চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ফাঁসির সাজা পাওয়া হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ফের দিল্লিকে চিঠি দিচ্ছে ইউনূস সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জুলাই গণহত্যা মামলায় বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই রায় দিয়েছে, ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। দুটি অভিযোগে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ১টি মামলায় যাবজ্জীবন হয়েছে। তবে হাসিনা রয়েছেন ভারতে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন তিনি। সাজা ঘোষণার পর এবার জুলাই গণহত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত ও ফাঁসির সাজা পাওয়া হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ফের দিল্লিকে চিঠি দিচ্ছে ইউনূস সরকার।

আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতকে আবারও চিঠি দেওয়া হবে। রায়দানের পর সংবাদ মাধ্যমের সামনে ড. আসিফ জানান, তাঁরা শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়ে জন্য ভারতের কাছে আবারও চিঠি লিখবে। এর পরেই তিনি জানান, ভারত যদি এই গণহত্যাকারীকে আশ্রয় দিতেই থাকে তাহলে বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের বিরুদ্ধে একটা শত্রুতা এবং একটা নিন্দনীয় আচরণ বলেই ধরা হবে। বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামীও।

প্রসঙ্গত, সোমবার ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মহম্মদ গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের বাকি সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। জানিয়ে রাখা ভালো বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসার পর থেকে হাসিনা ভারতেই অবস্থান করছেন। এমনকি বিপদের সময়ে আশ্রয় দেওয়ার জন্য ভারতের জনগণের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন।

৬ অধ্যায়ের ৪৫৩ পৃষ্ঠার রায় পড়ার পরেই মানবতাবিরোধী অপরাধে হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। হাসিনার বিরুদ্ধে রায়দান পড়তে গিয়ে বিচারপতি জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক আইনে হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যার  প্রমাণ মিলেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আন্তর্জাতিক আইনের কোনও ধারাই মানা হয়নি। গণহত্যাকে জঙ্গি হামলা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে।ট্রাইবুন্যালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্দোলনকারীদের গুলি করে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা। মামলার রায় পড়ার সময় জানালেন বিচারপতি। তিনি আরও বলেছেন, নিহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা জানা যায়নি। গণ অভ্যুত্থান জমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। হাসিনার কল রেকর্ড উল্লেখ রয়েছে রায়ের কপিতে। ট্রাইবুন্যালে ২ ঘণ্টা রায় পড়ার সময় জানানো হয়েছে, বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হেলিকপ্টার থেকে হত্যা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের কর্মীরা রাস্তায় নেমে পূর্বপরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে। শেখ হাসিনার সরকারের অধীনে, সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং র‍্যাব বিচারবহির্ভূত ভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের সরাসরি নির্দেশের ফলে বিক্ষোভকারী এবং অন্যান্য নাগরিকদের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে।শেখ হাসিনার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকেও মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল। অপর অভিযুক্ত প্রাক্তন পুলিশকর্তা আল-মামুন। কিছু ক্ষেত্রে ক্ষমা প্রদর্শন করে তাঁকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হল।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

জ্বালানি সঙ্কট তুঙ্গে, ঢাকার সরকারি হাসপাতালে মোবাইলের আলোয় চলছে চিকি‍ৎসা

তিন বছরের শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে খুন, আতঙ্ক এলাকাজুড়ে

বাংলাদেশে ডিগবাজি মতুয়া নেত্রীর, হাসিনাকে ছেড়ে ধরলেন তারেকের হাত

বাংলাদেশের দিনাজপুরে এবার ঘরে আগুন ধরিয়ে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা হল হিন্দু দম্পতিকে

জীবন বাঁচাতে সম্পত্তি বেচে ভারতে আসার পথে খুন হিন্দু ব্যবসায়ী

‘শেখ মুজিবকে প্রাপ্য সম্মান দিতে হবে ‘, ভিন্ন সুর চট্টগ্রামের বিএনপি মেয়রের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ