গুরুং ভোট না দিলেও পাহাড়ের বুথে ভিড় আমজনতার

আগামিদিনে পাহাড়ের রাজনীতিতে গুরুং-এডওয়ার্ড যুগলবন্দী দেখা গেলে অবাক হওয়ার মতো কিছু থাকবে না। এদিনের ভোট ছবি কিন্তু সেটাই বলছে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: এক দশক বাদে জিটিএ(GTA) নির্বাচন হচ্ছে দার্জিলিংয়ের(Darjeeling) পাহাড়ে। বেশ শান্তিপূর্ণ ভাবেই চলছে সেই নির্বাচন(Election)। তবে সেই নির্বাচনে নেই গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা, জিএনএলএফ ও বিজেপি। লড়াইয়ের ময়দানে আছে অজয় এডওয়ার্ডের(Ajay Edward) হামরো পার্টি, অনীত থাপার ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা, তৃণমূল, সিপিআই(এম) ও কংগ্রেস। আছেন বেশ কিছু নির্দল প্রার্থীও। কার্যত এই ভোটই ঠিক করে দিতে চলেছে পাহাড়ে আগামী ৫ বছরে ক্ষমতার রাশ ঠিক কার হাতে থাকবে। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে বিমল গুরুংয়ের(Bimal Gurung) রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে। এদিন দুপুর ৩টা পর্যন্ত ৫২ শতাংশ ভোট পড়েছে পাহাড়ে। অনুমান করা হচ্ছে শেষপর্যন্ত ৬০ শতাংশের আশেপাশে থাকতে পারে পাহাড়ে ভোট প্রদানের হার। তবে ঘটনা যে, গুরুং এদিন ভোট দেননি। নির্দিষ্ট কোনও রাজনৈতিক দলকে ভোট দেওয়ার আবেদন বা হুইপও জারি করেননি তিনি। তবুও পাহাড়ের জনতা কিন্তু বুথমুখো হয়েছেন।   

এদিন গুরুং ভোট দিতে না গেলেও জানিয়েছেন, ‘আমি নিজে ভোট দেব না। কিন্তু কোনও ব্যক্তির গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগে বাধাও দিতে পারি না। তবে ভোটের খোঁজখবর নেব। আমি চাই শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন হোক।’ গুরুংয়ের এই বক্তব্যের জেরে অনেকেই মনে করছেন তিনি কার্যত রাজনীতি থেকে হয়তো ধীরে ধীরে স্বেচ্ছা নির্বাসনের পথেই হাঁটা দেবেন। কেননা তিনি আর কোনও বনধ বা হিংসাত্মক আন্দোলন করতে চান না। আসলে তিনি বুঝে গিয়েছেন পাহাড়ের জনতার কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা বলে আর কিছু অবশিষ্ট নেই। তাঁর অনশন যে পাহাড়ের বুকে ছিঁটেফোটা কোনও প্রভাব ফেলতে পারেনি সেটা বেশ বুঝেছেন তিনি। আর তাই না দিয়েছেন ভোট বয়কটের ডাক, না জারি করেছেন কোনও হুইপ নির্দিষ্ট কোনও রাজনৈতিক দলকে ভোট দেওয়ার জন্য। আসলে গুরুং এটা বুঝে নিতে চাইছেন, জিটিএ নির্বাচনকে পাহাড়ের মানুষ কী চোখে দেখছে। তাঁরা জিটিএ’র স্বপক্ষে নাকি পৃথক রাজ্যের পক্ষে।

আর এখানেই ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে গুরুং ভোট না দিলেও, মোর্চা, জিএনএলএফ ও বিজেপি ভোটে লড়াই না করলেও আমজনতা কিন্তু জিটিএ নির্বাচন নিয়ে রীতিমত উৎসাহী। সেই কারণেই পাহাড়ের বুথে বুথে ভোটারদের ঢল নেমেছে। আত এই ঢলই কার্যত বলে দিচ্ছে পাহাড়ের মানুষ আর কোনও বনধ চায় না। আর কোনও হিংসাত্মক আন্দোলন চায় না। আর কারও মৃত্যু চায় না। চায় শান্তি আর উন্নয়ন। সেই সঙ্গে এক নতুন নেতা যে আগামী দিনে পাহাড়কে স্থিতাবস্থা, শান্তি ও উন্নয়নের পথে নিয়ে যেতে পারবেন। অনেকেই মনে করছেন অজয় এডওয়ার্ড কার্যত সেই আসন এবার দখল করতে পারেন। তাঁর দল হামরো পার্টি আগেই দার্জিলিং পুরসভা দখল করেছে। জিটিএ তাঁদের দখলে গেলে নিঃসন্দেহে তিনিই হয়ে উঠবেন পাহাড়ের সব থেকে ক্ষমতাবান নেতা। তাই গুরুংয়ের সামনে স্বেচ্ছা নির্বাসন নেওয়া ভিন্ন দ্বিতীয় কোনও রাস্তাও আর খোলা নেই। পাহাড়ের অনেকেই অবশ্য মনে করছেন, গুরুং বা মোর্চা সরাসরি ভোটে লড়াই না করলেও তাঁদের প্রত্যক্ষ সমর্থন রয়েছে অজয় এডওয়ার্ডের দিকে। যদি সেটাই সত্যি হয় তাহলে আগামিদিনে পাহাড়ের রাজনীতিতে গুরুং-এডওয়ার্ড যুগলবন্দী দেখা গেলে অবাক হওয়ার মতো কিছু থাকবে না।

আমেরিকা নয়, চলুন ঘুরে আসি ভারতের ‘গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে’

নিউটাউনে তিরুপতি মন্দির বানাবেন শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি, ঘোষণা শুভেন্দুর

কালীপুজোর ক্ষণ ও তিথি, দেখে নিন একনজরে

প্রকাশিত হল CBSE-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ২০২৭ সালের পরীক্ষাসূচি

পাউরুটির বাদামি ধার ফেলে দিচ্ছেন? তা দিয়েই বানিয়ে ফেলুন এই ৩ সুস্বাদু পদ, রইল রেসিপি

যাত্রীদের সুবিধার্থে কালীপুজোয় অতিরিক্ত মেট্রো পরিষেবা, বাড়ছে ট্রেনের সংখ্যা

বাড়ি ও অফিসের বাইরে চরবৃত্তি করছে পুলিশ! ‘মারাত্মক’ অভিযোগ অভিষেকের

অজান্তেই ক্ষতি করছেন না তো? এই ৭টি অভ্যাসে বাড়ছে চোখের সমস্যা

‘মা-বোনেদের দিকে আঙুল তুললে ভেঙে দেবে সরকার,’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

অমৃতসর-নিউ জলপাইগুড়ি কর্মভূমি এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড, দাউদাউ করে জ্বলছে চারটি কামরা

লুঙ্গি ও বারমুডা পরে তারাপীঠ মন্দিরে ‘নো এন্ট্রি’, নির্দেশ কমিটির

রাজ্যের সব চিকিৎসকের ডিগ্রি খতিয়ে দেখবে স্বাস্থ্য দফতর, বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরাও সপ্তম পে কমিশনের আওতায়, ঘোষণা নবান্নের

‘Maatrubhumi’ নিয়ে কেন্দ্র চাপ দিয়েছিল? সত্যিটা জানালেন সলমন