১৩ নম্বরে নাম ছিল বাপ্পা ও ১৫ নম্বরে নাম ছিল সাবু শেখের। জানা গিয়েছে, ধৃতরাই ভয়ঙ্কর সেই রাতে সোনা শেখের বাড়িতে ঢুকে মারধর চালায় ও আগুন লাগিয়ে দেয়। এও জানা গিয়েছে, মার্চের ২১ তারিখ এই ঘটনা ঘটিয়েই ২২ তারিখ মুম্বাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় ধৃতরা। ঠিক দু’দিন পর এই চারজন পালিয়ে আসে মুম্বাইয়ে। ধৃতরা সকলেই অন্যতম অভিযুক্ত লালন শেখের ঘনিষ্ঠ।

রামপুরহাট (Rampurhat) কাণ্ডে এই প্রথম গ্রেফতার সিবিআই- এর। এর আগে এই কাণ্ডের জন্য অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তবে পুলিশের (Police) জালে ধরা পড়েনি এই চারজন। বৃহস্পতিবার তারা ধরা পড়েছে মুম্বাই থেকে। এক্ষেত্রে সেখানে কর্মরত অন্যান্য পরিযায়ী শ্রমিকদের গোপন সাহায্য নিয়েছিল সিবিআই। জানা গিয়েছে, ধৃতদের নিয়ে আসা হচ্ছে রাজ্যে। তাদের আলাদা আলাদা করে এবং বিভিন্নজনের সামনে বসিয়ে করা হবে জেরা। লিখিয়ে নেওয়া হবে ধৃতদের বয়ান। সেই সঙ্গে রেকর্ড করা হবে ধৃতদের জবানবন্দী। জিজ্ঞাসা করা হবে এই ঘটনায় আর কারা কারা জড়িত। প্রসঙ্গত তদন্তে নেমে সোনা শেখের বাড়ি থেকে সিবিআই আগেই সংগ্রহ করেছিল আঙুলের ছাপ। আশেপাশের যে বাড়িতে ওইদিন আগুন লাগানো হয়েছিল সেখান থেকেও সংগ্রহ করা হয়েছিল আঙুলের ছাপ। বৃহস্পতিবার সকালে রামপুরহাট কাণ্ড নিয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেখানে বলা হয়েছিল, অধিকাংশ প্রমাণ নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। বিধ্বস্ত এলাকায় ঘটনার পর বহু লোকের যাতায়াত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর ওই দিন বিকেলেই অভিযুক্ত চারজনকে ভিন রাজ্য থেকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তাদের শুক্রবার আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের ৭ দিনের সিবিআই জেরার নির্দেশ দেন।

অতিরিক্ত মুখ্য ও দায়রা বিচারক এই রায় দেন। এদিন আনারুলকে আদালতে তোলা হলে তার ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক  মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই গ্রেফতার করা হয়েছিল আনারুলকে। পরবর্তীকালে রামপুরহাট কাণ্ডের তদন্তভার যায় সিবিআই-এর হাতে। আদালতের শুক্রবার দেওয়া রায়ের আগে এই কদিন সিবিআই হেফাজতে ছিল আনারুল।

প্রসঙ্গত, পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পরেই আনারুলের ঘনিষ্ঠদের দাবি ছিল তাকে ফাঁসানো হয়েছে। গত ২৫ মার্চ তাকে আদালতে তোলার সময় তার বক্তব্য ছিল, সে নির্দোষ। তাকে ফাঁসানো হয়েছিল বলেও দাবি করেছিল নিজেই। সিবিআই যখন হেফাজতে নেয়, তখনও আনারুল দাবি করেছিল, এটা ষড়যন্ত্র। আর এদিনও নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করে বলে, বিচার ব্যবস্থার ওপর আস্থা রয়েছে।

 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট বাতিল করল কমিশন, ২১ মে ফের নির্বাচন

মিহিজামের জঙ্গলে যুবক-যুবতীর দেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য,তদন্ত শুরু

রবিবার স্ট্রং রুমে ইভিএম পাহারায় বিজেপির মহিলা বাহিনী অবস্থানে বসছে

ডায়মন্ড হারবার, মগরাহাটের ১৫ বুথে পুনর্নির্বাচনে ভোট পড়ল ৯০ শতাংশ

ভোট দিয়ে হরিয়ানায় ফেরার পথে পরিযায়ী শ্রমিক বোঝাই বাস রানিগঞ্জে দুর্ঘটনার কবলে

মুখপাত্র থেকে একেবারে গণনা পর্যবেক্ষক, বাড়তি দায়িত্ব পেলেন প্রতীক উর রহমান

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ