‘চুরি বিদ্যা …’, বার বার কাশি দিতে গিয়ে ধরা পড়লেন চাকরির পরীক্ষায় বসা যুবক

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: কথায় বলে, ‘চুরি বিদ্যা মহা বিদ্যা যদি না পড়ে ধরা।’ বার বার চাকরি প্রার্থীর কাশিতে সন্দেহ হয়েছিল ইনভিজেলেটরের। শেষ পর্যন্ত সন্দেহবশত ওই চাকরি প্রার্থীর শরীরে তল্লাশি চালাতেই মিলল ইলেকট্রনিকস ডিভাইস ও লুকানো হেড ফোন। সঙ্গে সঙ্গেই ওই চাকরি প্রার্থীকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত চাকরি প্রার্থী জানিয়েছেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত একটি চক্রের মাধ্যমে এসব ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষায় বসেছিলেন। যোগাযোগ ডিভাইসের অন্য প্রান্ত থেকে তাকে বলা হয়েছিল, প্রশ্নের সেট ‘পদ্মা’ হলে যেন কাশি দেন। বিষয়টি বুঝতে না পেরে বারবার কাশি দিয়েছেন।’

দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘শনিবার (২৫ অক্টোবর) খাদ্য অধিদফতরের উপখাদ্য পরিদর্শক’ পদের লিখিত পরীক্ষা ছিল। ওই পরীক্ষায় দিনাজপুর শহরের কসবার কেরী মেমোরিয়াল হাইস্কুলের পরীক্ষা কেন্দ্রে এক পরীক্ষার্থী ইলেকট্রনিকস ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছেন বলে গোপন সূত্রে খবর এসেছিল। কিন্তু সেটি কোন কক্ষে এবং কোন পরীক্ষার্থী, তা স্পষ্ট ছিল না। আমরা বিশেষ নজরদারিতে রেখেছিলাম। পরে ১০১ নম্বর রুমে কৃষ্ণকান্ত রায় নামে এক চাকরিপ্রার্থীকে বার বার কাশি দিতে দেখে সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে তল্লাশি করে তাঁর কাছ থেকে দুটি ইলেকট্রনিকস ডিভাইস উদ্ধার হয়। সঙ্গে সঙ্গে আটক করা হয়।’

আটক পরীক্ষার্থী কৃষ্ণকান্ত রায় বিরল উপজেলার সিঙ্গুল পূর্ব রাজারামপুর গ্রামের বাসিন্দা। গত বছর স্নাতক সম্পন্ন করেন। দিনাজপুর শহরের ফকিরপাড়া এলাকায় একটি ছাত্রাবাসে ভাড়া থাকতেন। খাদ্য অধিদফতরের উপ খাদ্য পরিদর্শকের পদে চাকরিতে বসেছিলেন। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত ঢাকার একটি চক্রের মাধ্যমে পরীক্ষায় জালিয়াতি করতে ইলেকট্রনিকস ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষায় বসেছিলেন। যোগাযোগ ডিভাইসের অন্য প্রান্ত থেকে তাঁকে বলা হয়েছিল, প্রশ্নের সেট ‘পদ্মা’ হলে যেন কাশি দেন। বিষয়টি বুঝতে না পেরে বারবার কাশি দিতে গিয়ে ধরা পড়েন তিনি। জেরায় তিনি জানিয়েছেন, প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত চক্রটি প্রতি পরীক্ষার্থীর কাছে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে ইলেকট্রনিকস ডিভাইস সরবরাহ করেছে।  পরীক্ষা শুরুর এক থেকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে চক্রটির হাতে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রশ্নপত্রটি পৌঁছে যায়।  বিভিন্ন সেটের প্রশ্নগুলোর উত্তরপত্র প্রস্তুত করেন। এর মধ্যে ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রশ্নের সেট নম্বর জেনে নেয় চক্রটি। পরে ক্রম অনুযায়ী প্রশ্নগুলোর উত্তর (ক, খ, গ, ঘ) বলতে থাকে। পরীক্ষার্থী শুনে শুনে তৎক্ষণাৎ প্রশ্নপত্রে বিশেষ দাগ দিয়ে উত্তরগুলো চিহ্নিত করেন। পরে ওএমআর শিটের বৃত্ত ভরাট করেন

দুপুর গড়িয়ে রাত, এখনও উত্তপ্ত SRFTI-এর ক্যাম্পাস, ঘটনাস্থলে পুলিশ

ছুটির দিনে পরিষেবা দিয়েও ‘ব্ল্যাক সানডে’ পালন করলেন SBI-র কর্মীরা

ব্যবসায় অংশীদার করার টোপ দিয়ে ২৪ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেফতার এক

ভিক্ষার ছলে মোবাইল চুরি! পুলিশের জালে ভিন রাজ্যের গ্যাং

গ্রিভসের সেঞ্চুরির উপর ভর করে ভারতের সামনে ২৯৬ রানের লক্ষ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের

ক্রেতা সেজে ডেলিভারি বয়ের থেকে পার্সেল নেওয়ার চেষ্টা দুই বোনের, বাধা দিতেই ছেটালেন লঙ্কাগুঁড়ো

বেনোজল আটকাতে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের কড়া নির্দেশ নীতিন নবীনের

‘খামোশ’, খারাপ রাস্তা নিয়ে সরব হতেই যুবককে সপাটে চড় মন্ত্রীর

‘সাধু-সন্তদের অপমান করলেই জেলে যেতে হবে’, স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দুর

পানশালায় ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি! দক্ষিণ আফ্রিকায় নিহত বেড়ে ২৭, আহত বহু

নেপালের হিমলুং বেস ক্যাম্পে বিশাল তুষার ধস, নিখোঁজ প্রায় ১০ পর্বতারোহী

মৃত্যুকামনার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু চাইলেন হুমায়ুন! কী বললেন ?

ছাত্রগোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত SRFTI-এর ক্যাম্পাস, আহত একাধিক পড়ুয়া

‘আমার সঙ্গে শুধু ৩০ মিনিট থাকো তাহলে…’, নিজের গোপন প্রতিভা জানালেন বিরাট