আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

শেখ হাসিনাকে খুন করতে করাচি থেকে ঢাকায় পৌঁছেছিল ISI-র ভাড়াটে দুই খুনি

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: এক অগস্টেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে খুন করেছিল পাকিস্তান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঘনিষ্ঠ সামরিক আধিকারিকরা। শুধু জার্মানিতে থাকায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন মুজিবের দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। চলতি বছরের ১৫ অগস্টের আগেই ওই দু’জনকে চিরতরে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছিল পাকিস্তান গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। আর তার জন্য  করাচি থেকে গত জুলাই মাসে ঢাকায় এসেছিল পাক গুপ্তচর সংস্থার দুই কিলার। গত ৫ অগস্ট গণভবনে অতর্কিতে হামলা চালিয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে খুনের পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। ওই পরিকল্পনা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান। কিন্তু বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা দফতর ডিজিএফআইয়ের দুই আধিকারিক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে ওই পরিকল্পনা সম্পর্কে জানিয়ে সতর্ক করে দেন। শেষ পর্যন্ত জয়ের পরামর্শেই বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে তড়িঘড়ি বাংলাদেশ ছেড়ে পালিযে প্রাণে বেঁচে যান শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা শাখা (ডিজিএফআই) সুত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর দুয়েক ধরেই লন্ডনে বসে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যূত করার পরিকল্পনা সাজিয়েছেন খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান। আর তাকে এ বিষয়ে সহযোগিতা করেছেন প্যারিস প্রবাসী পিনাকী ভট্টাচার্য ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিএনপি প্রধান জাকির হোসেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত জামায়েতপন্থী তিন আধিকারিকও ওই ষড়যন্ত্রের অংশীদার ছিলেন। গত বছর জেড্ডা এবং চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে লন্ডনে আইএসআইয়ের দুই আধিকারিক তথা প্রাক্তন পাক সেনা কর্তা জাভেদ মেহেদি এবং শাহিদ মেহেমুদ মহম্মদ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন তারেক। ওই বৈঠকে হাজির ছিলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফও। প্রকৃত সুযোগের অপেক্ষা করতে থাকেন তাঁরা।

জুলাই মাসে কোটা আন্দোলন শুরু হতেই আইএসআইয়ের তরফে তিনজন মহিলা-সহ বেশ কয়েকজন ‘ডিপ অ্যাসেট’কে বাংলাদেশে পাঠানো হয়। ছোট দলে ভাগ হয়ে তিন দফায় গত ১০ থেকে ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে করাচি হয়ে ঢাকায় পৌঁছয় তাঁরা। বাংলাদেশে পৌঁছে জামায়েত ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন ওই আইএসআই এজেন্টরা। ওই বৈঠকে হাজির ছিলেন কোটা আন্দোলনের দুই সমন্বয়ক তথা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ। করাচি থেকে আসা আইএসআই এজেন্টদের ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নামে তাণ্ডব চালানোর কাজে লাগানো হয়। গত ১৬ জুলাই শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে খুনের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দুই এজেন্ট বা খুনিকে পাঠানো হয়। ওই দুই ভাড়াটে খুনি বাংলাদেশের এক অভিনেত্রীর মিরপুরের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। মিরপুর থেকে গণভবনের উদ্দেশে যে সশস্ত্র মিছিল শুরু হয়েছিল, তাতে অভিনেত্রীর সঙ্গে সামিল হয়েছিল ওই দুই খুনি। কিন্তু গণভবনে ওই দুই খুনি পৌঁছনোর আগেই শেখ হাসিনাকে নিরাপদে দেশ থেকে সরিয়ে দিতে পেরেছিলেন মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে থাকা ডিজিএফআইয়ের দুই আধিকারিক। ৬ অগস্ট ওই দুই খুনি ঢাকা থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ফিরে যান। 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

হিমন্ত বিশ্বশর্মার মন্তব্যে চটে লাল তারেক রহমান, দিল্লির দূতকে তলব করে কড়া বার্তা

৬ মে থেকে ফের বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালু করছে মোদি সরকার

‘‌ধর্ম যার‌ যার…’‌, মমতার শ্লোগান এবার তারেক রহমানের গলায়

জেল খাটতে কেমন লাগে? কৌতুহল থেকে ১১ বছরের নাবালককে খুন ৬ কিশোরের

বাংলাদেশে জঙ্গলরাজ, তারেক জমানার আড়াই মাসে ৪৬৪টি খুন ও ৬৬৬টি ধর্ষণ

বাংলাদেশে ‘জঙ্গি’ আছে? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, ‘নেই’, উল্টোসুর তারেকের তথ্য উপদেষ্টার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ